মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে নাইমুল হক ওরফে মংলা (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম নাইমুল হক রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার সুলতানগঞ্জ মাজারগেট এলাকার বাসিন্দা। বাবার নাম মৃত শামসুদ্দিন বাগ।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর হেরোইনসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন মাদক ব্যবসায়ী মংলা। এ নিয়ে সেদিন তাঁর বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছিল। বিচার শেষে সেই মামলার রায় ঘোষণা করলেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সম্রাটের জামিন শুনানি ১১ আগস্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন শুনানি ১১ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। একই দিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

বুধবার (০৬ জুলাই) ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে সম্রাট আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আজ তার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি। তার আইনজীবী সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপন করে জামিন চাইলে আদালত আগামী ১১ আগস্ট শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।

আদালত এদিন সম্রাটের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আদেশ দেন। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএসএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সম্রাট।

;

স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে দেড় লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে তিনি এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত সুজন মিয়া (৩৫) টাঙ্গাইল পৌর শহরের আদি টাঙ্গাইল এলাকার মৃত আ. সালামের ছেলে।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রায় ১৪ বছর পূর্বে সুজন মিয়ার সাথে আদি টাঙ্গাইল দাসপাড়া (মাঝিপাড়া) শিউলী আক্তারের (২৭) বিয়ে হয়। বিয়ের পর দেড় লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে তার স্বামী বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। ২০১৪ সালের ১৭ জুন সকাল ১১টার দিকে তার স্বামী ঘরের দরজা বন্ধ করে যৌতুকের টাকার জন্য মারপিট করে। পরে পরিকল্পিতভাবে সেভেনআপের বোতল ভর্তি কেরোসিন তেল ঢেলে তার স্ত্রীর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরের দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিউলী আক্তারের মৃত্যু হয়।

পরে তার ভাই শিবলু মিয়া বাদী হয়ে ২০১৪ সালের ১৮ জুন টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

;

রাজশাহীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় যুবকের ৮ বছরের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এক কিশোরীর এডিট করা নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করায় রাজশাহীর আদালত এক ব্যক্তিকে আট বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও আট লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) দুপুরে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান আলাদা দুটি ধারায় আসামিকে এ দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম শাকিল মন্ডল (৩১)। চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা তিনি। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ মামলা হয়। ১৬ বছর বয়সী ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার বাদী একটি সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি শাকিল মণ্ডল ওই কিশোরীর ছবি সংগ্রহ করে এডিট করেন। এরপর এসব অশ্লীল ছবি শাকিল তার ফেইক ফেসবুক আইডি থেকে ওই কিশোরীর ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে পাঠান। পরবর্তীতে ওই কিশোরীর বাবাকে ফোন করে শাকিল ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে এসব ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জানান, মামলা দায়েরের পর পুলিশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। এরপর বিচার শুরু হয়। আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ মামলার রায় ঘোষণা করলেন। রায়ে আদালত একটি ধারায় আসামিকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার এ অর্থ অনাদায়ে আরও ছয়মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

অন্য আরেকটি ধারায় আসামিকে ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার এই অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে আসামিকে। রায়ে আদালত উল্লেখ করেছেন, কারাদণ্ডের সাজা একটার পর একটা কার্যকর হবে। জরিমানার অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে ভুক্তভোগী পাবে। মামলার আসামি পলাতক আছেন। রায় ঘোষণার দিনও আসেননি। তার অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

;

নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকা-৯ (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ দিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় তিনি আজ আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এজন্য তার পক্ষে আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারি পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদি হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (প্রয়াত), সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন (প্রয়াত), সে সময়ের প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারি সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ি গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

;