টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী মো. রিয়াজ উদ্দিন (৩৫) এর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এই রায় দেন।

মো. রিয়াজ উদ্দিন ঘাটাইল উপজেলার গারো বাজার এলাকার বশির উদ্দিনের ছেলে। তিনি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক রয়েছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌশুলি (পিপি) আলী আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ১০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রিয়াজ উদ্দিন ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট তার স্ত্রী লিজা আক্তার (২০) কে মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় লিজাকে প্রথমে ফুলবাড়িয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছর ২৭ আগস্ট লিজা মারা যান।

লিজা ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের আব্দুল কদ্দুসের মেয়ে।

ঘটনার পর লিজার ভাই আজাহার আলী বাদি হয়ে ২০০৯ সালের ১৯ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুলতান ওই বছর ২০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন। দণ্ডিত রিয়াজের অনুপস্থিতেই রায় ঘোষণা করেন আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের ১২ বিচারপতি করোনাক্রান্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর থাবা পড়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টেও। সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতি শরীরে এ ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

সোমবার (২৭ জুন) সকালে আপিল বিভাগে বিচারকাজ পরিচালনার সময় প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলকে মামলা পরিচালনায় সহযোগিতা চেয়ে বলেন, আমাদের ১২ জন বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত। দ্বৈত বেঞ্চের একজন করোনায় আক্রান্ত হলে ওই বেঞ্চের বিচারকাজ বন্ধ থাকে।

‘করোনার কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বেঞ্চে বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় আপনারা যদি সহযোগিতা না করেন তাহলে আমাদের জন্য বিষয়টি কঠিন হয়ে পড়ে। আপনারা সহযোগিতা না করলে আমাদের ভার্চুয়ালি কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারপরও ধৈর্য ধরেন আমরা দেখতেছি।’

আপাতত গুরুত্বপূর্ণ মামলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। এ সময় তিনি সব আইনজীবীর সহযোগিতা চান।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, মাই লর্ড আমাদের অনেক আইনজীবীও করোনায় আক্রান্ত। আমরা আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বিচারপতি ইকবাল কবির লিটনসহ ১২ জন বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

;

‘জাতীয় কবি’র গেজেট চেয়ে ১০ আইনজীবীর হাইকোর্টে রিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্ট রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুন) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে মো. আসাদ উদ্দিন এ রিট দায়ের করেন। রিটকারী আইনজীবী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিট আবেদনকারী অন্যান্য আইনজীবীরা হলেন মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, মো. জোবায়দুর রহমান, আল রেজা মো. আমির, মো. রেজাউল ইসলাম, কে এম মামুনুর রশিদ, মো. আশরাফুল ইসলাম, শাহীনুর রহমান, মো. রেজাউল করিম এবং মো. আলাউদ্দিন।

রিট আবেদনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালকে বিবাদী করা হয়েছে। নোটিশ প্রাপ্তির সাত কর্মদিবসের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

রিট আবেদনকারী আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, দেশের আপামর জনগণ এমনকি ছোট্ট শিশুটিও জানে বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। কিন্তু বাস্তবে এটির কোনও দালিলিক ভিত্তি নেই। মৌখিকভাবে তিনি জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত হলেও লিখিতভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। বলা হয়ে থাকে, ১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার আলবার্ট হলে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে সর্বভারতীয় বাঙালিদের পক্ষ থেকে কবিকে জাতীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নজরুলকে ‘জাতীয় কবি’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে মুখে মুখে তিনি জাতীয় কবি হয়ে আছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সরকারিভাবে তাকে জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা করে কোনও প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। বসবাসের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ধানমন্ডিতে তাঁকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। এরপর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে সরকারি আদেশ জারি করা হয়। ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়।

আসাদ উদ্দিন আরও বলেন, বাংলাদেশের দুটি আইনে জাতীয় কবি হিসেবে নজরুলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে তাকে জাতীয় কবি হিসেবে উল্লেখও করা হয়। কিন্তু সবই পরোক্ষ স্বীকৃতি। তিনি আমাদের ইতিহাসের অংশ। এ ছাড়া নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণার দাবিতে কবি পরিবারের পক্ষ থেকেও বারবার দাবি তোলা হয়েছে।

;

হাইকোর্টে ৯টি অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ৩ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য ৯টি অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে গঠিত এ সব বেঞ্চের বিস্তারিত সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে দেওয়ানি সংক্রান্ত বিষয়াদী, বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেন এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি সরদার মো. রাসেদ জাহাঙ্গীর সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে ভ্যাট, কাস্টমস, ট্যাক্সসহ সকল প্রকার রিট সংক্রান্ত মোকদ্দমা, বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি খিজির হায়াত, বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানি লন্ডারিং আইনের অধীন বিষয়াদীসহ জরুরি ফৌজদারি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বিচারপতি আহমেদ সোহেলের একক বেঞ্চে অধিক্ষেত্রাধীন বিষয়, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের একক বেঞ্চে দেওয়ানি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের একক বেঞ্চে ফৌজদারি সংক্রান্ত বিষয়াদি শুনানি হবে।

;

কর ফাঁকির ৮৩ লাখ টাকা জমা দিলেন ড. কামাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন

বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দাবি করা ৬ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫১ টাকা ট্যাক্সের মধ্যে ৮৩ লাখ টাকা কর আপিলেট ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছেন গণফোরামের সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন।

মঙ্গলবার (২১ জুন) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ড. কামালের আইনজীবী ব্যারিস্টার রমজান আলী শিকদার বলেন, আইন অনুযায়ী ৮৩ লাখ টাকা আমরা জমা দিয়েছি।

এদিকে কর ফাঁকির বিষয়ে আপিলেট ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে গণফোরামের সভাপতি ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের রিটের আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য রয়েছে।

গত ১৪ জুন কর ফাঁকির বিষয়ে আপিলেট ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ড. কামাল হোসেনের দায়ের করা রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ড. কামাল হোসেন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ২০ কোটি ১১ লাখ ৪ হাজার ২১৯ টাকার সম্পদ দেখিয়ে ৬ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫১ টাকা ট্যাক্স দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আপিলেট ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

;