মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যায় ৪ জনের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিয়েতে রাজি না হওয়ায় মাদরাসাছাত্রী রোজিনা আক্তারকে ধর্ষণের চেষ্টা ও হত্যার দায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকার কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিমকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় ৷ একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে আসামিরা। আদালতে ঘটনাটি প্রমাণিত হয়েছে। এতে আদালত আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, রায়ের সময় আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আনোয়ার হোসেন কইলা ও আখি আক্তার রুমা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি হুমায়ুন ও বাহার পলাতক রয়েছেন। এরমধ্যে বাহার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছে। আর হুমায়ুন জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত কইলা রায়পুর পৌরসভার দেনায়েতপুর এলাকার মৃত হানিফ মিয়ার ছেলে, আঁখি একই এলাকার আবদুল মতিনের মেয়ে। পলাতক হুমায়ুন কবির দেনায়েতপুর এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে ও মো. বাহার উপজেলার বামমী ইউনিয়নের বামনী গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রফিক উল্যাহ বলেন, মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নয়। ঘটনার প্রত্যক্ষ কোন সাক্ষী আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

আদালত সূত্র জানায়, নিহত রোজিনা রায়পুর পৌরসভার দেনায়েতপুর এলাকার বয়াতি বাড়ির মৃত সফিক মিয়ার মেয়ে ও হযরত খাদিজাতুল কোবরা নুরানী মহিলা মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। পরীক্ষা শেষে ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর বিকেলে তিনি বাসায় ফিরছিলেন। এসময় সাবেক পৌরসভা কার্যালয় ভবনের সামনের সড়কে কথিত প্রেমিক আনোয়ার হোসেন কইলার সোর্স আখি অপেক্ষা করছিলেন। একপর্যায়ে ফুঁসলিয়ে আখি তাকে বাগানের দিকে নিয়ে যায়। কইলার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে আখি এ সহযোগিতা করে। সেখানে কইলাসহ আরও তিন সহযোগী ছিল। একপর্যায়ে কইলা ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। সে প্রত্যখ্যান করলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। পরে অন্যদের সহযোগিতায় গাছের সঙ্গে গলার ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাগানে মরদেহ ফেলে রাখে। পরদিন দুপুরে স্থানীয় লোকজন মরদেহটি দেখে পুলিশকে খবর দেয়। তার পরিবারের লোকজন এসে মরদেহটি শনাক্ত করে। এঘটনায় ছাত্রীর মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে রায়পুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সূত্র জানিয়েছে, হত্যার ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ১৭ ডিসেম্বর পশ্চিম কেরোয়া এলাকা থেকে আখি ও হুমায়ুন নামে দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৮ ডিসেম্বর ঘটনা স্বীকার করে তারা লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট মো. দাঊদ হাসানের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। ২০১৬ সালের ১৮ জুন পুলিশ আদালতের মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেয়।

পথশিশুদের জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারা দেশের পথশিশুকে জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়ার নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তাপস কান্তি বল।

গত ১২ জুন রাজধানী ঢাকার দুই লাখসহ সারাদেশের পথশিশুদের জন্ম নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। স্পোর্টস ফর হোপ অ্যান্ড ইনডিপেনডেন্ট সংগঠনের পক্ষে ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল রিটটি দায়ের করেন।

নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, জন্ম নিবন্ধন অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে।

অ্যাডভোকেট তাপস কান্তি বল বলেন, বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সারাদেশে লাখো পথশিশু রয়েছে। এসব শিশুদের জন্ম নিবন্ধন সনদ নেই। জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকার কারণে পথশিশুরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে না। এছাড়া জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকার কারণে শিশুরা অনেক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ কারণে রিটটি দায়ের করা হয়েছে।

;

শিক্ষক লাঞ্ছনা: বিচারবিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) স্বপন কুমার বিশ্বাসকে লাঞ্ছনার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা জাহান এ রিট দায়ের করেন।

এর আগে গত ২৮ জুন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে নড়াইলের কলেজ শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনায় রিট আবেদন নিয়ে আসতে বলেছিলেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনলে আদালত এ পরামর্শ দেন।

আদালতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আনেন আইনজীবী পূর্ণিমা জাহান। তখন হাইকোর্ট বলেন, আপনারা রিট আবেদন নিয়ে আসুন। আমরা শুনব।

জানা গেছে, মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ছাত্র রাহুল দেব রায় গত ১৭ জুন ফেসবুকে ভারতে মহানবি (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তিকারী নূপুর শর্মার ছবি দিয়ে ‘প্রণাম নিও বস নূপুর শর্মা, ‘জয় শ্রী রাম’ ক্যাপশন দেয়। এরপর ১৮ জুন সকালে তাকে কলেজে দেখে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

এ সময় কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) স্বপন কুমার বিশ্বাস তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি উপস্থিত শিক্ষকদের জানান। এরপর স্থানীয় মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুরসালিন, কলেজের জিবির সভাপতি অচিন চক্রবর্তী, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হয়।

এরপর মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুরসালিন কলেজে থেকে রাহুলকে নিয়ে যেতে গেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা মারমুখী হয়ে ওঠেন এবং বাধা দেন। কিছু সময়ের মধ্যে নড়াইল সদর থানার ওসি শওকত কবির অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে সেখানে পৌঁছান। কিন্তু রাহুলকে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। এরপর নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলাম আরও পুলিশ নিয়ে মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজে যান। সাধারণ শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের বুঝিয়ে রাহুলকে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। ধীরে ধীরে লোকজন বাড়তে থাকে আর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। আরও অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় সেখানে যান। রাহুলের উপযুক্ত বিচার দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই এলাকার সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে রাহুল রায়কে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন।

কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজন যোগ দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে জনতার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। ফলে কলেজ চত্বর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এরপর কলেজের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক শ্যামল কুমার ঘোষকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে বাথরুমে আটকে রাখা হয়। এ ছাড়া বিক্ষুব্ধ জনতা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন বিশ্বাস, শিক্ষক প্রশান্ত রায় ও শিক্ষক অরুন কুমার মণ্ডলের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

ওই দিন বিকেলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে যান। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার দু’জন মিলে উপযুক্ত বিচার দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে রাহুলকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় একদল যুবক স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জুতার মালা পরিয়ে মারপিট করে।

আলোচিত এই ঘটনার ১০দিন পর পুলিশ বাদী হয়ে ১৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

;

যুদ্ধাপরাধ মামলা: হবিগঞ্জের মাওলানা শফিউদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মাওলানা শফি উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামি সাব্বির আহমেদকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. তাজুল ইসলাম (৮০), মো. জাহেদ মিয়া (৬২) ও ছালেক মিয়া।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান, গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত ২৮ জুন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মাওলানা শফি উদ্দিনসহ পাঁচজনের রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

২০১৮ সালের ২১ মার্চ এ মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করে তদন্ত সংস্থা। পরে তারা প্রসিকিউটর বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রসিকিউশন এ আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে গত ১৭ মে রায়ের জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

আসামিদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

;

নিবন্ধনধারী ৪৮৩ জনকে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১৪তম নিবন্ধনধারী ৪৮৩ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৯ জুন) ৪টি পৃথক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাশেফা হোসেন ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান, শিক্ষা সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের আদালতের রায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ ও অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন। গত বছর জাকির হোসেনসহ ৪৮৩ নিবন্ধনধারী হাইকোর্টে রিট করেন।

এর আগে গত ১ জুন ১৩তম নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে করা পৃথক ৯টি রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি কাশেফা হোসেন ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

;