মামলার জট কমাতে আইনজীবীদের প্রতি সময় না চাওয়ার আহ্বান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

মামলার জট কমিয়ে আনতে সময় চেয়ে আবেদন না করতে আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

শনিবার (২১ মে)  দুপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বলা হতো সিভিল কেস বেগুন খেতের মতো। এটা প্রচলিত ছিল। আমি তো শুনে শুনে বড় হয়েছি। এই জিনিসটা পরিবর্তন করতে হবে। সিপিসি যখন করা হয়েছিল তখন প্রযুক্তি এত উন্নয়ন হয়নি। প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে এখান থেকে আমেরিকায় খবর পাঠাতে সময় লাগে কয়েক সেকেন্ড। পৃথিবী যখন এখানে চলে গেছে, আমার মনে হয় বলা আছে অমুকটার জন্য ৪৫ দিন সময় দিতে হবে, অমুকটার জন্য ৬০ দিন সময় দিতে হবে এগুলোর আর প্রয়োজন নেই।

মামলার জট কমাতে আদালতের খরচ বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, খরচ বাড়ালে মানুষ চিন্তু করবে আজ যদি আমি তারিখ নেই তাহলে অতিরিক্ত ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা লাগবে। তখন মানুষ আর সময় নিতে চেষ্টা করবে না। এটা প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। আরেকটা প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে, আমরা সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার ৪ উপধারা বাতিল করার উদ্যোগ নিয়েছি। আজকের পৃথিবীতে নারীদের এভাবে বেইজ্জত করতে আমরা পারি না। ১৪৬ ধারা ৩ উপধারা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এটা যখন মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়েছিল, তখন আলোচনা হয়েছে। আমরা চিন্তা করছি, কতটা গেলে নর-নারী উভয়ের সমস্যার সমাধান করা যায়।

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে পরিষ্কারভাবে বলা আছে বাক-স্বাধীনতা মৌলিক অধিকার। বিশ্বাস করেন, গণতান্ত্রিক দেশ যেখানে সংবিধান আছে কোথাও এর পরের জিনিসটা নেই। ভারতের সংবিধান দেখেন; যেটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংযোজন করে দিয়ে গিয়েছিলেন—সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা। যেখানে বঙ্গবন্ধু এটা সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে সংযোজন করে দিয়ে গেছেন, সেখানে তার কন্যার সরকার এমন কোনো আইন কি করতে পারে যাতে বাক-স্বাধীনতা বা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ব্যাহত হয়? না, এটা করতে পারে না এবং আমরা সেটা করিনি। প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে কিছু সমস্যারও সৃষ্টি হয়েছে। সেসব সমস্যা হলো সাইবার ক্রাইম। আমাদের এই সাইবার ক্রাইম মোকাবিলা করতে হবে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী অনেক অপরাধ আছে যেগুলো আর ফিজিক্যালি করা হয় না, কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয়। সেটার বিচার করা হবে কীভাবে? সে জন্য তো একটা আইন করতে হবে। আমরা সে জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছি।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করার পরে কিছু মিসইউজ এবং অ্যাবিউজ যে হয়নি তা তো নয়। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট করেছিলেন। এটা করেছিলেন একটা বিশেষ কারণে। তখন মানুষ খাদ্য মজুত করতো, স্মাগলিং করতো। তখন প্রচলিত কাস্টমস আইনের স্মাগলিং ১৫৬ ধারার দিয়ে এই অপরাধ বন্ধ করা যাচ্ছিল না। স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্টের সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার হয়েছে ১৯৮৫ সাল থেকে শুরু করে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত। আজ একটা ডিটেনশনের মামলা নেই কিন্তু স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট আছে। স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট কি খারাপ আইন? এটার ব্যবহার আপনারা কীভাবে করবেন এটাই বলে দেয় উদ্দেশ্য আপনাদের কী।

আইনজীবীদের বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখবেন ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে কোনো একটি ঘটনায় আদৌ মামলা হয় কি না। আগে দেখা যেত, থানায় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে মামলা হলেই একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হতো। আমি সেখানেও বলেছি যাতে এই মামলা করার সঙ্গে সঙ্গে যেন কাউকে গ্রেপ্তার না করা হয়। আদালত যদি মনে করেন এটা অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ তাহলে সে রকম ব্যবস্থা নেবে। আর যদি মনে করেন, সমন দিলেই যথেষ্ট সমন দেবেন। তাই বলে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে বাতিল করে ফেলতে হবে, আমি এটা সমর্থন করি না।

‘জাতীয় কবি’র গেজেট চেয়ে ১০ আইনজীবীর হাইকোর্টে রিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্ট রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুন) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে মো. আসাদ উদ্দিন এ রিট দায়ের করেন। রিটকারী আইনজীবী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিট আবেদনকারী অন্যান্য আইনজীবীরা হলেন মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, মো. জোবায়দুর রহমান, আল রেজা মো. আমির, মো. রেজাউল ইসলাম, কে এম মামুনুর রশিদ, মো. আশরাফুল ইসলাম, শাহীনুর রহমান, মো. রেজাউল করিম এবং মো. আলাউদ্দিন।

রিট আবেদনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালকে বিবাদী করা হয়েছে। নোটিশ প্রাপ্তির সাত কর্মদিবসের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

রিট আবেদনকারী আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, দেশের আপামর জনগণ এমনকি ছোট্ট শিশুটিও জানে বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। কিন্তু বাস্তবে এটির কোনও দালিলিক ভিত্তি নেই। মৌখিকভাবে তিনি জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত হলেও লিখিতভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। বলা হয়ে থাকে, ১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার আলবার্ট হলে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে সর্বভারতীয় বাঙালিদের পক্ষ থেকে কবিকে জাতীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নজরুলকে ‘জাতীয় কবি’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে মুখে মুখে তিনি জাতীয় কবি হয়ে আছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সরকারিভাবে তাকে জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা করে কোনও প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। বসবাসের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ধানমন্ডিতে তাঁকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। এরপর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে সরকারি আদেশ জারি করা হয়। ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়।

আসাদ উদ্দিন আরও বলেন, বাংলাদেশের দুটি আইনে জাতীয় কবি হিসেবে নজরুলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে তাকে জাতীয় কবি হিসেবে উল্লেখও করা হয়। কিন্তু সবই পরোক্ষ স্বীকৃতি। তিনি আমাদের ইতিহাসের অংশ। এ ছাড়া নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণার দাবিতে কবি পরিবারের পক্ষ থেকেও বারবার দাবি তোলা হয়েছে।

;

হাইকোর্টে ৯টি অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ৩ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য ৯টি অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে গঠিত এ সব বেঞ্চের বিস্তারিত সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে দেওয়ানি সংক্রান্ত বিষয়াদী, বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেন এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি সরদার মো. রাসেদ জাহাঙ্গীর সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে ভ্যাট, কাস্টমস, ট্যাক্সসহ সকল প্রকার রিট সংক্রান্ত মোকদ্দমা, বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি খিজির হায়াত, বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানি লন্ডারিং আইনের অধীন বিষয়াদীসহ জরুরি ফৌজদারি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বিচারপতি আহমেদ সোহেলের একক বেঞ্চে অধিক্ষেত্রাধীন বিষয়, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের একক বেঞ্চে দেওয়ানি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের একক বেঞ্চে ফৌজদারি সংক্রান্ত বিষয়াদি শুনানি হবে।

;

কর ফাঁকির ৮৩ লাখ টাকা জমা দিলেন ড. কামাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন

বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দাবি করা ৬ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫১ টাকা ট্যাক্সের মধ্যে ৮৩ লাখ টাকা কর আপিলেট ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছেন গণফোরামের সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন।

মঙ্গলবার (২১ জুন) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ড. কামালের আইনজীবী ব্যারিস্টার রমজান আলী শিকদার বলেন, আইন অনুযায়ী ৮৩ লাখ টাকা আমরা জমা দিয়েছি।

এদিকে কর ফাঁকির বিষয়ে আপিলেট ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে গণফোরামের সভাপতি ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের রিটের আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য রয়েছে।

গত ১৪ জুন কর ফাঁকির বিষয়ে আপিলেট ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ড. কামাল হোসেনের দায়ের করা রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ড. কামাল হোসেন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ২০ কোটি ১১ লাখ ৪ হাজার ২১৯ টাকার সম্পদ দেখিয়ে ৬ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫১ টাকা ট্যাক্স দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আপিলেট ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

;

হেরোইন বহনের দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে ৮৫৬ গ্রাম হেরোইন রাখার দায়ে দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামিরা হলেন, উল্লাপাড়ার রামকান্তপুর মধ্যপাড়া মহল্লার মৃত জিতু প্রামানিকের ছেলে রিফাত পরিবহনের সুপারভাইজার লিটন হোসেন ও শিবপুর এলাকার মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে ড্রাইভার সোহাগ আলী।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাটোর থেকে আসা ঢাকাগামী রিফাত পরিবহন বাসে তল্লাশি করে র‍্যাব-১২। এসময় বাসটির ড্রাইভার ও সুপারভাইজারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে ড্রাইভার ও সুপারভাইজার বাসের বাঙ্কারে থেকে ফিনলে চায়ের প্যাকেটে রাখা ৮৫৬ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে র‍্যাব।

পরে র‍্যাব এর ডিএডি ইউনুস আলী সলংগা থানায় উদ্ধারকৃত হেরোইনসহ সুপারভাইজার ও ড্রাইভারকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মোট ৮ জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি আব্দুর রহমান এবং আসামিপক্ষের মামলা পরিচালনা করেন এ্যাড. এস এম দেলোয়ার হোসেন মন্টু।

;