ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকির আত্মসমর্পণ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সিনহা হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের স্ত্রী চুমকি কারণ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

সোমবার (২৩ মে) দুপুর ১২টায় তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। পরে তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন তিনি।

দুদকের করা এ মামলায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকির বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ কুমার দাশ কারাগারে থাকলেও তার স্ত্রী চুমকি এতদিন পলাতক ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- ২০১২ এর ৪(২) ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলাটি করা হয়।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নির্দেশে বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ ও কক্সবাজারের এসপি এবিএম মাসুদ হোসেনসহ আটজনের ব্যাংক হিসাবও স্থগিত করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধ: হবিগঞ্জের ৫ আসামির রায় বৃহস্পতিবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মাওলানা শফি উদ্দিনসহ পাঁচজনের রায় বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

অন্য আসামিরা হলেন- মো. তাজুল ইসলাম (৮০), মো. জাহেদ মিয়া (৬২), ছালেক মিয়া ও সাব্বির আহমেদ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান, গাজী এম এইচ তামিম।

প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন বলেন, এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। আমরা প্রসিকিউশন থেকে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করছি তাদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী গাজী তামিম বলেন, প্রসিকিউশন পক্ষ আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আশা করি তারা খালাস পাবেন।

২০১৮ সালের ২১ মার্চ এ মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করে তদন্ত সংস্থা। পরে তারা প্রসিকিউটর বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রসিকিউশন এ আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে গত ১৭ মে রায়ের জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

আসামিদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

;

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইলেকট্রিশিয়ান জলিল সর্দার হত্যা মামলায় হারুন রশিদ নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর জজ ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ রহিবুল ইসলাম মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে এ রায় দেন।

নিহত জলিল সর্দার রায়পুরের উদমারা গ্রামের সিরাজ সর্দারের ছেলে।

দণ্ডিত হারুনুর রশিদ উপজেলার চরবংশী ইউনিয়নের মো. হযরত বেপারীর ছেলে।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- আবুল কালাম ওরফে কালু ব্যাপারী, মো. জাহিদ ওরফে আবুল কাশেম, তোফায়েল পালোয়ান ও আক্তার হোসেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি রাতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। আসামি হারুনুর রশিদ মোবাইল ফোনে ডেকে নেয় জলিলকে। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন বেলা ১১টার দিকে আওয়াল দেওয়ানের ধানক্ষেত থেকে জলিলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা সিরাজ সর্দার ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি মামলা থেকে আক্তার হোসেনকে অব্যাহতি দিয়ে ৪ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত ৩ জনকে খালাস ও হারুনুর রশিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

;

পদ্মা সেতু ষড়যন্ত্রে জড়িতদের খুঁজতে কমিশন গঠনের নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা বহুমুখী সেতু ষড়যন্ত্রে জড়িতদের খুঁজে বের করতে ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

এর আগে গত রোববার (২৬ জুন) পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়।

২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি এবং দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং দোষীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

মন্ত্রিপরিষদ, স্বরাষ্ট্র, আইন ও যোগাযোগ সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

;

বন্ধুকে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে টাকা ছিনতাইয়ের জন্য বন্ধুকে হত্যার মামলায় মো. বাহার নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বাহার পলাতক রয়েছেন।

হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বাহার সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের বড়বল্লভপুর গ্রামের জয়নাল আবেদিন খন্দকারের ছেলে।

আদালত সূত্র জানায়, হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বাহার মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। বাহার ও ভিকটিম আবদুর রব রাসেল বন্ধু ছিলেন। রাসেল বড়ভল্লবপুর গ্রামের আবদুল মোতালেবের ছেলে। রাসেলের বিদেশ যাওয়ার কথা ছিল। এতে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি রাতে নিজ বাড়ি থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পার্শ্ববর্তী চরমোহাম্মদপুর গ্রামে শ্বশুর বাড়ির উদ্দেশ্যে হেঁটে রওনা দেয়। পথিমধ্যে বসুদৌহিতা গ্রামে পৌঁছলে বাহার পেছন থেকে লোহার চার্জার লাইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে রাসেল অচেতন হয়ে পড়ে। তাকে মৃত ভেবে টাকা নিয়ে বাহার পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় ২ মাস সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে ২৫ মার্চ ঢাকা মেডিকেল কলেজ নেওয়ার পথে বাহার মারা যান। এ ঘটনায় ৩০ জানুয়ারি চন্দ্রগঞ্জ বাহারের মা আমেনা বেগমের লিখিত অভিযোগটি পরবর্তীতে হত্যা মামলায় রুজু হয়। তদন্ত শেষে ওই মামলায় বাহারের বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ উপ-পরিদর্শক পুষ্প বরণ চাকমা ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও দীর্ঘ শুানানি শেষে আদালত বাহারের অনুপস্থিতিতে রায় দেয়।

;