পথশিশুদের জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারা দেশের পথশিশুকে জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়ার নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তাপস কান্তি বল।

গত ১২ জুন রাজধানী ঢাকার দুই লাখসহ সারাদেশের পথশিশুদের জন্ম নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। স্পোর্টস ফর হোপ অ্যান্ড ইনডিপেনডেন্ট সংগঠনের পক্ষে ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল রিটটি দায়ের করেন।

নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, জন্ম নিবন্ধন অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে।

অ্যাডভোকেট তাপস কান্তি বল বলেন, বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সারাদেশে লাখো পথশিশু রয়েছে। এসব শিশুদের জন্ম নিবন্ধন সনদ নেই। জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকার কারণে পথশিশুরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে না। এছাড়া জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকার কারণে শিশুরা অনেক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ কারণে রিটটি দায়ের করা হয়েছে।

গার্ডার দুর্ঘটনা: ক্রেনচালকসহ ১০ আসামি রিমান্ডে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারের ৫ যাত্রী নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ক্রেনচালক মো. আল-আমিন হোসেন ওরফে হৃদয়সহ (২৫) ১০ জনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদ শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আজ দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু-তদন্তের জন্য আল-আমিন, রাকিব ও জুলফিকারকে দশদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াসীন গাজী। শুনানি শেষে বিচারক তাদের তিনজনকে চারদিন করে মঞ্জুর করেছেন।

এছাড়া রুবেল (২৮), মো. আফরোজ মিয়া (৫০), মো. ইফতেখার হোসেন (৩৯), আজহারুল ইসলাম মিঠু (৪৫), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুষার (৪২), রুহুল আমিন মৃধা (৩৩) ও মো. মঞ্জুরুল ইসলামকে (২৯) সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে বিচারক তাদের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে বুধবার (১৭ আগস্ট) রাতে ঢাকা, গাজীপুর, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন— ক্রেনচালক আল-আমিন হোসেন ওরফে হৃদয়, রাকিব হোসেন (২৩), দুর্ঘটনাস্থলে নিরপাত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ফোর ব্রাদার্স গার্ড সার্ভিসের ট্রাফিকম্যান মো. রুবেল (২৮), মো. আফরোজ মিয়া (৫০), ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সেফটি ইঞ্জিনিয়ার মো. জুলফিকার আলী শাহ (৩৯), হেভি ইকুইপমেন্ট সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত ইফসকন বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. ইফতেখার হোসেন (৩৯), হেড অব অপারেশন মো. আজহারুল ইসলাম মিঠু (৪৫), ক্রেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিল্ড ট্রেড কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুষার (৪২), প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন মৃধা (৩৩) ও মো. মঞ্জুরুল ইসলাম (২৯)।

গত সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের প্যারাডাইস টাওয়ারের সামনে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের এক্সপ্রেসওয়ের গার্ডার চাপায় পাঁচজন নিহত হন। হতাহতরা ঢাকায় একটি বৌভাতের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ফিরছিলেন।

প্রাইভেটকারে থাকা সাতজনের মধ্যে পাঁচজান মারা যান। এরমধ্যে দুই শিশু, দুই নারী ও একজন পুরুষ মারা গেছেন। নিহতরা হলেন- রুবেল (৫০), ঝরণা (২৮), ফাহিমা (৪০), জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)।

ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় হৃদয় (২৬) ও রিয়া মনি (২১) নামে নবদম্পতি আহত হন।

এ ঘটনায় (১৫ আগস্ট রাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না গ্যাঝুবা গ্রুপ করপোরেশনের (সিজিজিসি) বিরুদ্ধে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ মামলায় ক্রেনের চালক ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের অভিযুক্ত করা হয়েছে। ব্যক্তি হিসেবে আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতদের।

;

চট্টগ্রামে জেএমবির ৫ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে জেএমবির ৫ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে জেএমবির ৫ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটির ভেতরে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার মামলায় ৫ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মনোরঞ্জন দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন সকালে চট্টগ্রামের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হালিম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন আবদুল মান্নান, রমজান আলী, এম সাখাওয়াত হোসেন, বাবলু রহমান ও আবদুল গাফফারের। তারা সবাই জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য। এরমধ্যে সাখাওয়াত পলাতক। বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মনোরঞ্জন দাশ বলেন, এই মামলায় চলতি বছরের ২৩ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছিল। ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজকে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের নৌ-বাহিনী ঈশা খাঁ ঘাঁটির দুটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালীন সময়ে জেএমবি সদস্যরা বোমা হামলা চালায়। এ ঘটনায় ২৫ জন আহত হয়। মুসল্লিরা জেএমবির সদস্যদের আটক করে পুলিশে দেয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন নৌ-বাহিনীর সাবেক সদস্য।

;

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করে যে প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে তা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ রুল জারি করেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিব, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পেট্রোলিয়ামের দাম নির্ধারণ নিয়ে ক্যাবের পক্ষে একাধিক রিট করেছেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, তিনি শুনানিতে অংশ নেন।

ইউনুছ আলী আকন্দ শুনানিতে বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। আইনে আছে গণশুনানি করতে হবে, মূল্য নির্ধারণ করবে বিইআরসি। দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে গণশুনানি হয়নি। দাম নির্ধারণ করেছে সরকার।

আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, গণশুনানি ছাড়া দাম নির্ধারণের সুযোগ নেই। এখানে মন্ত্রণালয়ের দাম নির্ধারণ করার এখতিয়ার নেই। এ দাম নির্ধারণে বিইআরসির ক্ষমতা খর্ব করেছে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট রাত ১২টার পর জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর করে সরকার। ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা, পেট্রোলের দাম ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা এবং অকটেনের দাম ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়।

;

সংসদ এলাকায় স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন বৈধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হাইকোর্ট

হাইকোর্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের জন্য বাসভবন নির্মাণ অবৈধ ঘোষণা করে হাই কোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করেছে আপিল বিভাগ।

এই রায়ের ফলে সংসদ ভবন এলাকায় নির্মিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন ‘বৈধ’ হিসেবে স্বীকৃত পেল বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আপিল বেঞ্চ হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করে এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ।

সংসদ ভবন এলাকায় ২০০২ সালে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হলে ২০০৩ সালে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস হাইকোর্টে রিট আবেদন করে।

আবেদনে বলা হয়, লুই আই কানের মূল নকশা লঙ্ঘন করে সংসদ ভবন এলাকায় এসব আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের ২১ জুন হাইকোর্ট ওই রিট আবেদন নিষ্পত্তিতে বলেন, সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ কার্যক্রম অবৈধ। সেইসঙ্গে রায়ে সংসদ ভবন এলাকাকে জাতীয় ঐতিহ্য ঘোষণার নির্দেশ দেন।

তবে হাইকোর্টের ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করলে তা মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত আপিল করেন। অবশ্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত থাকা অবস্থায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ শেষ হয়। ২০১৫ সালে আপিল শুনানিকালে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষকে লুই আইকানের মূল নকশা জমা দিতে বলেন। পরে মূল নকশা বিদেশ থেকে এনে আদালতে জমা দেওয়া হয়।

;