জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আজ সোমবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।

অ্যাডভোকেট মো. ইউনুস আলী আকন্দ জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সরকারি প্রজ্ঞাপনের ওপর স্থগিতাদেশ ও বাতিল চেয়ে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে হাইকোর্টে এই রিট আবেদন জমা দেন।

গত ৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাতে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এখন থেকে ডিজেলের দাম হবে প্রতি লিটার ১১৪ টাকা, যা এত দিন ৮০ টাকা ছিল। কেরোসিনের দামও একই হারে বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম ডিজেলের সমান, অর্থাৎ ১১৪ টাকা।

বাড়ানো হয়েছে পেট্রল ও অকটেনের দামও। পেট্রলের নতুন দাম প্রতি লিটার ১৩০ টাকা, যা এত দিন ৮৬ টাকা ছিল। অকটেনের দাম ৮৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের মুলতবি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
খালেদা জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের মুলতবি

খালেদা জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের মুলতবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ৮ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন। এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি মুলতবি চেয়ে আদালতে করা আবেদন করা হয়।

এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি মুলতবি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। তার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার দ্য ডেইলি স্টারকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে না পারেননি। পরবর্তী তারিখে তিনি খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করবেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল এর বিরোধিতা করেন।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন কারণে বিবাদীপক্ষ ৪৬ বারের মতো সময় চেয়ে আবেদন করল।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাগারে থাকার পর গত বছরের ২৫ মার্চ বিএনপি চেয়ারপারসন সরকারের নির্বাহী আদেশে কারাগার থেকে মুক্তি পান। ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ৪০১(১) ধারা অনুযায়ী খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড স্থগিত করা হয়।

সিআরপিসির ৪০১(১) ধারায় বলা হয়েছে, 'যখন কোনো ব্যক্তিকে অপরাধের জন্য শাস্তি প্রদান করা হয়, তখন সরকার যে কোনো সময় শর্ত ছাড়াই অথবা শর্তের বিনিময়ে (দণ্ডিত ব্যক্তি গ্রহণ করে) শাস্তি কার্যকর স্থগিত করতে পারে। অথবা তাকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছে তার পুরো বা যে কোনো অংশ স্থগিত করতে পারে।'

পরবর্তীতে কয়েক দফা খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

২০০৭ সালে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলাটি দায়ের করে দুদক। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেছিলেন। ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

এরা হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

;

মেয়ে আদুরির জিম্মায় বাড়ি ফিরলেন রহিমা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিখোঁজ রহিমা বেগমকে বাদী মেয়ে আদুরি আক্তারের জিম্মায় দিয়েছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। আদুরির আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আহমেদ এ আদেশ দেন। এর আগে, গতরাতে রহিমা বেগমকে উদ্ধারের পর খুলনা পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

রহিমা খাতুনকে অপহরণ করা হয়নি বলে ধারণা করলেও ঘটনাটি তদন্তের কথা জানিয়েছে পিবিআই। বেলা সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান এ কথা জানান।

তিনি বলেন, রহিমার কাছে সাদা রঙের একটি শপিং ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে ওড়না, হিজাব, আয়না, শাড়ি, আইড্রপ, ওষুধ, সালোয়ার কামিজ এবং ছোট একটি হাত ব্যাগ ছিল। সাধারণত একজনকে অপহরণ করে নিয়ে গেলে এই জিনিসগুলো থাকার কথা না।

এটা অপহরণ বলে মনে হচ্ছে কি-না সাংবাদিকরা জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, আমরা এখনও মামলা তদন্ত করছি।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আফরুজ্জামান টুটুল বলেন, ভিকটিম আদালতকে তার অপহরণের বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, জমিজমা নিয়ে যাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল, মূলত তারাই তাকে অপহরণ করে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে থেকে তিনি ফরিদপুরে আসেন। মামলায় যাদের নাম রয়েছে, তাদের মধ্যে ৪/৫ জন অপহরণের সঙ্গে জড়িত। জবানবন্দি প্রদান শেষে চিফ মেট্রোপলিটন আদালত-৪-এর বিচারক সারোয়ার আহমেদ তাকে তার মেয়ে এজাহারকারী আদুরি আক্তারের জিম্মায় হস্তান্তর করেন।

গত ২৭ আগস্ট রাতে খুলনা মহানগরীর মহেশ্বরপাশার উত্তর বণিকপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে নিখোঁজ হন রহিমা বেগম। এরপর থেকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি সন্তান ও স্বজনরা। মায়ের খোঁজে মেয়ে মরিয়ম মান্নানের আর্তনাদের একটি ভিডিও এবং মায়ের লাশ পেয়েছি এমন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

;

গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি নির্দোষ: জিকে শামীম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জিকে শামীম

জিকে শামীম

  • Font increase
  • Font Decrease

অস্ত্র আইনের মামলায় যুবলীগের কথিত নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীমসহ আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

জি কে শামীম তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলার রায়ের পর বলেছেন, তিনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার এবং এটি তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

আজ রায় ঘোষণার আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় জি কে শামীমকে।

যাবজ্জীবন পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন—মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন। এরা জি কে শামীমের দেহরক্ষী।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সালাউদ্দিন হাওলাদার বিষয়টি এনটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিচারক তাঁর রায়ে সব আসামির লাইসেন্স করা অস্ত্র রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

পিপি আরও বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। তাই তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন আদালত।’

এদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহিনুর রহমান অণি বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।’

২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর জি কে শামীমের অস্ত্র মামলায় তদন্তসংস্থা র‌্যাব আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপরে মামলাটি বিচারের জন্য এই আদালতে এলে ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

নথি থেকে জানা গেছে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ও মদ জব্দ করে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

;

অদিতাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা, শিক্ষক রনির স্বীকারোক্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর মাইজদীর লক্ষীনারায়ণপুরে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া তাসমিয়া হোসেন অদিতাকে (১৪) বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেছে বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন প্রাইভেট শিক্ষক আবদুর রহিম রনি।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আবদুর রহিম রনি। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিযুক্ত আবদুর রহিম রনি (৩০) নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর মহল্লার খলিল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, রনির কাছে প্রাইভেট পড়তো অদিতা। হঠাৎ অদিতা তার কাছে প্রাইভেট পড়তে অনীহা প্রকাশ করে এবং নতুন শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে শুরু করে। এতে রনি নাখোশ হয়। এবিষয়ে রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রনি ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।

এসপি আরও বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে অদিতার বাসায় যান সাবেক কোচিং শিক্ষক রনি। বাসায় গিয়ে বন্ধ দরজা নক করলে অদিতা বাসার দরজা খুলে দেয়। তখন সে বাসায় প্রবেশ করে অদিতার সঙ্গে গল্পগুজব করে। গল্পগুজবের একপর্যায়ে রনি অদিতাকে জড়িয়ে ধরে চুমু দেওয়ার চেষ্টা করে এবং বিভিন্ন কারণে ব্যর্থ হয়। এরপর রাগান্বিত হয়ে অদিতা বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে রনি অদিতাতে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে। পরবর্তীতে রান্না ঘর থেকে ছুরি এনে অদিতার বাম হাতের রগ এবং গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে হাতের বাঁধন খুলে দেয়। এরপর রনি ঘটনাকে ভিন্ন খাতে রূপ দিতে ঘরের আলমিরা ও ওয়ারড্রবের জামা-কাপড়, কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঘরের দরজা বাহির থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

শনিবার দুপুরে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি রনি এসব কথা বলেন।

উলেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শহর মাইজদীতে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসমিয়া হোসেন অদিতাকে (১৪) গলাকেটে হত্যা করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধারের পরপর পুলিশের একাধিক দল পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গৃহ শিক্ষক আবদুর রহিম রনিকে, ইসরাফিল (১৪), তার ভাই সাঈদকে (২০) গ্রেফতার করে।

;