রংপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

রংপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের কাউনিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আমিনুল ইসলাম বাবুল (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) বিকালে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২ এর বিচারক তারিক হোসেন এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আমিনুল ইসলাম বাবুল রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বাজেমসকুর গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম বাবুল ঢাকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করার সুবাদে সেখানে আম্বিয়া খাতুন লতার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তারা বিয়ে করে কিছুদিন ঘর সংসার করার পর বাবুল তার স্ত্রীকে না জানিয়ে গোপনে রংপুরের বাড়িতে চলে আসেন। এরপর ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই স্ত্রী লতা স্বামীর খোঁজে রংপুরে তার বাসায় এসে দেখেন স্বামীর আরেকটি স্ত্রী ও সন্তান আছে।

স্বামীর বাড়িতে অবস্থানের একদিন পর ২৬ জুলাই আম্বিয়া খাতুন লতাকে রাতে তার স্বামী ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় ২৩ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।

পরে তাকে পুলিশি পাহারায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অতিরিক্ত পিপি নয়নুর রহমান টফি জানান, বাদীপক্ষ ন্যায় বিচার পেয়েছেন। রায়ে তারা সন্তুষ্ট।

অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী আবুল হোসেন জানান, তার মক্কেল ন্যায় বিচার পাননি। তিনি রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

জঙ্গি ছিনতাই: আত্মসমর্পণের পর ৪ দিনের রিমান্ডে আমিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় আত্মসমর্পণের পর আসামি ঈদী আমিনের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ঈদী আমিন আত্মসমর্পণ করে আজ জামিনের আবেদন করেন। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২০ নভেম্বর দুপুরে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দু’আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় জঙ্গিরা। এসময় আরও দু’আসামি আরাফাত ও সবুরকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে জঙ্গিরা। পরে ঘটনাস্থল আরাফাত ও সবুরকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় কোর্ট পরিদর্শক জুলহাস বাদি হয়ে ২০ জনের নামে একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও সাত-আটজনকে আসামি করা হয়।

;

ময়মনসিংহে হত্যার দায়ে পিতা-পুত্রের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহে হত্যার দায়ে পিতা-পুত্রের যাবজ্জীবন

ময়মনসিংহে হত্যার দায়ে পিতা-পুত্রের যাবজ্জীবন

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় জমির সীমানা নিয়ে বিরোধে আবু রায়হান হত্যা মামলায় পিতা দুলাল মিয়া (৫৮) ও তার ছেলে তানভীর আহমেদ ফরহাদকে (৩০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আর ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রাশেদ তালুকদার এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি দুলাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে অপর আসামি তানভীর আহমেদ ফরহাদ পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মুক্তাগাছার কাসেমপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার সঙ্গে ফয়জুর রহমানের জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ ছিল। ২০১৩ সালের ২৪ জানুয়ারি বিকেলে জমির আইল নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দণ্ডপ্রাপ্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ফয়জুর রহমানকে। ফয়জুর রহমানের ডাক চিৎকারে পরিবারের লোকজনসহ স্থানীয়রা ছুটে আসে। এ সময়ে ফয়জুর রহমানের ছেলে আবু রায়হানকে দা দিয়ে আঘাত করে প্রতিপক্ষরা। রক্তাক্ত অবস্থায় রায়হানকে উদ্ধার করে প্রথমে মুক্তাগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পরদিন নিহতের বাবা ফয়জুর রহমান বাদী হয়ে চার জনের নামে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করলে পুলিশ তদন্তে দুই জনের সম্পৃক্ততা পায়।

;

জায়েদ নয়, শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান প্রার্থিতা বৈধ বলে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে অভিনেত্রী নিপুণের লিভ টু আপিল গ্রহণ করেছেন আদালত।

সোমবার (২১ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর ফলে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নিপুণের দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এর আগে, গত ১৩ নভেম্বর নিপুণের আইনজীবীর সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন। আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। নিপুণের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ।

গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। নিপুণ আক্তার পান ১৬৩ ভোট। এরপর টাকা দিয়ে ভোট কেনাসহ একাধিক অভিযোগ আনেন নিপুণ। পরে জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে শিল্পী সমিতির আপিল বোর্ডে আবেদন করেন নিপুণ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে করণীয় জানতে আবেদন করেন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে আপিল বোর্ডকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার দায়ে বিজয়ী প্রার্থী জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করেন। একই সঙ্গে নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দেন।

আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন জায়েদ খান। ৭ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন নিপুণ। ৯ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থা জারি করেন চেম্বার আদালত।

;

পুলিশের চোখে স্প্রে করে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালালো দুই জঙ্গি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রধান ফটকের সামনে থেকে জেএমবির মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি পালিয়ে গেছেন। পলাতক আসামিরা হলেন- মইনুল ও সিদ্দিক। তারা দীপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত।

রোববার (২০ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবিপ্রধান হারুন-অর-রশীদ।

জানা গেছে, সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে হাজিরা শেষে কারাগারে নেওয়ার সময় ঢাকা জেলা জজ আদালতের গেটে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জঙ্গিরা আবু সিদ্দিক ও মইনুলকে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তারা কর্তব্যরত পুলিশের চোখে অতর্কিতে স্প্রে করে ও পুলিশকে মারধর করে। আশপাশের অন্যরা বাধা দিতে এলে তাদের চোখেও স্প্রে করে জঙ্গিরা। এ সময় জজ আদালত চত্বরে এক ভীতিকর পরিস্তিতি সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে ডিবিপ্রধান হারুন-অর রশীদ জানান, আশপাশের সবগুলো চেকপোস্টকে সতর্ক করা হয়েছে। আশা করি, খুব শিগগিরই পলাতক জঙ্গিদের আটক করতে সক্ষম হব।

উল্লেখ্য, পলাতক দুই জঙ্গি আবু সিদ্দিক ও মইনুল ইসলাম প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন ও অভিজিৎ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান দীপন হত্যা মামলায় ৮ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। ৫৩ পৃষ্ঠার ওই আদেশে মইনুল ও আবু সিদ্দকের নামও ছিলো।

;