মিতু হত্যা: বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ছয় বছর আগে চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে রাস্তায় মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ পিবিআই কর্মকর্তারা আদালতে তদন্ত প্রতিবেদনটি জমা দিয়েছেন।

বাকি ছয় আসামি হলেন- মো. কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা, এহতেশামুল হক ভোলাইয়া, মো. মোতালেব মিয়া ওয়াসিম, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. খাইরুল ইসলাম কালু ও শাহজাহান মিয়া।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্র জমা দিয়েছি। অভিযোগপত্রে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

এ মামলার তদারকি কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা। তিনি বলেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দিয়ে এ মামলার তদন্ত করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। এ ঘটনায় মিতুর স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে দিন যত গড়িয়েছে মামলার গতিপথও পাল্টেছে। এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে বাবুল আক্তারের নাম। তদন্তে তার বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই।

পরে গত বছরের ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেয়ার কথা থাকলেও পরে জবানবন্দি দেননি বাবুল। পরে তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়।

চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি মিতু হত্যার ঘটনায় তার বাবা মোশাররফ হোসেনের দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে পিবিআই।

সংস্থাটি জানায়, একই ঘটনায় বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলার তদন্ত এগিয়ে নিতে মিতুর বাবার মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। একই ঘটনায় দুটি মামলা চলতে পারে না। সম্প্রতি আদালত এটিকে ত্রুটিপূর্ণ উল্লেখ করেন। তাই আদালতের পর্যবেক্ষণ মেনে ও বিধিবিধান অনুসারে মিতুর বাবার দায়ের করা মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাবুলের করা মামলাটির অধিকতর তদন্ত চলবে।

জিএম কাদেরের নিষেধাজ্ঞা বহাল করল চেম্বার জজ আদালত



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দলীয় কার্যক্রম পরিচালনায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের প্রশ্নে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ স্থগিত করেছেন সুপ্রীম কোর্টের চেম্বার জজ আদালত। অর্থাৎ পার্টির চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পালনের স্থগিতাদেশ বহাল থাকছে।।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে আপিল বিভাগের বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম আদালত হাইকোর্টের স্থগিত আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আপিল শুনানিতে এ রায় দেন।

আপিলকারী সিনিয়র আইনজীবী ব্যরিস্টার ফায়েজ আহমেদ রাজার নেতৃত্বে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাড.মোহাম্মদ আলী, অ্যাড.অশোক কুমার ঘোষ ও অ্যাড.হেলাল উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল অ্যাড. শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ। জিএম কাদেরের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।

এরআগে ২৯ নভেম্বর নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে জিএম কাদেরের আনা রিভিশন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল রুলসহ দলীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত আদেশ দেন।

গত ১৬ নভেম্বর বুধবার জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি ও চেয়ারম্যানের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার করা মামলায় জাপা চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক ও দলীয় কার্যক্রমের উপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ মাসুদুল হকের আদালত। এদিকে আজ বুধবার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানির নির্ধারিত দিন থাকলেও তা হাইকোর্টে স্থগিত আদেশ থাকায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।

;

১৩ বছরে প্রায় ৬ কোটি টাকা বেতন নিয়েছেন ওয়াসার তাকসিম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ১৩ বছরে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা বেতন নিয়েছেন। এর মধ্যে বাড়ি ভাড়া, আয়কর, কোয়ার্টার মেরামত ও অন্যান্য কর্তন বাবদ মোট ১ কোটি ২৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৭৭ টাকা কর্তন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে ঢাকা ওয়াসা। আদালত এ প্রতিবেদন নথিভুক্ত করতে আদেশ দেন।

ঢাকা ওয়াসার পক্ষে প্রতিবেদনটি দাখিল করেন ব্যারিস্টার এম মাসুম। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন।

এর আগে, গত ১৭ আগস্ট ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান ১৩ বছরে বেতন, উৎসাহ ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা হিসেবে যত টাকা নিয়েছেন তার হিসাব তলব করেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে তাকসিম এ খানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের বিষয়ে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। এছাড়া তাকে অপসারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

যতদিন পর্যন্ত তাকে অপসারণ করা না হবে ততদিন ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী তার বেতন নির্ধারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এ নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

স্থানীয় সরকার সচিব, ঢাকা ওয়াসা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, গত ১৩ বছর ওয়াসা বোর্ড বিভিন্ন রেজুলেশনের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা পরিচালককে কী পরিমাণ বেতন-ভাতা এবং টিএ-ডিএসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে তার হিসাব আগামী ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে বিভাগে দাখিলের জন্য আবেদন করেছিলাম। আদালত তা অনুমোদন করেছেন। গত ৩১ জুলাই ক্যাবের পক্ষে এই রিট আবেদন করা হয়।

২০০৯ সালে ঢাকা ওয়াসার এমডি পদে নিয়োগ পান তাকসিম এ খান। প্রথম নিয়োগের পর থেকে মোট ছয়বার তার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

;

‘কৃষকের কোমরে দড়ি, হাজার কোটি টাকা আত্মসাতকারীর কিছুই হয় না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হাইকোর্ট বলেছেন, মাত্র ২৫ হাজার টাকা খেলাপির জন্য দরিদ্র কৃষকের কোমরে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। অথচ যাদের কাছে হাজার হাজার কোটি টাকা পাওনা তাদের কিছু করতে পারছেন না।

ঋণ আদায়ে ব্যাংকের চেক প্রতারণার মামলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হাইকোর্টের এক রায় স্থগিতে করা আবেদনের শুনানিতে সোমবার (২৮ নভেম্বর) এমন মন্তব্য করেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম।

হাইকোর্টের রায়ের ওপর কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের আবেদন ১ ডিসেম্বর শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছেন আদালত।

গত ২৩ নভেম্বর এক রায়ে হাইকোর্ট বলেন, ঋণ আদায়ে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণার মামলা করতে পারবে না।

আরও বলা হয়, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনের বিধান অনুযায়ী অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে।

চেক প্রতারণার অভিযোগে ব্র্যাক ব্যাংকের করা এক মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর দণ্ড বাতিলও করেন হাইকোর্ট।

এই রায় স্থগিতে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে চেম্বার আদালতে শুনানি করেন আবু মোহাম্মদ (এ এম) আমিন উদ্দিন। বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল বাকী।

;

জঙ্গি ছিনতাই: আত্মসমর্পণের পর ৪ দিনের রিমান্ডে আমিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় আত্মসমর্পণের পর আসামি ঈদী আমিনের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ঈদী আমিন আত্মসমর্পণ করে আজ জামিনের আবেদন করেন। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২০ নভেম্বর দুপুরে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দু’আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় জঙ্গিরা। এসময় আরও দু’আসামি আরাফাত ও সবুরকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে জঙ্গিরা। পরে ঘটনাস্থল আরাফাত ও সবুরকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় কোর্ট পরিদর্শক জুলহাস বাদি হয়ে ২০ জনের নামে একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও সাত-আটজনকে আসামি করা হয়।

;