গৃহবধূকে ধর্ষণের ১৬ বছর পর আসামির যাবজ্জীবন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুডিগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

২০০৭ সালে দায়েরকৃত মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আবুল কালাম (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১২ অক্টোবর) কুড়িগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অম্লান কুসুম জিষ্ণু এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত আবুল কালাম উলিপুরের ধামশ্রেণি ইউনিয়নের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে বলে জানা গেছে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামি আবুল কালাম ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে উলিপুরের এক গৃহবধূকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ করে। এরপর একই আশ্বাসে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের জেরে ওই নারী গর্ভবতী হয়ে পড়লে আবুল কালাম ওই নারীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে বলেন। পরে ওই নারী বাধ্য হয়ে ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিন মাসের গর্ভবতী অবস্থায় আবুল কালামকে আসামি করে উলিপুর থানায় মামলা করেন। ধর্ষণের ফলে ওই নারী গর্ভবতী হয়ে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করলেও আসামিপক্ষ সন্তানের দায় স্বীকার করেনি। পরে ২০১১ সালে ভুক্তভোগী নারী আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করেন।

দায়রা আদালতে সেই আবেদন খারিজ হলে পরে উচ্চ আদালতে যান ওই নারী। উচ্চ আদালত ২০১৯ সালে ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিলে পরীক্ষায় ভুক্তভোগী নারী ও আসামি আবুল কালাম ওই সন্তানের জৈবিক মা-বাবা বলে প্রমাণিত হয়। পরে আদালত সামগ্রিক দিক বিবেচনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর (সংশোধিত ২০০৩) ৯ (১) তৎসহ ৩১৩ ধারা অনুযায়ী আসামি আবুল কালামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ট্রাইব্যুনালের পিপি আব্দুর রাজ্জাক এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শামসুল হক সরকার।

শিশু হত্যায় এক আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেকজনের যাবজ্জীবন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা কদমতলীর সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে হত্যার অভিযোগে মো.হানিফ নামে এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও জাহিদ হোসেন নামে অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামি হানিফকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের এবং জাহিদকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জানা য়ায়, ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সাত বছর বয়সী আব্দুল্লাহকে কদমতলী থানাধীন উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরির পশ্চিম পাশের বাউন্ডারি ওয়ালের ভিতরে পাথর দিয়ে মাথায় ও মুখে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর বাবা গোলাম মোস্তফা কদমতলী থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক এরশাদ হোসেন হানিফ ও জাহিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।ওই বছরের ১১ জুলাই আসামিদের বিচার শুরু হয়। আদালত বিভিন্ন সময়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

;

শিশু হত্যায় এক আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেক জনের যাবজ্জীবন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংগৃহীত

সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
ঢাকা কদমতলীর সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে হত্যার অভিযোগে মো.হানিফ নামে এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও জাহিদ হোসেন নামে অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামি হানিফকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের এবং জাহিদকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সাত বছর বয়সী আব্দুল্লাহকে কদমতলী থানাধীন উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরীর পশ্চিম পাশের বাউন্ডারী ওয়ালের ভিতরে পাথর দিয়ে মাথায় ও মুখে আঘাত করে হত্যা করা হয়। 

এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর বাবা গোলাম মোস্তফা কদমতলী থানায়  মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক এরশাদ হোসেন হানিফ ও জাহিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

ওই বছরের ১১ জুলাই আসামিদের শুরু হয়। আদালত বিভিন্ন সময়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
;

স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
নোয়াখালী জেলা জজ আদালত

নোয়াখালী জেলা জজ আদালত

  • Font increase
  • Font Decrease

পরকীয়া প্রেমের জের ধরে স্বামী আবু সোলাইমান মাহমুদ মহুরীকে (৩৫) হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নিহতের স্ত্রী রহিমা আক্তার ধনি, বেগমগঞ্জ উপজেলার রায়কৃষ্ণপুর গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে হেঞ্জু মিয়া (৫০) ও সদর উপজেলার আনোয়ার উল্লাহর ছেলে সামছুদ্দিন (৪০)।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের ৭ মার্চ আবু সোলাইমান মাহমুদ মহুরী অপহরণের অভিযোগ এনে সুধারাম থানায় মামলা দায়ের করেন স্ত্রী রহিমা আক্তার ধনি। এরপর মামলার তদন্তে তদন্তকারী কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান ঘটনার এক বছর পর ১৯৯৮ সালে ২৮ মে অজ্ঞাত একটি মরদেহ উদ্ধার করেন। তদন্তে জানা যায়, মরদেহটি সোলেমান মুহুরীর। স্ত্রী রহিমা আসামি হেঞ্জু মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ার জের ধরে স্বামীকে হত্যা করে লাশ গুম করে তারা। গৃহশিক্ষক সামছুদ্দিন টাকার লোভে হত্যাকাণ্ডে সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তখন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিহতের স্ত্রীসহ ৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। স্বামী খুনের দায় স্বীকার করে স্ত্রীসহ ৩ আসামি আদালতে জবানবন্দি দেন।

মামলার সরকারি কৌঁসুলী মো. এমদাদ হোসেন কৈশোর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২৬ বছর পর ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ মামলার রায় প্রদান করে। আসামিরা জামিন নিয়ে বের হওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছে।

;

হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৩ জনের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
কক্সবাজার জেলা আদালত

কক্সবাজার জেলা আদালত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের টেকনাফে কৃষক আব্দুল করিম হত্যা মামলায় পিতা, পুত্র ও স্ত্রীসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডিত আসামির একজনকে ৫০ হাজার টাকা ও অপর দুইজনকে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫ এর বিজ্ঞ বিচারক নিশাত সুলতানা এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী গ্রামের মো. মকবুলের ছেলে মঞ্জুর, মঞ্জুরের স্ত্রী আমিনা খাতুন ও তাদের ছেলে মো. ফোরকান। মামলার প্রধান আসামি ফোরকান পলাতক রয়েছেন। অন্য দুজন আদালতে হাজির ছিলেন।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জেলা নাজির বেদারুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় টেকনাফের বাহারছড়ার উত্তর শীলখালী বইল্যাছড়া এলাকায় আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তির ওপর হামলা করা হয়। পরদিন তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় মামলা করেন নিহত আব্দুল করিমের স্ত্রী খোরশিদা বেগম। এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করা হয়। তার আগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন।

রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মোজাফ্ফর আহমদ হেলালী এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট সেলিমুল মোস্তফা ও অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম (৪) মামলাটি পরিচালনা করেন।

;