হাইকোর্টের রায়ে সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
হাইকোর্টের রায়ে সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতি

হাইকোর্টের রায়ে সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতি

  • Font increase
  • Font Decrease

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষাসহ সব ধরনের ফরম পূরণে সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মাকেও স্বীকৃতি দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার লিপি ও অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মা স্বীকৃতি পাবেন কিনা—এ বিষয়ে শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

রায়ের পর অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার সিদ্দিকা বলেন, হাইকোর্ট রায়ে বলেছেন, পিতৃপরিচয়হীন সন্তান, যৌনকর্মীদের সন্তান যাদের বাবার পরিচয় নেই, তারা শুধু মায়ের নাম দিয়েই ফরম পূরণ করতে পারবেন। সংবিধানে সমতার কারণে বাবা অথবা মায়ের পরিচয় থাকলেই যে কোনো ফরম পূরণ বা রেজিস্ট্রেশন পূরণ করার অধিকার পাবে।

অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার বলেন, আজকের রায়ের ফলে এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ, পাসপোর্টের ফরম পূরণসহ সব ফরম পূরণে বাবা অথবা মা অথবা আইনগত অভিভাবকের নাম লেখা যাবে। এই রায়ের ফলে বাবা-মায়ের উভয়ের নাম লেখার বাধ্যবাধকতা থাকল না। শুধু মায়ের নাম লিখেও ফরম পূরণ করা যাবে।

ফারদিন হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে নির্দোষ বুশরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি আমাতুল্লাহ বুশরাকে নির্দোষ দেখিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

এর আগে, এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি আদেশ দিয়েছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্ত ইসলাম মল্লিক।

এ আদেশের পর আজ সোমবার ডিবির পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইয়াসিন শিকদার মামলার প্রধান আসামি ফারদিনের বন্ধু আমাতুল্লাহ বুশরাকে নির্দোষ দেখিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেন।

গত ৮ জানুয়ারি এই মামলার প্রধান আসামি আমাতউল্লাহ বুশরাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়। আজ তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত বছরের ১৬ নভেম্বর ৫ দিনের রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে বুশরাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলে গত ৪ নভেম্বর ঢাকার ডেমরার কোনাপাড়ার বাসা থেকে বের হন পরশ। ওই দিনই তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন ৫ নভেম্বর রামপুরা থানায় জিডি করেন তার বাবা কাজী নূর উদ্দিন। নিখোঁজের তিনদিন পর ৭ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

এ ঘটনায় পরশের বান্ধবী বুশরাসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে ‘হত্যা করে লাশ গুম’ করার অভিযোগে রামপুরা থানায় মামলা করেন তার বাবা নূর উদ্দিন রানা।

;

বিদেশ থেকে লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী: ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৭১৪ নারী লাশ হয়ে দেশে ফিরেছেন। এসব নারীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা লিমা এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

রিটে পররাষ্ট্র সচিব, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, জনশক্তি রপ্তানি বুরোসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ‘লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে বিদেশে থাকা সকল নারী শ্রমিকদের দেখভাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনের একাংশে বলা হয়, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যত নারী কর্মীর লাশ দেশে এসেছে, তাদের বড় অংশের মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে সরকারের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির তৈরি করা হিসাবে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ৭১৪ জন বাংলাদেশী নারী শ্রমিক লাশ হয়ে ফিরেছেন। এর বড় অংশের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ দেখানো হয়েছে স্বাভাবিক মৃত্যু, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ।

;

শিশু হত্যায় এক আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেকজনের যাবজ্জীবন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা কদমতলীর সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে হত্যার অভিযোগে মো.হানিফ নামে এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও জাহিদ হোসেন নামে অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামি হানিফকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের এবং জাহিদকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জানা য়ায়, ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সাত বছর বয়সী আব্দুল্লাহকে কদমতলী থানাধীন উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরির পশ্চিম পাশের বাউন্ডারি ওয়ালের ভিতরে পাথর দিয়ে মাথায় ও মুখে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর বাবা গোলাম মোস্তফা কদমতলী থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক এরশাদ হোসেন হানিফ ও জাহিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।ওই বছরের ১১ জুলাই আসামিদের বিচার শুরু হয়। আদালত বিভিন্ন সময়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

;

শিশু হত্যায় এক আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেক জনের যাবজ্জীবন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংগৃহীত

সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
ঢাকা কদমতলীর সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে হত্যার অভিযোগে মো.হানিফ নামে এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও জাহিদ হোসেন নামে অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামি হানিফকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের এবং জাহিদকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সাত বছর বয়সী আব্দুল্লাহকে কদমতলী থানাধীন উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরীর পশ্চিম পাশের বাউন্ডারী ওয়ালের ভিতরে পাথর দিয়ে মাথায় ও মুখে আঘাত করে হত্যা করা হয়। 

এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর বাবা গোলাম মোস্তফা কদমতলী থানায়  মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক এরশাদ হোসেন হানিফ ও জাহিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

ওই বছরের ১১ জুলাই আসামিদের শুরু হয়। আদালত বিভিন্ন সময়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
;