আতিক হত্যা: একজনের মৃত‌্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হাইকোর্ট/ছবি: বার্তা২৪.কম

হাইকোর্ট/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনের যাবজ্জীবনের রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। আসামি শাকিল সিকদারের মৃত্যুদণ্ড এবং আবদুল্লাহ মো. ইবনে আলী সরকার ওরফে নাহিদ ও মো. ফোরকানের যাবজ্জীবন বহাল রয়েছে।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি শহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জহিরুল হক জহির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মেহেদী হাসান।

গত ৪ ডিসেম্বর আতিক হত্যা মামলায় আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৮ ডিসেম্বর এ দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্ট।

২০১৪ সালের ২৪ জুন এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক হত্যা মামলায় শাকিল সিকদারকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। আবদুল্লাহ মো. ইবনে আলী সরকার ওরফে নাহিদ ও মো. ফোরকানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ওই রায়ে। আতিক ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার সরমহল গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া মো.খোকনকে তিন বছরের দণ্ড দেওয়া হয়। এ সাজাও বহাল রয়েছে।

পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে আসামিরা।

২০০৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি কাজ শেষে কারওয়ান বাজার থেকে বড় মগবাজারের ১৮০/৩ নয়াটোলার বাসায় ফিরছিলেন আতিক। টঙ্গী ডাইভারশন রোডের মগবাজার রেলক্রসিংয়ের মোড়ে তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে কয়েকজন। তারা আতিকের পেটে দুটি গুলি করে। পরে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আতিক মারা যান।

পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি আতিকের বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০০৯ সালের ৯ আগস্ট পুলিশ পরিদর্শক (ডিবি) আবুল খায়ের ৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আপনার মতামত লিখুন :