প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড উন্নতিতে হাইকোর্টের রুল



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হাইকোর্ট, ছবি: বার্তা২৪.কম

হাইকোর্ট, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদা তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করে ১১ ও ১২তম গ্রেড দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন কেনো বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণসহ, ১০ম গ্রেড অনুযায়ী কেনো বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হবেনা সে মর্মেও রুল জারী করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, অর্থ সচিব, বাংলাদেশ কর্ম কমিশনসহ (পিএসসি) সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ৭৭ জন প্রধান শিক্ষকের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাম্মী আক্তার। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. জে আর খান (রবিন)।

ওই প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে টাঙ্গাইলের আতাবারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুনসহ ৭৭ জন এই রিট দায়ের করেন।

আইনজীবী জে আর খান (রবিন) জানান, বলেন, ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ অনুযায়ী ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর গ্রেড (১১-২০ পর্যন্ত) পদে নিয়োগ/ পদোন্নতি/ টাইম স্কেল/ সিলেকশন গ্রেড প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিনিধি মনোনয়ন করা হয়। কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারী করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেণীতে উন্নীত করলেও তাদের গ্রেড দেওয়া হয়েছে ১১ ও ১২ যা অসাংবিধানিক।