নখ কাটার সঠিক উপায়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নখ ত্বকের অংশ এবং আমাদের শরীরের অতি ক্ষুদ্র অংশ। এই নখ দিয়ে মেয়েরা অনেক স্টাইল করতে ভালোবাসেন। নখ বড় ও চিকন হয়ে গেলে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এ অবস্থায় আসার আগেই নখ কেটে ফেলা উচিত।

সঠিকভাবে নখ কাটার জন্য মূলত চারটি নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। দেখে নিন নিয়ম চারটি।

নখ ভিজিয়ে রাখা

নখ কাটার পূর্বে অবশ্যই মিনিট পাঁচেকের জন্য কুসুম গরম পানিতে নখ ভিজিয়ে রাখতে হবে। পায়ের নখ হাতের নখের চাইতে তুলনামূলক বেশি মোটা হওয়ায় দশ মিনিটের মতো ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে নখ নরম যাবে এবং নখ কাটতে সুবিধা হবে।

নিয়মিত ট্রিম করা

নখের দুই পাশের অংশ হালকা কেটে অনেকেই নখ লম্বা করতে পছন্দ করেন। এ বিষয়ে ডার্মাটলোজিস্ট শারি লিপনার জানান, লম্বা নখ দেখতে সুন্দর লাগলেও সঠিক আকৃতিতে নখ ছোট রাখাই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। এতে করে নখ ভেঙে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

নখ পরিষ্কার থাকা চাই

শুধু নখ কেটে সঠিক আকৃতিতে রাখাই যথেষ্ট নয়, নখের ভেতরের ও চারপাশের অংশ পরিষ্কার থাকা চাই। নখের ভেতর জমে থাকা ময়লা থেকেই নখে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ও ইনফেকশন হতে পারে।

ফাইলিং করা জরুরী

আমাদের দেশে সাধারণত নিয়মিত নখ কাটা হলেও নখ ফাইলিং করা হয় না একেবারেই। কিন্তু নখকে মসৃণ ও দৃঢ় রাখতে চাইলে নখ কাটার পর ফাইলিং করার কোন বিকল্প নেই। এতে করে নখ দেখতেও সুন্দর লাগে।

শীতে গোসলে বিরতি নয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শীতকাল মানেই হিমেল হাওয়ার পরশ। আর তাইতো শীত আসলেই চলে গোসলের বিরতি। যা করা একেবারেই অনুচিত। সারাদিনে শরীরে বয়ে বেড়ানো ধুলাময়লা ও ঘাম গোসলের মাধ্যমেই পুরোপুরিভাবে দূর করা সম্ভব হয়। আরও বড় বিষয় হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছনতার সাথে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্যে গোসল ভীষণ জরুরি।

পেশীকে শান্ত করে

গোসলের ফলে শরীরের বেশির চাপ অনেকটাই শিথিল হয়ে আসে। এতে করে পেশীর ফ্লেক্সিবিলিটি ও ইলাস্টিসিটি বৃদ্ধি পায়। প্রায়শ ঘুমের ভঙ্গীর ঠিক না থাকায় ঘুম ভাঙার পর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথাভাব দেখা দেয়। এর প্রধান কারণ পেশী শক্ত হয়ে থাকে। ফলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নাড়াচাড়ায় ব্যথা হয়। এক্ষেত্রে গোসল অনেকটা সাহায্য করে।

রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে

কুসুম গরম পানিতে গোসল করার ফলে রক্ত চলাচলের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং এতে করে প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তার প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ পেয়ে থাকে। এছাড়া রক্ত চলাচল নিয়মিত হওয়ার ফলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া সাবলীল হয়, যা বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগ থেকে রক্ষা করে।

বৃদ্ধি পায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

গোসলের সবচেয়ে বড় ও প্রধান কারণ হলো শরীরকে পরিষ্কার রাখা। শুধু বাইরের ধুলাবালি থেকেই নয়, শরীরের যেকোন ফাংগাল ইনফেকশনের সম্ভাবনা কমাতেও গোসল অনেক বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়া ঠাণ্ডা পানিতে গোসলের ফলে ভাস্কুলার ও লিম্ফ সিস্টেমের কার্যকারিতা উন্নত হয়, যা শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন বৃদ্ধি করে। রক্তের হোয়াইট সেল বা শ্বেত রক্তকণিকা ইনফেকশনসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে।

 

মনকে ভালো রাখে

মন খারাপ থাকলে বা মেজাজ খারাপ হলে চটজলদি গোসল সেরে নিলে মন অনেকটা ভালো হয়ে যাবে। ঠাণ্ডা পানিতে গোসল নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করে এবং রক্তে ভালো বোধ করার কেমিক্যাল তথা বেটা-এন্ড্রোফিন ও নোরাড্রেনালাইন এর নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এই কেমিক্যালগুলো মূলত ডিপ্রেশন প্রতিরোধে কাজ করে। ফলে দৈনিক গোসল শরীরের সাথে মনকেও সুস্থ রাখতে অবদান রাখে।

;

ঠান্ডার সমস্যা দ্রুত কমায় ক্যাপসিকাম!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শীতকালে ঠান্ডাজনিত সমস্যা বেশি দেখা দেয়। কাশি, হাঁচি, সর্দি ও গলাব্যথার মতো ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব একবার দেখা দিলে সহজে ভালো হতে চায় না। ওষুধ সেবনেও বেশ লম্বা সময় প্রয়োজন হয় পুরোপুরি সেরে ওঠার জন্য।

ন্যাচারাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ফ্রেড পেসক্যাট জানাচ্ছে, ঠান্ডার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সবার আগে খাদ্যাভ্যাসের উপরে জোর দিতে হবে, কারণ এ সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় থাকে। ফলে অসুস্থতা দীর্ঘায়িত হতে থাকে। তার মনে ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভিটামিন-সি, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়ামযুক্ত খাদ্য উপাদান গ্রহণের উপরে জোর দিতে হবে সবচেয়ে বেশি।

তার পরামর্শ অনুযায়ি অসুস্থতার সময়ে একজন পূর্ণ বয়স্ক পুরুষের দৈনিক ৯০ মিলিগ্রাম ও নারীর ৭৫ মিলিগ্রাম পরিমাণ ভিটামিন-সি গ্রহণ করতে হবে। যেহেতু ভিটামিন-সি এর উপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে জেনে রাখুন লেবু ও কমলালেবু ব্যতীত কোন খাদ্য উপাদান থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-সি পাওয়া যাবে।

১. লাল ক্যাপসিকাম: একটি মাঝারি আকৃতির লাল ক্যাপসিকাম থেকে দিনের ১৯০ শতাংশ পরিমাণ ভিটামিন-সি পাওয়া সম্ভব হবে।

২. ব্রকলি: মাঝারি আকৃতির একটি ব্রকলি থেকে দৈনিক চাহিদার ২২০ শতাংশ ভিটামিন-সি পাওয়া যাবে।

৩. স্ট্রবেরি: আটটি মাঝারি আকৃতির স্ট্রবেরি পূরণ করবে ১৬০ শতাংশ ভিটামিন-সি এর চাহিদা।

উপকারী এ সকল খাবার খাদ্য তালিকায় রাখার পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল গ্রহণের দিকেও। ঠান্ডাজনিত সমস্যায় খাবার গ্রহণে ইচ্ছা একেবারেই কমে যায়। সেক্ষেত্রে তরল পানে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

;

ফুড পয়জনিং হয়েছে কিনা বুঝবেন যেভাবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খাদ্যে বিষক্রিয়া বা ফুড পয়জনিংয়ের সমস্যাটি যেকোন সময়ে যেকোন খাবার থেকেই দেখা দিতে পারে। পুরনো ও বাসি খাবার তো বটেই, অনেক সময় একসাথে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলস্বরূপও দেখা দিতে পারে ব্যথাদায়ক এই শারীরিক সমস্যাটি।

মুরগির মাংস, দুধ, পনির, ডিমসহ সবজি ও ফল থেকেও সৃষ্টি হতে পারে ফুড পয়জনিং। যেহেতু একেকজনের ক্ষেত্রে এই সমস্যায় শারীরিক লক্ষণগুলো একেকভাবে দেখা দেয়, তাই জেনে রাখা প্রয়োজন ফুড পয়জনিংয়ে কোন শারীরিক লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় বেশিরভাগ সময়ে।

ঘাম হওয়া

ফুড পয়জনিং দেখা দেওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে কিন্তু পেটের সমস্যা দেখা দেয় না। এক্ষেত্রে সবার প্রথমে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার লক্ষণটি প্রকাশ পায়। হুট করে শারীরিক অস্বস্তির সাথে ঘাম হওয়ার সমস্যা দেখা দিলে বুঝতে হবে ফুড পয়জনিং এর সমস্যা লুকিয়ে রয়েছে।

গ্যাস হওয়া

ফুড পয়জনিংয়ের ক্ষেত্রে পেটে ব্যথাভাব ও পেট ফুলে যাওয়ার সমস্যাটি দেখা দেবে বলে জানাচ্ছে মায়ো ক্লিনিক। কারণ খাদ্যজনিত ও হজমজনিত সমস্যার ফলে পেটে গ্যাস দেখা দেয়। এতে করে পেটে চাপ সৃষ্টি হয় এবং ব্যথা হয়।

জ্বরভাব

লিস্টেরিয়া (Listeria) ও ক্যামপাইলোব্যাকটার (Campylobacter) এর আক্রমণ হলে ফুড পয়জনিংয়ের ক্ষেত্রে জ্বরও চলে আসতে পারে। যদিও এই সমস্যাটি মূলত খাবারে হজমজনিত সমস্যা থেকে দেখা দেয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে ফুড পয়জনিংয়ের ক্ষেত্রেও দেখা দিতে পারে। সাধারণত ৪৮ ঘণ্টার মাঝেই এই জ্বরভাব ভালো হয়ে যায়। তবে ৪৮ ঘণ্টা পার হয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

মাথা ঘোরানো ও বমিভাব

ফুড পয়জনিংয়ের ক্ষেত্রে মাথা ঘোরানো ও বমিভাব দেখা দেওয়া একেবারেই প্রাথমিক লক্ষণ। তবে এ দুইটি লক্ষণ পুড পয়জনিংয়ের কোন পর্যায়ে দেখা দেবে সেটা নির্ভর করে কোন ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা আপনি আক্রান্ত হয়েছেন তার উপরে। যেমন লিস্টেরিয়া (Listeria) নামক ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত হওয়ার প্রায় ৭০ দিন পর লক্ষণ প্রকাশ পায়। অন্যদিকে স্যালমোনেলা (Salmonella) ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হলে ১২-৭২ ঘণ্টার মাঝেই লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ডায়রিয়া

ফুড পয়জনিংয়ের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণটি হলো ডায়রিয়া। খাবার হজমে সমস্যা ও পেটে খাবারের বিষক্রিয়ার ফলে সহজেই পাতলা পায়খানা দেখা দেয়। যদিও অবশ্য পূর্ণ বয়স্কদের ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানার সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়।

পানিশূন্যতা

অতিরিক্ত ঘাম ও ডায়রিয়ার সমস্যা থেকেই শরীরে পানির অভাব দেখা দেয়। এ সময়ে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা একেবারেই কমে যায় বলে বারবার পানি পানের উপরে জোর দিতে হবে।

;

ডিমের ঝাল পোয়া



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যারা ঝাল খাবার পছন্দ করেন কিন্তু পিঠাও খেতে চান, তাদের জন্যে পারফেক্ট ডিমের ঝাল পোয়া পিঠা। তেলে ভাজা মিষ্টি পোয়া পিঠার আদলে ডিম ও ধনিয়া পাতার মিশ্রণে তৈরি করা ঝাল এই পিঠা শীতের সন্ধ্যার নাশতা হিসেবে তৈরি করে নিতে পারেন সহজেই।

ডিমের ঝাল পোয়া পিঠা তৈরিতে যা লাগবে

১. এক কাপ চালের গুঁড়া।

২. ১/৪ চা চামচ লবণ।

৩. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৫. ১/২ চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ আদা-রসুন বাটা।

৮. এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ বাটা।

৯. দুইটি সম্পূর্ণ ডিম।

১০. পরিমাণমতো পানি।

১১. ৩-৪টি কাঁচামরিচ কুঁচি।

১২. এক টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

ডিমের ঝাল পোয়া পিঠা যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি বড় পাত্রে চালের গুঁড়া নিয়ে এতে লবণ, গোলমরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ও হলুদ গুঁড়া একসাথে মেশাতে হবে।

২. এতে আদা-রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা ও দুইটি ডিম দিয়ে একসাথে মেশাতে হবে।

৩. মিশ্রণে অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে মিশ্রণটি গুলাতে হবে। একবারে অনেক বেশি পানি দেওয়া যাবে না। ধীরে ধীরে পরিমাণমতো পানি দিতে হবে ঘন ও মসৃণ ব্যাটার তৈরির জন্য। ব্যাটার যত ভালো হবে, পিঠা তত ফুলবে ও ভালো হবে।

৪. ব্যাটার তৈরি হয়ে গেলে এতে মরিচ ও ধনিয়া পাতা কুঁচি মিশিয়ে ১৫ মিনিটের জন্য ঢেকে রেখে দিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ব্যাটার থেকে বড় চামচের এক চামচ ধীরে ঢেলে দিতে হবে। এই পিঠা ভাজতে হবে ডুবো তেলে। তেলে পিঠা উল্টেপাল্টে দিতে হবে যেন পিঠা ভালোমতো ফুলে ওঠে।

পিঠা সোনালি রঙ ধারণ করলে নামিয়ে তেল ঝড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

;