মেদহীন থাকতে করণীয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মেদহীন আকর্ষণীয় পেট কে না চায়। সুস্বাস্থ্যের জন্য তো বটেই সৌন্দর্যের জন্যও নারী-পুরুষ সবারই চাওয়া মেদহীন শরীর। তবে পেট ফুলে আছে মানেই যে প্রচুর মেদ জমে আছে তেমনটা নাও হতে পারে। অনেক সময় অত্যাধিক বায়ু জমেও পেট ফুলে থাকে।

খাওয়াদাওয়া এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে এমন সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কী করবেন জেনে নিন—

ধীরে খাবার গ্রহণ করুন

অনেকেই খাবার তাড়াহুড়ো করে খেতে গিয়ে অনেকটা খাবার একসঙ্গে মুখে পুরে নেন। এতে খাবারের সঙ্গে অনেকটা হাওয়াও পেটে চলে যায়। ফলে পেট ফুলে যায়। তাই যত কম করে খাবার মুখে নিয়ে অনেকক্ষণ ধরে চিবিয়ে খাবেন, তত হজম করতে সুবিধা হবে। পেটের ফোলাভাব বা মেদ ও থাকবে না।

ক্ষতিকর খাবার চিনতে শিখুন

কোনো কোনো খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তি বেড়ে যায়। হয়ত সেই খাবার আপনার সহ্য হয় না। অনেকের যেমন দুধ খেলেই গ্যাসের সমস্যা হয়। তাতে পেটও ফুলে থাকে। কিন্তু তাঁরা সেটা বুঝতে পারেন না। তাই একটু নিজের শরীরকে বোঝার চেষ্টা করুন। কোনো খাবার খেয়ে অস্বস্তি বাড়লে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন।

বদ অভ্যাস বদলান

ধূমপান করলেও শরীরে বাড়তি বায়ু প্রবেশ করে। এছাড়াও বোতলের ঠান্ডা পানীয়, সোডা বা অন্য যে কোনো কার্বোনেটেড পানীয়ের মধ্যে দিয়েও একই ভাবে হাওয়া ঢুকে পেটে। চুইংগাম চিবানোর অভ্যাস যাদের, তাদেরও এই সমস্যা হতে পারে। এই অভ্যাসগুলো বদলাতে পারলে অনেকটাই রেহাই পাবেন।

কুসুম গরম পানি খান

শরীর ডিহাই়ড্রেটেড থাকলে পেট ফোলার সমস্যা হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খান। খাবার দ্রুত হজম করার জন্য কুসুম গরম পানি খেতে পারেন। কারণ এটি পেটের মেদ ঝরিয়ে ফেলে।

ঘর জীবাণুমুক্ত রাখতে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাস মহামারি জীবনযাপনে অনেক পরিবর্তন জরুরি করে দিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন থাকা। তবে নিজে শুধু পরিচ্ছন্ন থাকলেই হবে না। ঘর-বাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখাও জরুরি।

কারণ এর সাথে জড়িত থাকে নিজের ও পরিবারের সকলের শারীরিক সুস্থতাও। ঘর ও ঘরের অনুষঙ্গ যতটা পরিষ্কার রাখা সম্ভব হবে, রোগজীবাণু থেকে দূরে থাকা যাবে। পরিষ্কারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চকচকে ভাবের দিকে খেয়াল রাখা এ কারণেই যথেষ্ট নয়। সাথে জীবাণু ধ্বংসের বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে হাতের কাছে ও ঘরে থাকা সহজলভ্য কিছু জিনিসেই জরুরি এই কাজটি সেরে নেওয়া সম্ভব।

রাবিং অ্যালকোহল

রাবিং অ্যালকোহল মূলত সার্জিক্যাল স্পিরিট বা স্পিরিট নামে পরিচিত। যেকোন ফার্মেসিতেই সহজলভ্য এই জিনিস। একইসাথে ঘরের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার ও জীবাণু ধ্বংস করতে চাইলে ব্যবহার করতে হবে এই স্পিরিট বা রাবিং অ্যালকোহল ও হোয়াইট ভিনেগারের মিশ্রণ। দরজা, জানালা, বিভিন্ন জিনিসের হাতল, ক্যাবিনেটসহ যে সকল স্থানে সহজেই হাত যায় সেখানে ব্যবহারের জন্য এই মিশ্রণটি প্রয়োজন হবে। মিশ্রণটি তৈরির জন্য এক কাপ রাবিং অ্যালকোহল, এক কাপ পানি ও এক টেবিল চামচ হোয়াইট ভিনেগার একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে।

ওভেন পরিষ্কারে বেকিং সোডা

লকডাউনে ঘরে থাকার এ সময়ে বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ওভেনের ব্যবহার হয় তুলনামূলক বেশি। ফলে দ্রুত তৈলাক্ত ও নোংরাও হয়ে যায় এবং এতে করে ওভেনে জীবাণুর বিস্তার বৃদ্ধি পায়। সেক্ষেত্রে এবকটি স্প্রে বোতলের ১/৪ অংশ বেকিং সোডা ও বোতলের অর্ধেক অংশ পানি নিয়ে ঝাঁকিয়ে মিশ্রণটি ওভেনের ভেতরের পুরো অংশে কয়েকবার স্প্রে করতে হবে এবং আধা ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। আধা ঘণ্টা পর ব্রাশ কিংবা স্পঞ্জের সাহায্যে মুছে নিতে হবে।

জানালার কাঁচ পরিষ্কারে লেবুর খোসা

প্রতিদিন যে লেবুগুলো খাওয়া হয় তার খোসা ফেলে না দিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ ফেলনা এই জিনিসটা থেকে তৈরি করা যাবে চমৎকার জীবাণুনাশক ক্লিনার। ৩-৪ টি লেবুর খোসা ও দুই টেবিল চামচ হোয়াইট ভিনেগার একটি বড় পাত্রে নিয়ে পাত্রটি পানিতে ভর্তি করে ৩-৪ দিনের জন্য রেখে দিতে হবে। এরপর এই পানি দিয়ে জানালার কাঁচ কিংবা আয়না পরিষ্কার করতে হবে। এতে কাঁচ তুলনামূলক চকচকে হবে এবং জীবাণু দূর হবে।

কিচেন সিংকের জন্য বেকিং সোডা

রান্নাঘরের সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয়টা হল কিচেন সিংকে পানি আটকে যাওয়া বা সিংক ক্লগ হয়ে যাওয়া। এর ফলে সিংকে জীবাণুও বিস্তার পায় বেশি। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য আধা কাপ ভিনেগার ও ৩/৪ কাপ শুকনো বেকিং সোডা সিংকে ঢেলে অন্ততপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এই দুইটি উপাদান একসাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ড্রেইনের ময়লাকে সরিয়ে ফেলবে। এতে করে সিংকে পানি জমে থাকবে না।

;

বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে করণীয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বয়স বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে বদলাতে থাকে শরীরের সকল কার্যকারিতা এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। এতে করে নির্দিষ্ট একটি বয়সের পর স্বাভাবিক নিয়মেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। বয়স ৫০ পেরোলেই যার প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে শুরু করে নানা ধরণের শারীরিক সমস্যার মাধ্যমে। এ কারণেই বয়স বৃদ্ধির সাথে এবং বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তি প্রদান করতে জোর দিতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের প্রতি।

ব্রাউন রাইস

ব্রাউন রাইসে থাকা বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন, মিনারেল ও উদ্ভিজ উপকারী উপাদান শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া ব্রাউন রাইসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিক্যালের ক্ষতিকে কমিয়ে আনে, যা পরোক্ষভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দৃঢ় করে।

মিষ্টি আলু

বেটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই সবজিটি সহজেই স্বাস্থ্যকর সবজির খাতায় নাম লেখাবে। মিষ্টি আলুতে উপস্থিত পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বয়স্কদের মাঝে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবদান রাখে। প্রতি সপ্তাহে এক-দুই দিন মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে উপকার পাওয়া যাবে।

কচু শাক

সহজলভ্য সকল ধরণের শাকই উপকারী ও সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। তবে কচু শাকের উপকারের মাত্রা খানিকটা বেশি। এতে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন-সি এবং অসংখ্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বেটা ক্যারোটিন খাদ্যাভ্যাসে সহজেই স্বাস্থ্য উপকারিতা যোগ করে। পাশাপাশি কচু শাকে থাকা ভিটামিন-কে বয়স্কদের মাঝে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বুস্টার হিসেবেও কাজ করে।

ডিম

স্বাস্থ্যকর প্রোটিন এবং বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলের উপস্থিতি ডিমকে সহজেই এই তালিকায় নিয়ে আসবে। সকল বয়সীদের জন্যেই ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার। কিন্তু বয়স্কদের জন্য ডিম বিশেষভাবে উপকারী এতে থাকা প্রাণীজ প্রোটিনের জন্য। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সবল রাখতে নিয়মিত ডিম খাওয়ার কোন বিকল্প নেই।

টকদই

দৈনিক টকদই গ্রহণে পাকস্থলী সুস্থ থাকে, খাদ্য ভালোভাবে পরিপাক হয় এবং পেটের সমস্যার প্রাদুর্ভাব কমে আসে। পেটের সমস্যা কমে যাওয়ায় ঘনঘন অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। বিশেষত টকদই পাকস্থলিস্থ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের ধ্বংসে কাজ করে, যা সার্বিকভাবে খাদ্য পরিপাকতন্ত্রের জন্য উপকারী।

;

খেজুর গুড়ের পায়েশ



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলার খাদ্যসংস্কৃতির ঐতিহ্যর সাথে শীতের খেজুরের রস আর খেজুরের গুড় ওতপ্রতভাবে জড়িত। শীত এলেই খেজুর গুড়ের তৈরি পিঠা পুলির কদর বেড়ে যায়। তবে এ সময়ে পোলাও চালের মম গন্ধের সাথে গুড়ের মিষ্টি সুঘ্রাণযুক্ত এক বাটি পায়েশেই মন আটকে যায়। দেখে নিন কীভাবে রাঁধবেন খেজুর গুড়ের পায়েশ।

খেজুর গুড়ের পায়েশ তৈরিতে যা লাগবে

১. এক কাপ পোলাও চাল।

২. তিন কাপ ঘন দুধ।

৩. দুই কাপ হেভি ক্রিম।

৪. চারটি সবুজ এলাচ।

৫. একটি তেজপাতা।

৬. এক মুঠো কিশমিশ।

৭. এক মুঠো কাজু বাদাম।

৮. ৭-৮ টেবিল চামচ খেজুর গুড় (মিষ্টি স্বাদের উপর বেশি বা কম হবে)।

খেজুর গুড়ের পায়েশ যেভাবে তৈরি করতে হবে

পোলাও চাল পানিতে ধুয়ে ৩০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর বড় কড়াইতে দুধ ও ক্রিম জ্বাল দিয়ে এতে তেজপাতা দিয়ে বলক আনতে হবে এবং বারবার নাড়তে হবে। নাড়ার মাঝে জ্বাল কমিয়ে দিয়ে দুধ ঘন করে আনতে হবে।

এবারে চাল থেকে পানি ছেঁকে চালগুলো দুধে দিয়ে দিতে হবে এবং জ্বাল আরও কিছুটা কমিয়ে নাড়তে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কড়াইতে যেন লেগে না যায়।

এভাবে ১০ মিনিট নাড়ার পর এতে খেজুর গুড় ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে আরও ১৫ মিনিট নাড়তে হবে। চাল সিদ্ধ হয়ে দুধ টেনে আসলে এতে কাজুবাদাম ও কিশমিশ দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। ঠান্ডা হয়ে আসলে পরিবেশন করতে হবে খেজুর গুড়ের পায়েশ।

;

ওমিক্রনের প্রার্দুভাবে গর্ভবতীদের জ্বর নিয়ে বাড়তি সতর্কতা ও পরামর্শ



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
এ সময়ে অন্য সবার চেয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে সন্তানসম্ভবা নারীদের।

এ সময়ে অন্য সবার চেয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে সন্তানসম্ভবা নারীদের।

  • Font increase
  • Font Decrease

শীতকাল মানেই ঘরে ঘরে শুরু হয় সর্দি-জ্বর, হাঁচি-কাশি। যা সাধারণ চিকিৎসায় মেলে মুক্তি। তবে প্রেক্ষাপট বদলে দিয়েছে করোনাভাইরাস! সামান্য জ্বর বা কাঁশিতে ঘরে ঘরে এখন আতঙ্ক! এ সময়ে অন্য সবার চেয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে সন্তানসম্ভবা নারীদের।

বেশি বেশি পানি পান করা

জ্বর হলেই সন্তানসম্ভবা নারীদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি খুব বেড়ে যায়। তাই প্রচুর পানি ও পানীয় জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। ওআরএস যুক্ত পানি ছাড়াও বারবার অল্প অল্প করে সাধারণ পানি পান করার সঙ্গে সঙ্গে কোমল জুস খাওয়া উপকারী।

জ্বর হলেই সন্তানসম্ভবা নারীদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি খুব বেড়ে যায়।

ওষুধ খাওয়ায় সতর্কতা

সন্তানসম্ভবা নারীদের জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল ছাড়া আর কোনও ওষুধ খাওয়া চলবে না। প্রয়োজন বুঝে গর্ভবতীদের ব্লাড থিনার দেওয়া হয়। গর্ভবতীকে প্যারাসিটামল দেয়ার পরেও জ্বর না কমলে তৃতীয় দিনে রক্ত পরীক্ষা করা আবশ্যক। জ্বর হলে করোনার ভয়ে নিজে থেকে ওষুধ খেতে যাবেন না। বরং টেলিফোনে দ্রুত সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে যদি জ্বরের সঙ্গে বমি হয়, কোনও ঝুঁকি না নিয়ে গর্ভবতীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা উচিত।

স্যালাইন দেওয়া

এমনিতেই জ্বরের জন্য শরীরে পানি ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তার সঙ্গে বমি সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়। এক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশন হয়ে গিয়ে মা ও গর্ভস্থ শিশু; দু’জনেরই জীবন বিপন্ন হতে পারে। ডিহাইড্রেশন আটকানোর একমাত্র উপায় স্যালাইন দেওয়া। তাই বাড়িতে রেখে চিকিৎসার ঝুঁকি নেওয়া অনুচিত।

;