ঘামাচির যন্ত্রণা কমাতে করণীয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘামাচি একবার হলে তা কমতে সময় লাগে। সারা শরীর যেমন লালচে ফোস্কায় ভরে যায়, তেমন তাতে ব্যথা-চুলকানিও হয়। তা কমানোর পথ খুঁজতেই হতে হয় নাজেহাল। কেউ দিনে কয়েক বার করে গোসল করেন, কেউ আবার বাজারে বিক্রি হওয়া ঘামাচির রকমারি পাউডার মাখেন। কিন্তু তাতে সাময়িক আরাম হলেও ঘামাচির জ্বালা আবার ফিরে আসে।

ঘামাচির যন্ত্রণা কমাতে তবে কী করতে পারেন?

১. ঘামাচি কমানোর সবচেয়ে ভাল উপায় হল পরিচ্ছন্ন থাকা। যদি ঘামাচি কমানোর চেষ্টায় অনেক পাউডার মেখে রাতে ঘুমতে যান, তবে সকালে উঠে তা-ও ভাল ভাবে সাবান দিয়ে গোসল করে পরিষ্কার করে ফেলুন। গায়ে পাউডার জমে থাকাও এ সময়ে স্বাস্থ্যকর নয়।

২. নানা রকম ক্যালাইমিনো লোশন পাওয়া যায় আজকাল। ঘামাচি কমাতে সে সব বেশ কার্যকর। তেমন কিছু মাখতে পারেন।

৩. দিনে কয়েকবার গোসল করেন। গোসলের সময় মিশিয়ে দিতে পারেন লেবুর রস কিংবা নিম পাতা ভেজানো পানি। তা হলে দ্রুত আরাম মিলবে ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে।

৪. সুতির পোশাক পরুন। তা হতে হবে ঢিলেঢালাও। এ সময়ে গায়ের সঙ্গে লেগে থাকা কোনও পোশাক পরলে ঘামাচির যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে।

৫. শরীর ভিতর থেকে গরম হয়ে গেলে ঘামাচি বাড়ে। ফলে গ্রীষ্মকালে বেশি করে তরল খান। লেবু পানি, ডাবের পানির মতো পানীয় বেশি করে খাওয়া অভ্যাস করুন।

রোজিনা, মাহির হাত থেকে পুরস্কার পেলেন সাকিব মুহতাসিম



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রোজিনা, মাহির হাত থেকে পুরস্কার পেলেন সাকিব মুহতাসিন

রোজিনা, মাহির হাত থেকে পুরস্কার পেলেন সাকিব মুহতাসিন

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১২ সাল থেকে শােবিজে ফ্যাশন ফটোগ্রাফি শুরু করেন। এরপর অল্প সময়ে আলোচনায় আসেন সাকিব মুহতাসিম।তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি চিত্রনায়িকা রোজিনা, মাহির হাত থেকে পুরস্কার পেলেন তরুণ এই আলোকচিত্রী।

সম্প্রতি রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে হয়ে গেল ফ্যাশনবিষয়ক ‘আইকনিক অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ অনুষ্ঠান । আর এই অনুষ্ঠানে ফ্যাশন ফটোগ্রাফার হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন তরুণ আলোকচিত্রী সাকিব মুহতাসিম ।

পুরস্কার পাওয়ায় সাকিব মুহতাসিম বলেন, ক্যামেরার পেছনের মানুষ হিসেবে পুরস্কার পাওয়াটা সত্যিই আনন্দের বিষয়। আর পুরস্কার পেয়ে সামনে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা পেলাম । আইকনিক ফ্যাশন অ্যাওয়ার্ডের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

;

স্কিন কেয়ার কসমোটোলজিস্ট লাইসেন্স পেলেন মারিয়া মৃত্তিক



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
স্কিন কেয়ার কসমোটোলজিস্ট লাইসেন্স পেলেন মারিয়া মৃত্তিক

স্কিন কেয়ার কসমোটোলজিস্ট লাইসেন্স পেলেন মারিয়া মৃত্তিক

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যস্ত বিউটিশিয়ান ও উদ্যোক্তা ইসরাত জাহান মারিয়া। বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি মেকআপ নিয়ে কাজ করছেন। এ অঙ্গনে তিনি মারিয়া মৃত্তিক নামে পরিচিত।

কয়েকদিন আগেই তিনি ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘কেনেডি হফম্যান মাস্টার ক্লাস’ থেকে জিতে এসেছেন সেরা বিউটিশিয়ানের পুরস্কার পান । এছাড়া বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত -এর হাত থেকেও নারী লিডারশিপ উদ্যোক্তা বিষয়ক পুরস্কার পান।

এবার বাংলাদেশের প্রথম নারী মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে স্কিন কেয়ার কসমোটোলজিস্ট লাইসেন্স পেলেন মারিয়া মৃত্তিক । তিনি আমেরিকা থেকে গতকাল বলেন, এটা আমার জন্য সত্যি গর্বের । আর একটা বিষয় ভাবতে ভালো লাগছে যে, আমিই প্রথম নারী মেকআপ আর্টিস্ট যে আমেরিকার পাঁচটা স্টেটে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থীকে ওয়ার্কশপ করালাম । দুবাই, লন্ডন এবং কানাডায় আমার পরবর্তী ওয়ার্কশপ । বাংলাদেশের অনেক প্রবাসী মেয়ে আছে যারা মেকআপ নিয়ে অনেক আগ্রহী । তাদের সাথে কাজ করতে পেরে আমার খুব ভালোলেগেছে। বিশ্বের মোট ১১৪টি দেশে এপ্রুভ করে স্কিন কেয়ার কসমোটোলজির এই সার্টিফিকেট । এটা আমার কাছে যারা ক্লাস বা ওয়ার্কশপ করে তারা আর্ন্তজাতিকভাবে সার্টিফাইড হবেন ।

মারিয়া মৃত্তিক মেকআপ নিয়ে আমেরিকার বোস্টন, নিউইয়র্কে, মিশিগান, ওকলাহোমা এবং ডালাসে মাস্টারক্লাস মেকআপ ওয়ার্কশপ করান এবং অনেক বড় আকারে ব্রাইডাল শো হয় সেখানে ।

মারিয়া মৃত্তিক গত ছয় বছরে অসংখ্য মেকআপ ওয়ার্কশপ করিয়েছেন। পুরো বাংলাদেশে তার প্রায় ১৫০ জনের মতো শিক্ষার্থী নিজেদের মতো কাজ করছেন বলে জানান তিনি। মারিয়া তার সেলুন ‘গ্লো বাই মারিয়া মৃত্তিক’-এ মেকআপ, স্কিন কেয়ার ও হেয়ার ট্রিটমেন্ট নিয়ে কাজ করেন। এ সময়ে ব্রাইডাল মেকআপে তার বেশি সময় কাটছে। তিনি নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন ব্রাইডাল ফ্যাশন হাউস ‘জেকে ফরেন ব্র্যান্ড’।

;

ঈদ-উল-আজহায় ‘সারা’র আয়োজন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ঈদ-উল-আজহায় ‘সারা’র আয়োজন

ঈদ-উল-আজহায় ‘সারা’র আয়োজন

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই উৎসব। ধর্মপ্রাণ মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম উৎসব এই ঈদ উল আজহার আনন্দকে আরও মাতিয়ে তুলতে চাই নতুন পোশাক। ‘সারা’ লাইফস্টাইল আসন্ন ঈদ উল আজহা উপলক্ষে নিয়ে এসেছে পোশাকের আকর্ষণীয় সব কালেকশন। বরাবরের মতোই সকল বয়সীদের জন্য থাকছে ‘সারা’র এবারের ঈদ কালেকশন। 

সারা'র এবারের ঈদ আয়োজনের সকল পোশাকের অলংকরণে বেছে নেওয়া হয়েছে স্ক্রিন প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট, কারচুপি, এমব্রয়ডারির কাজ। জিওমেট্রিক, ট্র্যাডিশনাল, ফ্লোরাল এমন অনেক কিছুই থাকছে এসব পোশাকের মোটিফ হিসেবে। এ লাইন, সিমেট্রিক, এসিমেট্রিক নিয়ে বিভিন্ন  কাজ থাকছে পোশাকগুলির প্যাটার্নে। এছাড়াও কালারের ক্ষেত্রে ভাইব্রেন্ট রাখা হয়েছে এবারের ঈদ কালেকশন।


প্রকৃতি ও ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সুতিসহ আরামদায়ক কাপড়ে তৈরি সারা’র পোশাকের কাটিং ও প্যাটার্নে রয়েছে বৈচিত্র্য।  পাশাপাশি থাকছে ফেব্রিক্স এবং ট্রেন্ডের ভিন্নতাও। এসকল পোশাকে ব্যাবহার করা হয়েছে, কটন, ভিসকস, শার্টিন, নেট, ডেনিম ও টুইল ফেব্রিক্স, জ্যাকার্ড কটন, ডবি কটন, জর্জেট, সিল্ক ইত্যাদি। মেয়েদের জন্য ‘সারা লাইফস্টাইল’ এনেছে সিঙ্গেল পিস কামিজ, লন থ্রি পিস, আনইস্টিচ লন, আকর্ষণীয় পার্টি থ্রি পিস, এথনিক কূর্তি, ফ্যাশন টপস, কাফতান, সূতীর শাড়ি, ডিজিটাল প্রিন্টের শাড়ি এবং ডেনিম এর কালেকশন।। সারা’র এবারের আয়োজনে ছেলেদের জন্য থাকছে পাঞ্জাবী, কাবলি সেট, সিঙ্গেল পিস কাবলি, ক্যাজুয়াল শার্ট, ফরমাল শার্ট, টি শার্ট, পোলো শার্ট, ফতুয়া, কাতুয়া, ডেনিম প্যান্ট, চিনো প্যান্ট, কার্গো প্যান্ট, পায়জামা ইত্যাদি। 


বরাবরের মতোই সারা’র ঈদ আয়োজনে গুণগত মান ও ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আকার, ডিজাইন ও প্যাটার্নের ভিন্নতার দিক বিবেচনা করে এসব পোশাকের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্রেতারা এসব পোশাক পেয়ে যাবেন ৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে। পাশাপাশি এক্সক্লুসিভ পাঞ্জাবী থাকছে এবারের সারা’র ঈদের কালেকশনের মূল আকর্ষণ।  

এছাড়াও সারা'র ঈদ আয়োজনে ছেলে শিশুদের শার্ট বা ফতুয়ায় প্রাধান্য পাচ্ছে শর্ট স্লিভ এবং ফুল স্লিভ। লং প্যান্টের পাশাপাশি রয়েছে কোয়ার্টার প্যান্ট। সাদা পাঞ্জাবীর পাশাপাশি ভাইব্রেন্ট কালারেরও পাঞ্জাবী থাকছে। মেয়ে শিশুদের জন্য থাকছে ফ্রক, পার্টি ফ্রক, থ্রি পিস, জাম্প সুট, ফ্যাশন টপ্স, নীমা সেট, টপ বটম সেট। এছাড়াও ছেলে শিশুদের জন্য থাকছে পাঞ্জাবী, কাতুয়া, লং ও শর্ট স্লীভ শার্ট, পলো টি-শার্ট, ফ্যাশনেবল শার্ট-প্যান্ট সেট, বয়েজ কার্গো ইত্যাদি। ছাড়াও থাকছে বাবা-ছেলের পাঞ্জাবী ও কাবলির মিনিমি। এছাড়াও সারা’র এবার ঈদের বিশেষ আয়োজনের মধ্যে থাকছে ফুল ফ্যামিলি একই ডিজাইনের পোশাকের সংগ্রহ। 


স্নোটেক্স গ্রুপ এর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সারা’ কাজ শুরু করেছে ২০১৮ সালের মে মাস থেকে। ঢাকার মিরপুর-৬ এ অবস্থিত ‘সারা’র প্রথম আউটলেট নিয়ে কাজ শুরুর পর বসুন্ধরা সিটির লেভেল ১, ব্লক এ এর ৪০ এবং ৫৪ নং শপটি ছিল সারা’র ২য় আউটলেট। ৩য় আউটলেটটি হল বাড়ি- ১৯ বি/৪সি ও বি/৪ ডি, ব্লক-এফ, রিং রোড, মোহাম্মদপুর এই ঠিকানায়। উত্তরায় সারার পোশাক পাওয়া যাবে হাউজ নং-২২ , সোনারগাঁ জনপদ, সেক্টর-৯, উত্তরা, ঢাকা- এই ঠিকানায়। বারিধারা জে ব্লকে আছে সারার আরেকটি আউটলেট। সম্প্রতি বনশ্রী ই ব্লকের ১নং রোডের ৪৮ নং বাড়িতে চালু হয়েছে যাচ্ছে সারা'র ৬ষ্ঠ আউটলেট। ঢাকার বাইরে সারা’র প্রথম আউটলেট এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে রংপুরে জাহাজ কোম্পানির মোড়েই। এছাড়াও রাজধানী ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় এলাকা ওয়ারীতে (বাড়ি ৩৬/১ নং, র‍্যাংকিন স্ট্রিট, ওয়ারী, ঢাকা-  ১২০৩) সারা’র নতুন আউটলেটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। 

‘সারা’ এর নিজস্ব ওয়েবসাইট (www.saralifestyle.com.bd), ফেসবুক পেজ ( https://www.facebook.com/saralifestyle.bd) এবং ইন্সটাগ্রাম (https://www.instagram.com/saralifestyle.bd/ ) থেকে ক্রেতারা ঢাকার ভেতরে অর্ডার করে বিনামূল্যে হোম ডেলিভারি পেতে পারেন। এছাড়াও ঢাকার বাইরে সারা দেশে কুরিয়ারের মাধ্যমেও আপনার অর্ডারকৃত পণ্য ডেলিভারি পাবেন।

;

কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল মেডিকেল হাসপাতালে রোগীর আর্তি!



কনক জ্যোতি, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, সংগৃহীত

শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থার করুণ পরিস্থিতি জানিয়ে মর্মস্পর্শী আর্তি জানিয়েছেন একজন ভোক্তভোগী রোগী। কিশোরগঞ্জ শহরের ফিশারি রোডের বাসিন্দা ব্যবসায়ী খালেদ শামস তুষার নিজের চরম কষ্টকর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার জানিয়ে বলেন, "আমাদের সকলের প্রাণের নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অনেক স্বপ্ন নিয়ে গড়া এই হাসপাতালের এহেন অবস্থা দেখে কিশোরগঞ্জের একজন নাগরিক হিসাবে আমি লজ্জাবোধ করছি। আমি এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে করজোড়ে আবেদন করছিযেন সৈয়দ আশরাফ সাহেবের আত্মার প্রতি সন্মান জানিয়ে এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়।"

বার্তা২৪.কম'কে খালেদ শামস তুষার জানান, "গত রবিবার (১৯ জুন) বুকে ব্যথা নিয়ে আমি আত্মীয়-প্রতিবেশীদের সহায়তায় অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিয়াক সিসিসি'তে ভর্তি হই। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা অবর্ণীয়। সিসিইউ ইউনিটে না আছে বেড,  না আছে এসি সাপ্লাই, না আছে সিসিইউ'র জন্য উপযুক্ত নার্স। এমন কি সিসিইউ'র জন্য কোনও ইমারজেন্সি ডাক্তার পর্যন্ত নেই। আছে শুধু ২ টা স্ট্যানড পাখা। আর যে বেডগুলো আছে, তা মোটেও সিসিও'র উপযুক্ত নয়।"

তিনি বলেন, "সবচেয়ে আশ্চর্য ঘটনা হলো, একজন কার্ডিয়াক মুমূর্ষু রোগীকে বাথরুমে যাবার জন্য প্রায় ৫০০ মিটার হেঁটে যেতে হয়। আর এটাকে বাথরুম বলব না অন্য কিছু বলব আমার জানা নাই। এই হলো কার্ডিয়েক সিসিইউ ইউনিটের অবস্থা। অন্যান্য ইউনিটের কি অবস্থা আমার জানা নাই।"

খালেদ শামস তুষার বলেন, "বর্তমানে কিশোরগঞ্জের বেসরকারি ক্লিনিক ও চেম্বার যারা পরিচালনা করছেন, তারা চায় না সরকারি হাসপাতলে রোগী যাক। তাই তারা কিছু অসাধু ডাক্তার সিন্ডিকেটের সহযোগিতায় এই সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই অবস্থা করে রেখেছে।"

উল্লেখ্য, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত চিকিৎসা বিষয়ক উচ্চশিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দানকারী একটি প্রতিষ্ঠান। সরাসরি সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু মহল বিশেষের নানা অসহযোগিতা ও ষড়যন্ত্রের কারণে প্রতিষ্ঠার ৯ বছর পর অবশেষে মুজিববর্ষের প্রথম দিনে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয় বহুল প্রত্যাশিত শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

সরকারি সূত্রানুসারে, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য বাজেট হিসাবে আনুমানিক ৫.৪৫ বিলিয়ন টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্পের মধ্যে ছয়তলা হাসপাতাল ভবন, একাডেমিক ভবনের জন্য পাঁচতলা কলেজ, নার্স প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, শিক্ষার্থী ছাত্রাবাস, ইন্টার্নি ডাক্তারদের হোস্টেল, ডাক্তারদের ছাত্রাবাস, স্টাফ নার্সদের ছাত্রাবাস, মসজিদ, মিলনায়তন, অধ্যক্ষ ও পরিচালকদের আবাসিক ভবন, জিমনেসিয়াম ইত্যাদি স্থাপনা তৈরিসহ সরঞ্জাম সংগ্রহ, একটি মাইক্রো-বাস, দুটি অ্যাম্বুলেন্স এবং আসবাবপত্র কেনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

;