দাঁতের যত্ন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ছোট থেকেই দাঁতের যত্নের অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়। তা না হলে দাঁতে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে গেলে শুধু দাঁত পরিষ্কার করলেই তো চলবে না! পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া করাও জরুরি।

দিনে দু’বার দাঁত মাজা ছাড়াও আর কী কী করবেন?

এক দিন গায়ের জোরে ঘষলেই কিন্তু দাঁতের দাগ উঠে যাবে না। তাই মাড়িতে বা দাঁতে বেশি চাপ পড়ে, এমনভাবে ব্রাশ করা উচিত নয়। চিকিৎসকদের মতে, দিনে দু’বার দাঁত মাজাই যথেষ্ট। ঘুম থেকে উঠে এবং ঘুমোতে যাওয়ার আগে। তবে, দাঁত ভাল রাখতে প্রতিবার খাবার খাওয়ার পরে ভাল করে মুখ ধোয়া বা ফ্লস করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

কী ধরনের মাজন ব্যবহার করবেন?

ইদানিং দাঁতের সমস্যা অনুযায়ী আলাদা আলাদা মাজন ব্যবহার চল শুরু হয়েছে। পোকা ধরা দাঁত, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, খাবারের অংশ দাঁতের খাঁজে আটকানো, এনামেল নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চিকিৎসকরা ফ্লুওরাইড নামক যৌগ আছে, এমন মাজন ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

কোন ৩ যোগাসনে বার্ধক্যেও থাকবে লাবণ্য



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ত্বকের বয়স ধরে রাখতে কত কিছুই না করেন অনেকে। কিন্তু এ কাজ ততটাও সহজ নয়। অনেক পরিশ্রম করতে হয়। সব সময়ে চেষ্টা করেও যে সুফল মেলে, তা তো নয়। বাজারচলতি প্রসাধনী থেকে ঘরোয়া টোটকা— ত্বকের জৌলুস ধরে রাখতে চেষ্টার কমতি রাখেন না কেউই। কিন্তু তা সত্ত্বেও অনেক সময়ে ফল মেলে না। প্রসাধনীর ব্যবহার, প্রতিদিনের জীবনযাপনে বদল আনা ছাড়াও ত্বকের বয়স ধরে রাখতে ভরসা রাখতে পারেন কয়েকটি যোগাসনের ওপর।

বালাসন

এই আসনটি করতে প্রথমে মাদুরের ওপর হাঁটু মুড়ে বসুন। এ বার শ্বাস নিয়ে হাত দু’টি মাথার ওপর রাখুন। শ্বাস ছেড়ে শরীরের ওপরের অংশ সামনের দিকে বেঁকান। মাটিতে কপাল ঠেকান। নিতম্ব রাখুন গোড়ালির উপরে। এই ভঙ্গিতে কিছুক্ষণ থাকুন। তবে খেয়াল রাখুন, পিঠ যাতে না বেঁকে যায়।

শবাসন

সবচেয়ে সোজা আসন মনে হলেও শবাসন করতে দরকার মানসিক স্থিরতার। চিৎ হয়ে শুয়ে পা দু’টি লম্বা করে ছড়িয়ে দিন। দু’টি হাত শরীরের দু’পাশে রাখুন। হাতের তালু দু’টি শিথিল করুন। চোখ বন্ধ করুন। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে থাকার পর ধীরে ধীরে উঠে বসুন। এতে মন, মাথা এবং শরীর শান্ত থাকবে।

চক্রাসন

পায়ের মাঝখানে কাঁধের থেকে দূরত্ব রেখে শুয়ে পড়ুন। পা ভাঁজ করে এমন ভাবে রাখুন, যাতে নিতম্বের সঙ্গে গোড়ালির স্পর্শ লাগে। দুই হাত ওপরে তুলে মাথার দু’পাশে হাতের তালু দু’টি রাখুন। দীর্ঘশ্বাস নিয়ে প্রথমে নিতম্ব ও কোমর উপরে তুলুন। হাতে ভর রেখে পিঠ ও মাথা উপরে তুলে ফেলুন। আসন থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার সময়ে শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পিঠ ও তার পরে কোমর নামিয়ে নিন। দৈনিক ২ থেকে ৫ বার এটি করুন।

;

এই ক্যানসারে নারীরা বেশি আক্রান্ত হন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি বছর প্রায় কয়েক লাখ মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ক্যানসার কোনও নির্দিষ্ট বয়সে আসে না। যে কোনও সময়ে ক্যানসার হানা দিতে পারে। সমীক্ষা বলছে, নারীদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তার মানে এই নয় যে, পুরুষরা সুরক্ষিত। তবে কিছু ক্যানসার আছে, যেগুলো নারীদের হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি থাকে।

স্তন ক্যানসার

সারা দেশে প্রতি দিন প্রায় কয়েক হাজার নারী স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন। বিশ্বে সেই সংখ্যাটি আরও অনেক বেশি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন কারণে হতে পারে স্তন ক্যানসার। তার মধ্যে অন্যতম শারীরিকভাবে ‘ফিট’ না থাকা। সেই সঙ্গে স্থূলতাও স্তন ক্যানসারের অন্যতম কারণ। তাই স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

মলাশয়ের ক্যানসার

স্তন ক্যানসারের পরেই নারীরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন মলাশয়ের ক্যানসারে। সব সময়ে প্রাথমিকভাবে এই ক্যানসার ধরা পড়ে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শরীরে জাঁকিয়ে বসার পর জানা যায় এই মরণ রোগের কথা। এই ক্যানসার থেকে দূরে থাকতে নিয়মমাফিক জীবনযাপন করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই। রোজের খাওয়াদাওয়া থেকে জীবনযাপন— স্বাস্থ্যকর উপায়ে করতে হবে সবই।

জরায়ুমুখের ক্যানসার

যে ক্যানসারগুলোতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা নারীদের বেশি থাকে, জরায়ুমুখের ক্যানসার সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর গোটা বিশ্বের প্রায় কয়েক লাখ নারীর জরায়ুমুখের ক্যানসার ধরা পড়ে। ৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের মধ্যে এই ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। তাই সুরক্ষিত থাকতে বাড়িয়ে তুলতে হবে প্রতিরোধ ক্ষমতা।

ডিম্বাশয়ের ক্যানসার

নারী দেহের নীরব ঘাতক বলা হয় ডিম্বাশয়ের ক্যানসারকে। সমীক্ষা বলছে, ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। এই ক্যানসার থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রথমে উপসর্গগুলো জেনে নিতে হবে। নয়তো এই রোগ ধরা মুশকিল।

ফুসফুসের ক্যানসার

ধূমপান করলে ফুসফুসের ক্যানসারের আশঙ্কা বাড়ে। এ কথা ভুল নয়। নারীরা নিয়মিত ধূমপান করেন, সমীক্ষা বলছে ফুসফুসের ক্যানসার তাদের শরীরে হানা দিতে পারে। পুরুষদের চেয়ে এ ক্ষেত্রে বিপদসীমার কাছাকাছি দাঁড়িয়ে নারীরা।

;

দারুণ উপকারী মৌরি



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পেট ফেঁপে থাকা আমাদের খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। বিশেষ করে খাদ্য তালিকা উনিশ থেকে বিশ হলেই আমরা গ্যাসের অস্থিরতায় ভুগতে থাকি। সমস্যা অনেক কিন্তু সমাধান একটি। সেটি হল মৌরি। রান্নায় ফোড়ন হিসেবে ব্যবহার করা হলেও আয়ুর্বেদে মৌরি কিন্তু পেটের মহাঔষধ। পেটের যাবতীয় সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়েই সামলে দিতে পারে এই মশলা। শুধু তা-ই নয়, দেহের তিন তত্ত্বের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে মৌরির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তবে পেটের সমস্যা হলে মৌরি খাওয়ার চেয়ে, সমস্যা হওয়ার আগেই তাকে প্রতিরোধ করা ভাল।

নিয়মিত মৌরি খেলে হজমের পাশাপাশি, হার্টও ভাল থাকে। শিশুদের কৃমিনাশক করতে, বমি বমি ভাব কাটাতেও মৌরি দারুণ উপকারী। এছাড়াও দুধের পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে স্তন্যপান করান এমন নারীদেরও মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন তারা ডায়েট এবং শরীরচর্চার পাশাপাশি মৌরি ভেজানো পানি খেয়ে দেখুন। মেটাবলিজম বা বিপাক হার বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে এই মশলা। কাজেই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মৌরি ভেজনো পানি খেলে কিছু দিনের মধ্যেই তার প্রভাব কিন্তু নজরে আসবে।

কোন কোন সমস্যায় পড়লে খাবেন মৌরি?

খাওয়ার পর ১ চা চামচ মৌরি হজমের গোলমাল অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।

পেট ফাঁপার সমস্যায় ম্যাজিকের মতো কাজ করে মৌরি ভেজানো জল।

এ ছাড়া মৌরির চা থাইরয়েড, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসের মতো রোগও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে।

নারীদের ঋতুস্রাবের ব্যথা নিরাময়েও দারুণ উপকারী।

;

পাকা পেপের উপকারিতা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকা পেঁপের কত গুণ, জানেন না অনেকে। চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদ— সকলেই এই ফলকে ‘মহৌষধ’ বলে মনে করেন। শিশুদের প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে, বয়স্কদের অর্শের সমস্যায় আবার কম বয়সীদের ওজন কমানোর ডায়েটে পাকা পেঁপের স্থান সকলের আগে। বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজের প্রাকৃতিক উৎস পাকা পেঁপে চোখের জন্যও উপকারী। বিটা ক্যারোটিনে ভরপুর পাকা পেঁপে ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ ছাড়া শরীরের আর কী কী উপকারে লাগে পাকা পেঁপে?

অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর

ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিড্যান্টে ভরপুর পাকা পেঁপে ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য ব্যধির প্রতিরোধক। এ ছাড়াও পেঁপেতে ছড়েছে ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন সি এবং ই, যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হজমে সহায়ক

পেঁপে মুখের রুচি ফেরায়। সেই সঙ্গে খিদেও বাড়ায় এবং পেট পরিষ্কার রাখে। পেট পরিষ্কার থাকলে গ্যাস অম্বলের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। শুধু তাই নয়, যাদের অর্শের সমস্যা রয়েছে, চিকিৎসকরা তাদের পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন।

প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সক্ষম

পেঁপে কিন্তু শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ১০০ শতাংশ ভিটামিন সি পাওয়া যায় এই পাকা পেঁপে থেকেই। শরীরে কোনও সংক্রমণ হলে, তা কমাতে চিকিৎসকরা পাকা পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন।

ওজন কমাতে

পাকা পেঁপেতে যথেষ্ট পরিমাণ ফাইবার থাকায় তা অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। পাশাপাশি বিপাক হারও বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়াও যারা ওজন কমাতে ডায়েট মেনে খাবার খেয়ে থাকেন, তাদের জন্যও ভাল পাকা পেঁপে।

হার্টের স্বাস্থ্যরক্ষা করে

হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে পটাশিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগ সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে এই যৌগ। প্রাকৃতিকভাবে পটাশিয়ামের উৎস হল পাকা পেঁপে।

;