চীন ও ভারতের ভ্যাকসিন ট্রায়াল নিয়ে রাজনৈতিক ইস্যু বানাচ্ছে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন

  • Font increase
  • Font Decrease

চীন ও ভারতের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিয়ে কেউ কেউ রাজনৈতিক ইস্যু বানাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চীন ও ভারতের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কুটনৈতকি তৎপরতরা কোন দিকে যাবে এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আপনারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জিজ্ঞাসা করেন তারা এর মূল দায়িত্বে। আমি যেটা শুনেছি চাইনিজ একটি কোম্পানি যারা বিভিন্ন দেশে এ ধরনের গবেষণা করে। আমাদের দেশের আইসিডিডিআরবি ২৮টি দেশের প্রতিষ্ঠান, যারা কলেরা নিয়ে গবেষণা করে। তাদের
মধ্যে একটা সম্পর্ক হচ্ছে। কিন্তু কেউ কেউ এটা রাজনৈতিক বিষয় বানানোর চেষ্টা করছেন। দিস ইস পিউরলি রিসার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের জন্য যদি এই ভ্যাকসিন ব্যবহার করতে হয় তাহলে সেটা নিয়ে সরকার চিন্তা করবে। এ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের খুব বেশি কিছু ভূমিকা নেই।ৎ’

চীন ও ভারতের যেকোনো একটি বাদ দিয়ে অন্য দেশের ভ্যাকসিন ব্যবহারে আমরা রাষ্ট্রিয়ভাবে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত হব কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান অক্সফোর্ডের সাথে সহযোগিতার ভিত্তিতে এটা করছে। আমরা এখনও এ বিষয়ে কারও সাথে সহযোগিতা চুক্তি করিনি। যেখানে পাওয়া যায় তাদের সাথে আমাদের সহযোগিতা চুক্তি করা উচিৎ। তাতে সস্তায় অতি শিগগিরই আমরা ভ্যাকসিন পেতে পারি। আমরা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে একটি উদ্যোগ নিয়েছি। যার মাধ্যমে যার যার দরকার তাদেরকে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে বলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা এটা করেছি। আমরা চাই এগুলো দ্রুত হোক। কোন দেশ থেকে নিব না নিব তা নিয়ে তেমন কিছু ভাববার বিষয় নয়।’

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা যে মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে এনে আইনের সম্মুখিন করব। কিন্তু এই পাঁচ খুনি এখনো যারা জীবিত আছে এর মধ্যে দুই জনের খবর আমরা জানি। একজন আমেরিকা আরেকজন কানাডায় থাকেন। এদেরকে আমরা আনতে পারবই এমন গ্যারান্টি আমি দিতে পারছি না। কারণ, তারা যে দেশে আছে তাদের উপর নির্ভর করে। তবে আমাদের সকল মিশনকে সতর্ক করেছি যাতে দ্রুত খুনিদের খুঁজে দেশে আনা যায়।’

স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ডা. এম মুনসুর আলম খান, পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলি, জেলা আওয়ামী লীগের
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ইব্রাহিম শাহীনসহ নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।