সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে হানিফ বাংলাদেশির কুড়িগ্রাম পদযাত্রা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে হানিফ বাংলাদেশির কুড়িগ্রাম পদযাত্রা

সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে হানিফ বাংলাদেশির কুড়িগ্রাম পদযাত্রা

  • Font increase
  • Font Decrease

সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে প্রতীকী মরদেহ নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্ত অভিমুখে পায়ে হেঁটে যাত্রা শুরু করেছেন মোহাম্মদ হানিফ ওরফে হানিফ বাংলাদেশি নামের এক যুবক। গত ১১ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে যাত্রা শুরু করেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি পায়ে হেঁটে বগুড়া শহরের সাতমাথায় পৌঁছান। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি কুড়িগ্রামের উদ্দেশ্য রওনা করবেন।

হানিফ বাংলাদেশি নোয়াখালী জেলা সদরের জাহানাবাদ গ্রামের আব্দুলের ছেলে। তিনি চট্টগ্রামে সিএন্ডএফ এজেন্সিতে কমিশনে কাজ করেন।

এর আগে জনগণের ভোটাধিকারের জন্য প্রচারণা চালাতে ২০১৯ সালের ৬ মার্চ পায়ে হেঁটে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তেতুলিয়ায় গিয়ে পৌঁছান ওই বছরের ১২ এপ্রিল। এছাড়া একই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেশের ৬৪ জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি স্মারকলিপি দিয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি প্রতিটি জেলায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রতীকী লালকার্ড দেখান। এবার তিনি সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করেছেন।

হানিফ বাংলাদেশি জানান, সীমান্তে অধিকাংশ সময় গরু ব্যবসায়ীদের বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে। চোরাই পথে গরু নিয়ে আসা অপরাধ এটা সত্য কিন্তু তাই বলে গুলি করে হত্যা করার অধিকার তাদের নেই। অপরাধ করলে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার হবে। তারা এভাবে নির্বিচারে বাংলাদেশিদেরকে হত্যা করবে কেন? তারা যদি সীমান্তে গরু ব্যবসায়ীদের এভাবে হত্যা করে বিচারের দায়িত্ব নেন তাহলে শুধু বাংলাদেশিদের হত্যা কেন? যারা ভারত থেকে গরু সীমান্তে পৌঁছে দিচ্ছে তাদের কেন মারা হচ্ছে না?

তিনি বলেন, গত ৪৮ বছরে সীমান্তে প্রায় তিন হাজার দুইশ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। গত ২৫ বছরে প্রায় সাড়ে ১২শ’ এবং গত ১২ বছরে প্রায় ৬ শতাধিক বাংলাদেশিকে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী এভাবে হত্যা করেছে। আমি চাই সীমান্তে এভাবে নির্বিচারে বাংলাদেশিদের পাখির মতো করে গুলি করে হত্যা করা বন্ধ হোক। সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে এই পদযাত্রা