ডোবা-জলাশয় পরিষ্কারে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিচ্ছে ডিএনসিসি



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এবার সকল সরকারি-বেসরকারি, ব্যক্তি মালিকানাধীন ডোবা, পুকুর ও জলাশয় পরিষ্কারের জন্য চিঠি দেয়া হচ্ছে।

মূলত শুষ্ক ও শীত মৌসুমে ডোবা, পুকুরের বদ্ধ পানিতে কিউলিক্স মশার বংশবিস্তার বেড়ে যায়। তাই আগে থেকেই সকল ডোবা, পুকুর, জলাশয় পরিষ্কার করে পানির প্রবাহ বাড়াতে দপ্তরে দপ্তরে চিঠি দিয়েছে ডিএনসিসি।

প্রতিটি আঞ্চলিক অফিস থেকে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষরে এসব চিঠি দেয়া হচ্ছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুলকার নায়ন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সচিব বরাবর পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে উত্তরা ১০, ১১, ও ১২ নং সেক্টরের খিজির খাল পরিষ্কার করার জন্য চিঠি দেয়া হয়।

একইভাবে সাধারণ বীমা করপোরেশনের রিয়েল এস্টেট বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপককে ইস্যু করেও চিঠি দেয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় আসন্ন শুষ্ক ও শীত মৌসুমে কিউলেক্স মশার প্রজনন বৃদ্ধি পায়। মশার প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মশা নিধন কার্যক্রম জোরদারকরণসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তথাপি ব্যক্তি মালিকানাধীন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ আঙিনা, নিজ স্থাপনার কচুরিপানা, জলজ আগাছা ও ময়লা আবর্জনা নিজ নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা একান্ত আবশ্যক। ইহা জনস্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ মালিকানাধীন নর্দমা, ডোবা, পুকুর, খাল জলাশয় ইত্যাদি থেকে কচুরিপানা, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।