রসিকে সোয়া লাখের বেশি শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) এলাকায় সোয়া লাখের বেশি শিশুকে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগর ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রংপুর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটু।

করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি রোধে ক্যাম্পেইনসহ সবসময় নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত থাকতে বাধ্যতামূলক সুরক্ষা মাস্ক পরিধান করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী রোববার হতে দুই সপ্তাহব্যাপী (৪ থেকে ১৭ অক্টোবর) রংপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় রাউন্ড চলবে। এসময় ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২৯ শিশুকে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের ২৬৫টি ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে সোম, বৃহস্পতি ও শুক্রবার বাদ দিয়ে সপ্তাহে চারদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

প্যানেল মেয়র টিটু বলেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ৭৭ জন সুপারভইজার এবং মনিটরিং ও সুপারভিশনসহ ৬২৯ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। এবার ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ১৯ হাজার ৪৮৩ জন শিশুকে নীল রংয়ের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লাখ ৭ হাজার ২৪৬ জন শিশুকে লাল রংয়ের ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এছাড়াও বাদ পড়া শিশুদের জন্য অতিরিক্ত ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে। যদি কোনো শিশু গত ৪ মাসের মধ্যে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল খেয়ে থাকে, তবে সেই শিশুকে আর খাওয়ানোর প্রয়োজন নেই।

ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান টিটু বলেন, ভরা পেটে শিশুকে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। খালি পেটে খেলে বমি ভাব হতে পারে। এতে বিচলিত না হয়ে অভিভাবকরা শিশুকে কাছের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারে। এসময় তিনি অভিভাবকদের মুখে মাস্ক ব্যবহার করে শিশুকে নিকটস্থ ইপিআই কেন্দ্রে নিয়ে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহবান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মিঞা, সচিব মো. রাশিদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আব্দুল কাইয়ুম ও শোয়ায়েব ইকবাল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ও ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহাবুবার রহমান মঞ্জুসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ড সম্পন্ন হয়। মার্চ থেকে শুরু হওয়া করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দ্বিতীয় রাউন্ড বিলম্বে শুরু হচ্ছে।