খরচ ৩ হাজার টাকা, লাখ টাকার লাউ বিক্রির সম্ভাবনা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
মাচায় ঝুলছে লাউ।

মাচায় ঝুলছে লাউ।

  • Font increase
  • Font Decrease

লাউয়ের সাদা ফুলে ভরে আছে মাচা। একই সঙ্গে গাছের ডগায় ডগায় উকি দিচ্ছে নতুন লাউয়ের কুঁড়ি। মাচায় ঝুলছে ছোট বড় কয়েকশ লাউ।

বুধবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে এমন লাউ ক্ষেতের দেখা মেলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর নওয়াবস গ্রামে। মূলত এই লাউ ক্ষেতটি স্থানীয় কৃষক আমানুর রহমানের।

জানা গেছে, শখের বসে এই প্রথম মাত্র ৩ হাজার টাকা ব্যয় করে ৪০ শতক জমিতে লাউ চাষ করেন আমানুর রহমান। ইতোমধ্যে ২০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছেন তিনি। বর্তমানে বাজারে লাউয়ের দাম ভালো পাচ্ছেন।

লাউ ক্ষেত।

কৃষক আমানুল রহমান বলেন, ৪০ শতক জমিতে ৩ হাজার টাকা ব্যয়ে লাল তীর, ইস্পাহানি ও এসিআই জাতের হাইব্রিড লাউ চাষ করেছি। বর্তমানে ক্ষেতে সারি সারি লাউ ধরেছে। প্রতিটি লাউ বাজারে ৪০-৪৫ টাকা দরে বিক্রি করছি। এখন পর্যন্ত ২০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করা হয়েছে। আগামীতে লাখ টাকার লাউ বিক্রি করার সম্ভাবনা রয়েছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার ৯টি উপজেলায় ৪ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে শাক-সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ৯৫০ হেক্টর জমিতে শাক-সবজি আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ৬৫ হেক্টর জমিতে লাউ চাষ করা হয়েছে।

কৃষক আমানুল রহমান।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, ধান ও পাটের চেয়ে যেকোনো সবজি চাষ করে দশগুণ বেশি লাভ করা যায়।