কারাগারে নারীর সঙ্গে হলমার্কের জিএম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাজীপুর (ঢাকা)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কারাগারে বন্দী হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমদ বিধি লঙ্ঘন করে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে আটক আছেন।

অভিযোগ আছে, কারাগারেরই দুই কর্মকর্তা তাকে এ কাজে সহযোগিতা করেছেন। গত ৬ জানুয়ারি সিসিটিভির ফুটেজে এ চিত্র ধরা পড়েছে।

জানা গেছে, গত ১২ জানুয়ারি এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন। আর গত ২১ জানুয়ারি তিন সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

জেলা প্রশাসনের গঠিত কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আবুল কালামকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা ফারজানা ও ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

জেলা প্রশাসনের গঠিত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

আর কারা কর্তৃপক্ষের গঠন করা কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক আবরার হোসেনকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপসচিব (সুরক্ষা সেবা বিভাগ) আবু সাঈদ মোল্লাহ ও ডিআইজি প্রিজন (ময়মনসিংহ বিভাগ) জাহাঙ্গীর কবির।

সিসিটিভি’র ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কারাগারের ভেতরে কর্মকর্তাদের অফিস এলাকায় কালো রঙের জামা পরে ঘোরাফেরা করছেন তুষার আহমেদ। কিছু সময় পর বাইরে থেকে বেগুনি রঙের জামা পরা এক নারী সেখানে আসেন। এ সময় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায় ও ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে দুই যুবকের সঙ্গে ওই নারী কারাগারের কর্মকর্তাদের কক্ষের দিকে যান। সেখানে ওই নারীকে সাকলায়েন স্বাগত জানান।

ফুটেজে আরও দেখা গেছে, ওই নারী কক্ষে ঢোকার পর সাকলায়েন বেরিয়ে যান। আনুমানিক ১০ মিনিট পর তুষারকে সেখানে নিয়ে যান সাকলায়েন। এর প্রায় ১০ মিনিট পর রত্না তার কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। দুই মিনিট পর রত্নার কক্ষের দিকে যান তুষার। এরও দুই মিনিট পর সেখান থেকে বেরিয়ে ওই নারীকে নিয়ে আবার রত্নার কক্ষে যান তুষার। যাওয়ার সময় তাদের হাসি-তামাশা করতে দেখা যায়। এর দুই মিনিট পর তুষার ও ওই নারী সাকলায়েনের কক্ষে ফেরেন। সেখান থেকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর তারা বের হন।