এখন আর কেউ পান্তা ভাত খায় না: খাদ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাড়ির চাবি ও কাগজপত্র হস্তান্তরকালে খাদ্যমন্ত্রী

বাড়ির চাবি ও কাগজপত্র হস্তান্তরকালে খাদ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের হাল ধরে বাংলার জনগণের জন্য অন্য, বস্ত্র, বাসস্থানের ব্যবস্থা করছে। এখন মানুষ আর কেউ না খেয়ে থাকে না। কাউকে আর পান্তা ভাত খেতে হয় না। এরই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন ও ভূমিহীন ৮লাখ পরিবারকে দুর্যোগ সহনীয় ঘর প্রদান করছেন। এর আগে কোন সরকার এটা চিন্তা করেনি।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) মুজিববষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভৃমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদানের উদ্বোধন শেষে নওগাঁর সাপাহারে ১২০ জন উপকারভোগীদের মাঝে বাড়ির চাবি ও কাগজপত্র হস্তান্তরকালে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন ।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার যে পরিশ্রম, ত্যাগ এবং দুস্থ পরিবারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে আমরা দোয়া করি যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্থ-সবল থেকে বাংলাদেশকে আরো উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তার জন্য প্রয়োজন নিজেকে দেশপ্রেমিক হওয়া ও দেশকে ভালোবাসা ভালবাসতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে ভৃমিহীন ও গৃহহীন প্রায় ৭৭ হাজার পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন। যা বিশ্বের কোন সরকার দেখাতে পারে নাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা করে দেখালেন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিল বলেই আজকে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর হস্তন্তরের উদ্বোধন করলেন। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প এদেশে আর কেউ নেই।

মন্ত্রী বলে, অনেকে বলেছিল যে পদ্মাসেতু হবে না কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশের নিজস্ব টাকায় আজকে পদ্মা সেতু হয়েছে। মেট্রোরেল চালু করা হবে। ঘরে ঘরে শতভাগ বিদ্যুৎ দেওয়া হয়েছে। বছরের প্রথম দিনে ছাত্র ছাত্রীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হচ্ছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, করোনার মধ্যে এই পর্যন্ত একটি মানুষও না খেয়ে মারা যায় নাই। এখন কৃষকরা ধানের নায্য মূল্য পাচ্ছে। ভোক্তারা সহনীয় পর্যায়ে চাল কিনতে পারছেন। এছাড়াও করোনার মধ্যেও দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কল্যাণ চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসন উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী পোরশা উপজেলার ৫৪ জন উপকারভোগীদের হাতেও এসব ঘরের চাবি ও কাগজপত্র হস্তান্তর করেন।