রংপুরে তীব্র শীতে সন্ধ্যা হলেই হাট-বাজার ও রাস্তা-ঘাট জনশূন্য



আমিনুল ইসলাম জুয়েল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে তীব্র শীতে সন্ধ্যা হলেই হাট-বাজার ও রাস্তা-ঘাট জনশূন্য

রংপুরে তীব্র শীতে সন্ধ্যা হলেই হাট-বাজার ও রাস্তা-ঘাট জনশূন্য

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা হলেই অধিকাংশ হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে গাড়িগুলো ধীর গতিতে চালাতে হচ্ছে। গত চার দিন ধরে হিমেল বাতাস অব্যাহত থাকায় শীত জেঁকে বসেছে। ফলে ছিন্নমূল মানুষেরা চরম বিপাকে পড়েছে।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর জেলার পীরগাছা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ হাট-বাজার জনশূন্য প্রায়। সন্ধ্যার পর থেকেই ঘন কুয়াশার ঢাকা পড়েছে সব জায়গা। এদিকে হিমেল বাতাস ও ঘুন কুয়াশার কারণে শীত জেঁকে বসেছে। লোকজনকে ঠাণ্ডার হাত থেকে রক্ষা পেতে বাড়িতে অবস্থান করতে দেখা গেছে। গত চার দিন থেকে সন্ধ্যা থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘনকুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে রংপুর অঞ্চল। ফলে সূর্যের দেখা মিলছে না।

রাত ৮টার দিকে চৌধুরাণী-সুন্দরগঞ্জ সড়কের কান্দির বাজার নামক স্থানে দেখা হয় অটোভ্যান চালক মহাব্বত মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, গত চার দিন থাকি কোন কামাই নাই। ছোইল(ছেলে) পোইল(মেয়ে) নিয়ে খুব কষ্টে আছি। ঠাণ্ডার কারণে কোন যাত্রী ভ্যানত উঠবার চায় না। রোডের মধ্যে যাত্রী পাওয়া যায় না। প্রতি দিন ৪ থাকি ৫ শ টেকা (টাকা) ভাড়া মাড়ি। গত দুই দিনে মোট ১৪০ টাকা ভাড়া মারছোং। ঠাণ্ডাত ভ্যান চালাইলে মনে হয় জীবন টা বাড়ে যায়।

মোটরসাইকেল চালক স্বপন মিয়া জানান, মোটরসাইকেলে ৭ কিলো রাস্তা আসতে প্রায় আধাঘন্টা সময় লাগলো। মোটরসাইকেলের আলোয় ঠিক ভাবে রাস্তায় সামন দেখা যায় না। মোটরসাইকেল প্রতি ঘন্টা ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার গতিতে চালাতে হচ্ছে।

চৌধুরাণী বাজারের মুদি দোকানী রতন মিয়া বলেন, গত কয়েক দিন ধরে কোন ব্যবসা নাই। সন্ধ্যা হলে বাজারে আর মানুষ থাকে না। বেচা বিক্রি একদম নেই।