মশা এই মুহূর্তে বড় থ্রেট: মেয়র আতিক



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

মশার উপদ্রবে বিরক্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামও। তিনি বলেছেন, মশা এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় ‘থ্রেটেনিং’।

শনিবার (০৬ মার্চ) রাজধানীর বনানী ১ নম্বর রোডে 'শহিদ যায়ান চৌধুরী' মাঠ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র একথা বলেন।

যায়ান চৌধুরী' মাঠ উদ্বোধন করেন শহীদ যায়নের নানা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস্ পরশ; ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস; এফবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন, মশা নিধনে আগামী ৮ মার্চ ডিএনসিসির সকল কর্মকর্তা, মশক নিধন কর্মী, মশক নিধন সম্পর্কিত সকল যন্ত্রপাতি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ডিএনসিসির মিরপুর-২ অঞ্চলে (অঞ্চল-২) নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর সমন্বিত মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হবে। এটি হবে অঞ্চল ভিত্তিক ক্রাশ প্রোগ্রাম। এর পরের দিন মিরপুর-১০ অঞ্চলে (অঞ্চল-৪) অভিযান পরিচালিত হবে। এভাবে সকল অঞ্চলে ১৬ মার্চ পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতীত) এ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে। একটি অঞ্চলে মোট চোদ্দশ মশক নিধন কর্মী কাজ করবে। ১৬ মার্চ প্রথম দফা ক্রাশ প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পরে এক দিন বিরতি দিয়ে আবার ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। একদল বিশেষজ্ঞ কীটতত্ত্ববিদ থাকবেন। তারা ক্রাশ প্রোগ্রামটি সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করবেন, মশার কীটনাশকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন।

মেয়র আরো বলেন, আগামীর ভবিষ্যৎ শিশু-কিশোররা এবং নারীরাও এই মাঠে খেলতে পারবে। এমনকি পথ শিশুরাও যাতে এখানে খেলতে পারে। রাতেও যাতে খেলাধুলা করা যেতে পারে সেজন্য ব্যবস্থা করা হবে। এই মাঠের আশেপাশে যারা আছে, সবাই যেনো এখানে এসে খেলতে পারে। নিরাপত্তার জন্য ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহিদ যায়ান চৌধুরী এই মাঠে খেলতো, তাই তার নামে এই মাঠটির নামকরণ করা হয়েছে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, আজকে পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাব এখানে খেলতে এসেছে। এটি অনেক বড় ব্যাপার। সকল দখলকৃত মাঠ উদ্ধার করে উন্নয়ন শেষে জনগণের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এই প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচের মাধ্যমে এই ‘মেসেজ’ আমি দিতে চাই।

মাঠ উদ্বোধন শেষে ডিএনসিসি বনাম পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবের মধ্যে এক প্রীতি টি টুয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচে ডিএনসিসি ২ ইউকেটে পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবের বিরুদ্ধে জয় লাভ করে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাব নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ ইউকেট হারিয়ে ১১১ রান করে। সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির ২৮ এবং জুয়েল আরেং ২৩ রান করেন। ডিএনসিসির সানি ও নাশোয়ান ৩টি করে ইউকেট নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ডিএনসিসি ৮ বল বাকী থাকতেই জয় লাভ করে। ডিএনসিসির রাব্বী ১৭, নাশোয়ান ১৪ ও সাইফুদ্দিন ১০ রান করেন। পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবের শফিউল ইসলাম শিমুল ৩ ইউকেট লাভ করেন। ম্যান অব দে ম্যাচ হন ডিএনসিসির নাশোয়ান।