ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেসক্লাব, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা, আগুন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেসক্লাব, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর- আগুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেসক্লাব, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর- আগুন

  • Font increase
  • Font Decrease

হেফাজতে ইসলামের ডাকা সারাদেশে হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে হরতাল সসমর্থকরা। এ সময় স্থানীয় প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রোববার (২৮ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় এই হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়াসহ সংঘর্ষ শুরু হয়। এর আগে সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করছিল হেফাজতের নেতাকর্মীরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে হামলা ও আগুন দেয়া শুরু করে নেতাকর্মীরা।

সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন

সকালেই বিক্ষোভ মিছিল থেকে শহরের পীরবাড়ি এলাকায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ শুরু হয়। শহরের পৈরতলায় পুলিশ ও বিজিবির সদস্যদের সাথে সংঘর্ষ হয়৷ একপর্যায়ে হামলাকারীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভনের বাড়ি, সভাপতি রবিউল ইসলাম রুবেলের বাড়ি, জেলা পরিষদ ভবন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা এবং ধীরেন্দ্র নাথ ভাষা চত্বরের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে আগুন দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর ও আগুন, মুক্তমঞ্চে আগুন দিয়েছেন।

এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভাঙচুর, কালীবাড়ি মন্দিরের প্রতিমা, ব্যাংক এশিয়ার ফটকে ভাঙচুর, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গন ভাঙচুর করেছেন হামলাকারীরা। রাস্তায় হামলাকারীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামির ওপর হামলা চালান। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেসক্লাব, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর-আগুন

এদিকে প্রেসক্লাবে হামলার সময় অন্তত ৩০ জন সাংবাদিক প্রেসক্লাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা প্রেসক্লাবে ভাঙচুর করে চলে যায়।

এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এর ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।