বাংলাদেশে এভিয়েশনও একটি শিল্প!



মো. কামরুল ইসলাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারের সুচিন্তিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২০ সালে সারাবিশ্বে যখন করোনাভাইরাস ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে তখন বাংলাদেশে তেমন একটা সুবিধে করতে পারেনি। কিন্তু ২০২১ সালের প্রথম কোয়ার্টার অনেকটা স্বাভাবিক ভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখন নতুন শক্তির করোনাভাইরাস সব হিসেব নিকেশকে ভুল প্রমাণিত করে বাংলাদেশকে আক্রমণ করা শুরু করেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে আবার শতাধিক মানুষ মারাও যাচ্ছে। যা চিন্তার কারণ হয়ে পড়েছে।

সরকার দ্বৈত নীতি অবলম্বন করে সারাবিশ্বের মহামারীর মধ্যেও অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে সক্ষম হয়েছে। গত বছর করোনা আবির্ভাবের সময় থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার সাথে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনাও বন্ধ করেছিলো। পরবর্তীতে ১ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে নানা স্বাস্থ্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা পরিপালনের মাধ্যমে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে দেয়। যার ফল স্বরূপ এয়ারলাইন্সগুলো সকল ধরনের নির্দেশনা মেনে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। ধারাবাহিকভাবে যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে এয়ারলাইন্সগুলো ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শুরু করেছিলো। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আবার একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে বাংলাদেশ এভিয়েশনকে। গত ৫ এপ্রিল থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রেখেছিল সরকার। ১৬দিন বন্ধ থাকার পর সীমিত পরিসরে ২১ এপ্রিল থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে পরিচালিত তিনটি বেসরকারি এয়ারলাইন্স এর মধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও নভোএয়ার দু’টি চলমান। করোনার প্রাদুর্ভাবে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ সাময়িকভাবে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রেখেছে। যার ফলে সহস্রাধিক কর্মচারী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট পরিচালনা যদি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্বাভাবিক না হয় তাহলে অবশিষ্ট দু’টি বেসরকারি এয়ারলাইন্সও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু ইউএস-বাংলা কিংবা নভোএয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে ব্যাপারটা এমন নয়, ব্যবসার এই অনিশ্চয়তায় রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সবচেয়ে বেশী আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

বাংলাদেশ বিমানের ২১টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১৪টি আর নভোএয়ারের ৭টি উড়োজাহাজ অনেকটা অথর্ব হয়ে পড়ে আছে। উড়োজাহাজগুলোর পিছনে নানাবিধ খরচ বহাল আছে। এয়ারলাইন্সকে টিকিয়ে রাখতে এবং দেশের আকাশপথকে সচল রাখতে হলে স্বাস্থ্য সতর্কতামূলক বিষয়গুলো পালনের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিপূর্ণ সুযোগ দিয়ে দেশের এভিয়েশন শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষায় এগিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ। একটি রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পূর্বে যেসকল স্বাস্থ্য সতর্কতার বিষয়ে মনোযোগ দিতে হয় তার কয়েকটি উল্লেখ করা হলো- প্রত্যেক যাত্রীর মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক, হ্যান্ড স্যানিটাইজিং, ফেসশিল্ড ব্যবহার, ককপিট ও কেবিন ক্রদের পিপিই পরিধান, সোস্যাল ডিসট্যান্সিং পালন, তিনধাপে শরীরের তাপমাত্রা মাপা, আসন সংখ্যা সীমিতকরন, প্রত্যেকটি ফ্লাইট শুরু করার পূর্বে এয়ারক্রাফটকে ডিসইনফেক্টেড করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রত্যায়নপত্র নেয়া, পানি ব্যতিত অন্যান্য খাবার সরবরাহ না করা, র‌্যাম্প কোচে সোস্যাল ডিসট্যান্সিং মেইনটেইন করা ইত্যাদি বিষয়াদি পালনের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ রুটসহ আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা স্বাভাবিক করা যেতে পারে। একটি ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচিয়ে রাখা এখন সময়ের দাবি।

বাংলাদেশে সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধির মধ্য দিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ করে দেয়া যায় তবে ধ্বংস হতে যাওয়ার হাত রক্ষা পাবে এভিয়েশন শিল্প। গত ২৫ বছরে বাংলাদেশে ৭টি বেসরকারী বিমান সংস্থা  বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে টিকে আছে মাত্র ২টি সংস্থা। সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আকাশপথকে সুদুঢ় করার প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও নভোএয়ার। গত ৬-৭ বছরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে তিনগুন। এর মূল কৃতিত্বই বেসরকারি বিমান সংস্থার।

আজ যদি করোনার করালগ্রাসে দেশীয় বিমান সংস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় অদূর ভবিষ্যতে কোনো বেসরকারি বিনিয়োগ এভিয়েশন খাতে না আসার সম্ভাবনা দেখা দিবে। যার ফলে দেশের আকাশপথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে। যার ফলে পর্যটনখাত ধ্বংসের কিনারায় পৌঁছে যাবে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিকেন্দ্রীয়করনের পথ ও রুদ্ধ হয়ে যাবে। রাজধানী ঢাকার বাহিরে শিল্প কারখানা গড়ে উঠার যে প্রতিযোগিতা দেখছি তা সংকুচিত হয়ে যাবে। এভিয়েশনকে অন্যান্য শিল্পের সাথে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটি দেশের এয়ারপোর্ট হচ্ছে ড্রইং রুমের মতো। আর তার সৌন্দর্য হচ্ছে এয়ারলাইন্সগুলোর সরব উপস্থিতি। এয়ারলাইন্স টিকে থাকলে পর্যটন টিকে থাকবে আর পর্যটন টিকে থাকলে হোটেল ইন্ডাস্ট্রিজ টিকে থাকবে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ড হিসেবে দেখতে হলে দেশের এভিয়েশনকে টিকিয়ে রাখা খুবই জরুরি। আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করে দেশীয় এয়ারলাইন্স দেশের জিডিপিতে সহযোগিতা করছে। দেশীয় এয়ারলাইন্স টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হলে দেশ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

একটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি দেয়াও খুবই জরুরী, একটি এয়ারলাইন্স এর পরিচালন ব্যয়ের ৪০% হচ্ছে ফুয়েল খরচ। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি কিংবা কমানো জরুরী। করোনা মহামারীকালীন সময়ে গত বছর আগস্ট থেকে চলতি বছর মার্চ মাস পর্যন্ত চার বার জেট ফুয়েলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এসময়ে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য লিটার প্রতি ১৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে মহামারীর সময় টিকে থাকাই দুঃস্কর সেখানে অযৌক্তিহারে জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধি এভিয়েশন ব্যবসায় টিকে থাকা এয়ারলাইন্স এর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। আর পরিচালন ব্যয়ের এ বৃদ্ধিকে সামঞ্জস্য করার জন্য যাত্রীদের ভাড়ার উপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। ফলে যাত্রী সংকটের সৃষ্টি হয়। সকল সিদ্ধান্তই যেন হোক সুচিন্তিত, সুপরিকল্পিত।

দেশের ড্রইং রুমের সৌন্দর্য রক্ষা করার জন্য দেশীয় এয়ারলাইন্সকে টিকিয়ে রাখার প্রয়োজনীয়তা সর্বাগ্রে।

লেখক: মো. কামরুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক- জনসংযোগ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

   

অনিয়মে বাধা দেয়ায় এলজিইডি কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফেনীতে সড়ক পাকাকরণের কার্পেটিং কাজে বিটুমিন কম দেওয়ায় প্রতিবাদ করায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডির ১ কর্মকর্তা ও ২ কর্মচারীকে মারধর করেছে বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৭ মার্চ) সকালের দিকে সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের উত্তর শর্শদি কেল্লাশাহ সড়কের নিমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিষয়টি জানাজানি হলে জেলাজুড়ে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন, ফেনী সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের উপ সহকারি প্রকৌশলী মাসুদ রানা, কার্যসহকারি মো. বেলাল হোসেন মজুমদার এবং নৈশপ্রহরী মো. নুরুল আবছার রাজু।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) এলজিইডির সদর উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মাসুদ রানা সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে কাজে অনিয়ম দেখতে পান। পরবর্তী বুধবার সকালের দিকে আবার পরিদর্শনে গেলে সড়কে বিটুমিনের পরিমাণ স্পেসিফিকেশনের তুলনায় কম দেখতে পান। ত্রুটি সংশোধন করে পুনরায় বিটুমিন মিশ্রণ করতে মৌখিক নির্দেশনা দেন তিনি।

এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সোহেল ও শ্রমিকদের মাঝি মোফার নেতৃত্বে শ্রমিকরা তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। একপর্যায়ে উপসহকারি প্রকৌশলী মাসুদ রানাকে তারা মারধর শুরু করে। তাকে বাঁচাতে এলে কার্যসহকারি বেলাল হোসেন মজুমদার, নৈশপ্রহরী নুরুল আবছার রাজুকেও মারধর করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন ও শ্রমিকরা।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, উত্তর শর্শদি থেকে ধোপাখিলা এলাকার কেল্লাশাহ সড়কের ৯৭০ মিটার সড়ক পাকাকরণের কাজের কার্যাদেশ পান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল আহাদ নয়নের মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নয়ন এন্টারপ্রাইজ। কার্যাদেশ অনুযায়ী ৮৭ লাখ টাকা বরাদ্দের এ সড়কের কাজ গত ২১ মার্চের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশনা ছিল। অথচ দুয়েকদিন আগে সড়কে বিটুমিন দেওয়া শুরু হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী দীপ্ত দাস গুপ্ত বলেন, ঘটনাটি এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং জনপ্রতিনিধিদের জানানো হয়েছে।

ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল বলেন, উন্নয়ন কাজে অনিয়মের ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। এ ব্যাপারে সদর আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। অনিয়ম করে কারো পার পাওয়ার সুযোগ নেই।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আবদুল আহাদ নয়ন প্রবাসে অবস্থান করায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ফেনী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় একটি অবহিতকরণ পত্র পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

রাতের মধ্যে রাজধানীসহ ১৩ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাতের মধ্যে রাজধানীসহ ১৩ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

রাতের মধ্যে রাজধানীসহ ১৩ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ১৩ অঞ্চলে রাতের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুকের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এছাড়া মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

পাশাপাশি এই সময় সারাদেশের দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

;

বিডিএস দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে: ভূমিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিডিএস দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে: ভূমিমন্ত্রী

বিডিএস দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে: ভূমিমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

সারা দেশে আরও ১ হাজার ৩৩৩টি শহর ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। 

তিনি বলেন, বিডিএস (বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে) বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। 

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক বিশেষ ‘প্রকল্প পর্যালোচনা সভা’য় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, বিডিএস বাস্তবায়িত হলে ম্যাপসহ মালিকানাভিত্তিক খতিয়ান চালু করা সম্ভব হবে এবং খতিয়ানে দাগ শেয়ার করতে হবে না। ম্যাপ সংযুক্ত মালিকানাভিত্তিক খতিয়ান প্রণয়ন করা সম্ভব হলে ভূমি নিয়ে মামলা-মোকাদ্দমা ও সীমানা বিরোধ অনেকাংশে কমে যাবে।

এ সময় বিডিএসকে একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালককে অগ্রাধিকার দিয়ে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

সভায় অবহিত করা হয় যে চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী সিটি করপোরেশন, মানিকগঞ্জ পৌরসভা এবং ধামরাই ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ইডিএলএমএস প্রকল্পের (ইস্টাবলিশমেন্ট অব ডিজিটাল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রকল্প) মাধ্যমে বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

খুব শিগগিরই আরেকটি প্রকল্পের রিভিউ শেষ হলে পটুয়াখালী, বরগুনা, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও গোপালগঞ্জ জেলার ৩২টি উপজেলায়ও বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে 'বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে' পরিচালনা করা হবে বলেও সভায় জানানো হয়।

ভূমিসচিব খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে পর্যালোচনা সভায় ভূমি মন্ত্রণায়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) জিয়াউদ্দীন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

;

সাভারে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

সাভারে শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করেছে দূর্বৃত্তরা। নিহতের নিথর দেহ উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাত ৮ টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করে সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স) নয়ন কারকুন। এর আগে দুপুরের দিকে সাভার পৌরসভার সোবহানবাগ আমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. শহিদুল ইসলাম (২৪) চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট থানার চরধরমপুর গ্রামের সাইদুলের ছেলে। তিনি সাভারের সোবহানবাগ আমতলা এলাকায় ভাড়া থাকতেন। পেশায় ছিলেন দন্ত চিকিৎসকের সহকারী।

হত্যাকান্ডের কারণ বা এর সাথে কারা জড়িত তা এখনও বলতে পারেনি পুলিশ। তবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে।

পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স) নয়ন কারকুন বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকান্ড হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের কোন সম্পৃক্ততা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনই কিছু বলা যাচ্ছেনা। তদন্ত করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

;