সর্বাত্মক লকডাউনে সর্বাত্মক বেচাকেনা!



সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা

ছবি: ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা

  • Font increase
  • Font Decrease

সারা পৃথিবী যখন কাঁপছে করোনাভাইরাসে। ঠিক সেই সময়ে দেশের মার্কেটগুলোতে চলছে সর্বাত্মক বেচাকেনা। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকার ঘোষিত সকল নির্দেশনা উপেক্ষা করেই চলছে এই বেচাকেনা।

দ্বিতীয় ঢেউয়ের করোনা সংক্রমণরোধে সরকার কয়েক দফায় সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছেন। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী যা চলবে ৫ মে পর্যন্ত। এই লকডাউনের ঘোষণা অনুযায়ী এখনও দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত, পরিবহন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে রমজান মাস ও আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার দেশের ব্যবসায়িদের কথা বিবেচনা করে কিছু শর্তসাপেক্ষে সকল মার্কেট ও বিপণনীগুলো খোলার নির্দেশ দেন। কিন্তু সরকারের সেই নির্দেশ মানছেন না কেউ। মনের আনন্দে সবাই ঈদের কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছেন।

নারী ক্রেতাদের ভিড়

সোমবার (৩ মে) রাজবাড়ীর বিভিন্ন মার্কেটগুলো সরেজমিন ঘুরে তেমনই চিত্র চোখে পড়েছে। সকল মার্কেটগুলোতেই ক্রেতাদের প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এরমধ্যে নারী ক্রেতারা সংখ্যায় অধিক। একদম গাদাগাদি করে তারা মিলেমিশে কেনাকাটা করছেন। মার্কেটগুলোর মধ্যে তিল পরিমাণ জায়গা ফাঁকা নেই। বেশির ভাগ মার্কেট মালিকরাই মানছেন না সরকারের নির্দেশিত শর্তগুলো। দোকানদারদের মধ্যেও নেই কোন অনুশোচনা। তারা যেন বিক্রি করতে পারলেই বেঁচে যান।

নারী ক্রেতা শারমিন জাহান বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমরা যেটা করছি সেটা ঠিক হচ্ছেনা। আমাদের জন্য সামান্য ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে। বাচ্চার জন্য পোশাক কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু এতো ভিড় দেখে মার্কেটের ভিতরে ঢুকার সাহস পেলামনা। তাই আপাতত চলে যাচ্ছি। রাতে হয়ত ভিড় কিছুটা কমবে তখন আবার আসার চেষ্টা করবো।

একাধিক দোকানদার ক্রেতাদের প্রতি অভিযোগ করে বার্তা২৪.কমকে বলেন, কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা। আমরা সকল ক্রেতাকেই বলছি মাস্ক পরা থাকতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায়ে রাখতে হবে। কিন্তু কেউ আমাদের কথা শুনছেনা।