বাড়ি পাচ্ছেন রাজশাহীর আরও চার হাজার গৃহহীন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
বাড়ি পাচ্ছেন রাজশাহীর আরও চার হাজার গৃহহীন

বাড়ি পাচ্ছেন রাজশাহীর আরও চার হাজার গৃহহীন

  • Font increase
  • Font Decrease

মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকারের তরফ থেকে বাড়ি পাচ্ছেন আরও চার হাজার গৃহহীন ব্যক্তি। প্রথম দফায় এ জেলায় ইতিমধ্যে ছয় হাজার গৃহহীনকে ঘর দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আরও চার হাজার ঘর হস্তান্তর করা হবে।

শনিবার (২২ মে) দুপুরে জেলার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের হাতিনাদা সোনারপাড়া গ্রামে নির্মাণাধীন বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এখানে ৫টি বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি বাড়ি নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

বিভাগীয় কমিশনার এই বাড়ির চাবি বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তার (৭০) ও সুমি বেগম দম্পতির কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার জানান, রাজশাহীতে প্রথম দফায় ছয় হাজার বাড়ি হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও চার হাজার বাড়ি প্রস্তুত হচ্ছে। এই আইডিয়াটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। দ্রুত আরও চার হাজার বাড়ি হস্তান্তর করা হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের জেলা শাখার সভাপতি আবদুল জলিলও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে খরচ হচ্ছে ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা। বাড়িতে থাকছে দুটি ঘর, রান্নাঘর ও শৌচাগার। চার হাজার বাড়ির মধ্যে তিনটি নির্মাণ করা হচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের জেলা শাখার অর্থায়নে। এর মধ্যে পুঠিয়ার বাড়িটি হস্তান্তর করা হলো। সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলার গোদাগাড়ি ও পবা উপজেলায় আরও দুটি বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে।

বাড়ি পেয়ে বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তার জানালেন, নিজের জায়গা নেই বলে তিনি অন্যের বাগানে থাকতেন। বাগান মালিক আর থাকতে দিচ্ছিলেন না। এই বাড়ি পেয়ে তার খুব উপকার হলো। তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নজরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম হীরা বাচ্চু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে তারা পুঠিয়ার ভালুকগাছি ইউনিয়নের সর্দারপাড়া গ্রামে আটটি বাড়ি নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। এরপর তাঁরা দুর্গাপুর উপজেলার পালোপাড়া গ্রামে নির্মাণাধীন বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বিভাগীয় কমিশনার সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।