আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি কারেন্ট ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন লেগে বন্ধ হয়ে যাওয়া চারটি ইউনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিট চালু হয়েছে। তবে বিকল্প একটি ইউনিট চালু করার মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।

সোমবার (২৪ মে) সকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিটগুলো চালু করা হয়। তবে কারিগরি সমস্যার কারণে এখনো বন্ধ রয়েছে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৫নং ইউনিটটি। তবে বিকল্প আরেকটি ইউনিট চালু করে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। এর আগে রোববার (২৩ মে) সন্ধ্যায় আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাব স্টেশনের দুটি কারেন্ট ট্রান্সফরমার বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন লেগে যায়। এসময় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩টি ও বেসরকারি ১টি ইউনিটসহ ৪টি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যয়, রোববার (২৩ মে) সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাব স্টেশনের দুটি কারেন্ট ট্রান্সফরমার বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুনে নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪টি সচল ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। ইউনিটগুলো হল- ২২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সিসিপিপি ইউনিট, ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৫নং ইউনিট, ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন গ্যাস ইঞ্জিন ও ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বেসরকারি ইউনাইটেড মডিউল কোম্পানি লি. ইউনিট। ৪টি বিদ্যুৎ ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে ৬২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে কারখানার নিজস্ব প্রকৌশলীরা কাজ শুরু করে রাতেই তিনটি ইউনিট চালু করে। পরে সোমবার সকাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৫নং ইউনিটটি চালু করতে পারেনি। তবে বিকল্প আরেকটি ইউনিট চালু করে বিদ্যুতের চাহিদা স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।

আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এএমএম সাজ্জাদুর রহমান জানান, সন্ধ্যায় পরপর দুটি কারেন্ট ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ হয়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের টিম এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ট্রান্সফরমারের বিস্ফোরণের পর স্থানীয় প্রকৌশলীরা মেরামত কাজ শুরু করে তিনটি ইউনিট চালু করে। ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৫নং ইউনিটটির কিছু যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করা লাগবে যার কারণে বিকল্প আরেকটি ইউনিট চালু করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ট্রান্সফরমারের বিস্ফোরিত স্প্রিন্টারের আঘাতে এক শিশুর বাম চোখে গুরুতর আহত হয়েছে। আহত শিশুর সব ধরনের চিকিৎসা সহয়তা করা হবে।