‘শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার পর খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের টিকা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে। তবে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে হল নেই, সেগুলো আগামী ১৩ জুন থেকে খোলা হতে পারে।

বুধবার (২৬ মে) দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হল রয়েছে, সেখানে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই টিকা নিশ্চিত না আবাসিক হলযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হলে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হতে পারে। করোনা সংক্রমণ আর ঊর্ধ্বমুখী না হলে আগামী ১২ জুনের পর আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কলেজ খুলে দিতে পারি। আবাসিক হল না থাকলে বিশেষ ব্যবস্থায় সেসব প্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরু করা যেতে পারে।

দীপু মনি জানান, শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কাছে চাওয়া হয়েছে। তবে ধরে নেওয়া যায়, যেহেতু শিক্ষার্থীদের বয়স ৪০-এর নিচে, তাই অধিকাংশই হয়তো টিকা নিতে পারেননি। তবে টিকা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বিকল্প কী করা যায়, সেটা ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গের আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যাগুলো অনলাইনে পরীক্ষা নিতে পারবে।

এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকায় করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সেখানে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু সেটা করলে তো আরও বৈষম্য তৈরি হবে। তাতে আরও বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জি এম হাসিবুল আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক চৌধুরি প্রমুখ।