৫০ তলাবিশিষ্ট সম্মেলন কেন্দ্র নির্মাণে তুরস্কের বিনিয়োগ প্রত্যাশা মেয়রের



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
৫০ তলাবিশিষ্ট সম্মেলন কেন্দ্র নির্মাণে তুরস্কের বিনিয়োগ প্রত্যাশা মেয়রের

৫০ তলাবিশিষ্ট সম্মেলন কেন্দ্র নির্মাণে তুরস্কের বিনিয়োগ প্রত্যাশা মেয়রের

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর কামরাঙ্গীর চর এলাকায় আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ৫০ তলাবিশিষ্ট একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। সেখানে তুরস্কের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

তিনি বলেছেন, করপোরেশনে নবসংযুক্ত কামরাঙ্গীর চর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নান্দনিক পরিবেশে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ৫০ তলাবিশিষ্ট একটি আন্তর্জাতিক মানের সম্মেলন কেন্দ্র নির্মাণ এবং সেখানে কেন্দ্রিয় বাণিজ্যিক অঞ্চল (সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট-সিবিডি) গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে তুরস্ক বিনিয়োগ করতে পারে।

বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) দুপুরে নগর ভবনের মেয়র দফতরে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরানের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাক্ষাৎকালে মেয়র এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাতে পারস্পরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় একটি আধুনিক চিকিৎসালয় (হাসপাতাল) প্রতিষ্ঠার আগ্রহ ব্যক্ত করলে শেখ তাপস রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে করপোরেশনের নবসংযুক্ত এলাকায় বিশেষত কামরাঙ্গীর চরে চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

সাক্ষাতে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপসকে জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ-তুরস্ক বাণিজ্যের পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলার এবং আগামী বছরে তা ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে দু'দেশই কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় তুরস্ক বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

জবাবে মেয়র বলেন, করপোরেশনে নবসংযুক্ত কামরাঙ্গীর চর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নান্দনিক পরিবেশে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ৫০ তলাবিশিষ্ট একটি আন্তর্জাতিক মানের সম্মেলন কেন্দ্র নির্মাণ এবং সেখানে কেন্দ্রিয় বাণিজ্যিক অঞ্চল (সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট-সিবিডি) গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে তুরস্ক বিনিয়োগ করতে পারে। এছাড়াও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ৩০টি কম্পেক্টর ক্রয়ের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সেখানেও তুরস্ক অংশগ্রহণ করতে পারে।

ঢাদসিক এলাকার উত্তরাংশে একটি পরিকল্পিত আবাসিক উপশহর (এক্সক্লুসিভ রেজিডেন্সিয়াল টাউনশিপ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, সেখানেও চাইলে তুরস্ক বিনিয়োগ করতে পারে।

বৈঠকে ঢাদসিক মেয়র ও তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ঢাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তুরস্কের উল্লেখযোগ্য যে কোনো একটি নগরের সাথে ঢাদসিক এর সিস্টার সিটি রিলেশনশিপ প্রতিষ্ঠাসহ নানা বিষয়ে একসাথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ঢাদসিক মেয়র রাষ্ট্রদূতকে তার সহকর্মীদের নিয়ে শীতকালের শুরুতে দক্ষিণ সিটির আওতাধীন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মেয়রকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশে তুর্কি করপোরেশন এন্ড কোর্ডিনেশন এজেন্সির সমন্বয়ক ড. ইসমাইল গন্ডুগডু, ড. ইসমাইল ও ঢাদসিক সচিব আকরামুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।