টিকা নিয়ে আশার কথা শোনাতে পারলেন না ভারতীয় হাইকমিশনার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এই মুহূর্তে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন পাওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। তিনি বলেছেন, ভারতের করোনা পরিস্থিতি এখনো বিপজ্জনক পর্যায়ে। তাই বাংলাদেশকে কবে নাগাদ ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় বলতে পারছি না।

রোববার (২০ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবলীগের নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিকা পাওয়া নিয়ে এ অনিশ্চয়তার কথা জানান তিনি।

বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, টিকার উৎপাদন বাড়লে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানা যাবে। আমরা করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন বাড়াচ্ছি। ভারতের করোনা পরিস্থিতি এখনো বিপজ্জনক পর্যায়ে। তাই বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় বলতে পারছি না।

দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ক্রয়সূত্রে ৩ কোটি টিকা পাওয়া যাবে- এমন আশাতেই টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। কিন্তু ভারতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পর দেশটি টিকা রফতানি বন্ধ করে দেয়। ফলে বাংলাদেশের টিকা পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। এদিকে দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা যে পরিমাণ মজুত আছে তাতে করে প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শতভাগকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমরা টিকা উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছি, যার জন্য আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। সে সময়েই এ বিষয়ে ঠিক ভাবে বলা যাবে। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো আলোচনা চলছে।

যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ এবং ভারতের যুবকদের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা। যুবলীগের সাহায্যে তরুণদের দোরগোড়ায় পৌঁছা এবং ভারত ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থী, তরুণ, ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি করা।

এ সময় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, যুবনেতা মামুনুর রশীদ, মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন), খালেক শওকত আলী, সুব্রত পাল, শেখ ফজলে নাঈম, কাজী মাজহারুল ইসলাম ও সাইফুর রহমান সোহাগ উপস্থিত ছিলেন।