কোভিশিল্ড টিকার মজুত আছে ৯৯ হাজার ডোজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা যে পরিমাণ মজুত আছে তাতে করে প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শতভাগকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে না।

দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর আজ পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এক কোটি ১ লাখ ৭৯১ ডোজ। যার পুরোটাই দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন। এখন পর্যন্ত দেশে এক কোটি দুই লাখ ডোজ ভ্যাকসিন এসেছে। সেই অনুযায়ী এখন মাত্র মাত্র ৯৯ হাজার ২০৯ ডোজ ভ্যাকসিন অবশিষ্ট আছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৮১ হাজার ৭৭৬ জন। অর্থাৎ দুই ডোজ মিলিয়ে এক কোটি ১ লাখ ৭৯১ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জনের মধ্যে ১৪ লাখের বেশি মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সংকট। এদের সবাইকেই অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।

দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলে। দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় গত ৮ এপ্রিল থেকে।

দেশে করোনাভাইরাসের টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের মাধ্যমে। সেরামের সঙ্গে তিন কোটি ডোজ টিকার চুক্তি হয় বাংলাদেশ সরকারের। প্রতিমাসে সেখান থেকে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত টিকা এসেছে এক কোটি দুই লাখ ডোজ।