১৯ জুলাই: কে কী বললেন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা ২৪
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

মোঃ আবদুল হামিদ
রাষ্ট্রপতি

মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। ‘আজহা’ অর্থ কোরবানি বা উৎসর্গ করা। ঈদুল আজহা উৎসবের সাথে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসরাইল (আঃ) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও অসীম আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ইতিহাসে অতুলনীয়।

কোরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে, আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়।

এ বছর এমন একটা সময়ে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে যখন বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্ব করোনাভাইরাসের সংক্রমণে চরমভাবে বিপর্যস্ত। করোনার কারণে দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকা আজ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। জীবন বাঁচানো প্রথম অগ্রাধিকার হলেও জীবন বাঁচিয়ে রাখতে জীবিকার গুরুত্বও অনস্বীকার্য।

কঠিন এ সময়ে তিনি দেশের আপামর জনগণের প্রতি কোরবানির মর্মার্থ অনুধাবন করে সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হয়ে মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান। একই সাথে তিনি দেশবাসীর প্রতি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে ঈদুল আজহা উদযাপনের আহবান জানান।

ত্যাগের শিক্ষা ব্যক্তি জীবনে প্রতিফলিত হলেই সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ। মহান আল্লাহ মহামারি করোনার হাত থেকে সবাইকে করুন, আমিন।

-বাণী।

 

শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী

আসুন, আমরা সকলে পবিত্র ঈদুল আজহার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কাজে অংশ নিয়ে বৈষম্যহীন, সুখি, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

হযরত ইব্রাহিম (আঃ) মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে প্রিয়বস্তুকে উৎসর্গ করার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা বিশ্ববাসীর কাছে চিরকাল অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। প্রতিবছর এ উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে সচ্ছল মুসলমানগণ কোরবানিকৃত পশুর গোশত আত্মীয়স্বজন ও গরিব-দুঃখির মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে মানুষে-মানুষে সহমর্মিতা ও সাম্যের বন্ধন প্রতিষ্ঠা করেন। শান্তি সহমর্মিতা, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয় ঈদুল আজহা।

আমরা এক সংকটময় সময়ে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করছি। করোনাভাইরাস সমগ্র বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। আমাদের সরকার এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরা জনগণকে সকল সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রেখেছি।

আল্লাহ বিপদে মানুষের ধৈর্য পরীক্ষা করেন। এসময় সকলকে অসীম ধৈর্য নিয়ে সহনশীল ও সহানুভূতিশীল মনে একে অপরকে সাহায্য করে যেতে হবে। এই বিপদের সময় স্বাস্থ্যকর্মী, ডাক্তার, নার্স, পুলিশ, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী, সশস্ত্রবাহিনী, সাংবাদিক, ব্যাংকার ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ যারা জীবন বাজি রেখে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

-বাণী।


বেগম রওশন এরশাদ
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা

আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও আকুণ্ঠ আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা অতুলনীয়।

ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে কোরবানির শিক্ষা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। পবিত্র ঈদুল আজহা একটু ভিন্নভাবে পালিত হচ্ছে। করোনাভাইরাস আমাদের মাঝে মহাবিপর্যয় হিসেবে দেখা দিয়েছে।

মহান ত্যাগের মহিমায় সকলকে প্রাণঘাতী মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নির্দেশনাগুলো মেনে নিজে সুস্থ থাকতে এবং সবাইকে সুস্থ রাখতে নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

- বাণী।


আমির হোসেন আমু
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

মহান রাব্বুল আলামীন খুব শিগগিরই করোনা সংক্রমণের মহামারি থেকে আমাদের রক্ষা করবেন। মহান স্রষ্টার অশেষ রহমতে পৃথিবী আবার আলোকিত হবে, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবে মানুষ।

-শুভেচ্ছা বার্তা।


ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

জনস্বার্থে সরকারের যে কোনো কাজ কিংবা সাফল্য বিএনপির গায়ে জ্বালা বাড়ায়। তাদের দৃষ্টিসীমায় ভর করে উদ্দেশ্যমূলক অন্ধত্ব। আসলে বিএনপিই জনগণের সাথে মর্মান্তিক তামাশা করেছে, তারা কখন কি বলে নিজেরাও জানে না। বিবেক- বুদ্ধি অনুযায়ী না চললে এবং না কথা বললে এমনই হয়।

বিএনপির হঠকারিতা এবং নেতিবাচক রাজনীতির কারণে তাদের অনেক নেতাকর্মী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে। ক্ষমতায় থাকতে যেমনি অনিয়ম ও দুর্নীতিতে তারা নিমজ্জিত ছিলো তেমনি সরকার বিরোধী রাজনীতিতে থেকেও তারা সুবিধাবাদীতায় নিমজ্জিত।

বিএনপির একগুঁয়েমি ও মুখোশ পরা অপকৌশলের জন্য ইতিমধ্যে জোট সঙ্গীরাও দল ছাড়তে শুরু করেছে। মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে তাদের রাজনীতির যে খেলা, তা জোট সঙ্গীরাই এখন ফাঁস করে দিচ্ছেন। বিরোধী দল হিসেবে চরমভাবে ব্যর্থ বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে নানারকম বাক্যবাণে কর্মীদের চাঙা রাখার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।

-সংবাদ সম্মেলন,সচিবালয়।

 

ড. হাছান মাহমুদ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

আজকে আমরা দেখতে পেলাম, বেগম খালেদা জিয়াও টিকা নিচ্ছেন। তার দলের নেতারা এই টিকা নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিলেন। আর সেই নেতারাই পরে টিকা নিয়েছিলেন। আজকে বেগম খালেদা জিয়াও টিকা নিচ্ছেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই এবং তিনি যেন টিকা গ্রহণ করে পুরোপুরি সুস্থ থাকেন, করোনা মহামারি থেকে মুক্ত থাকেন, সেটিই আমরা প্রত্যাশা করি, সেটিই আমরা বিধাতার কাছে প্রার্থনা করি।

তবে আপনারা টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিলেন, এখন বেগম খালেদা জিয়াসহ সবাই যখন টিকা গ্রহণ করছেন, অতীতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য জাতির কাছে আপনাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে জনগণ মনে করে।

অ্যাস্ট্রাজেনিকার যে টিকা ইউরোপের মানুষও নিচ্ছে সেই টিকা দেশে আনার সময় বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সেটা কোনো কাজ করবে না, এমনকি এটা নিলে স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্ভাবনা আছে -একথা বলে তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালিয়েছে।

পরবর্তীতে দেখতে পেলাম তারাই আবার টিকা নিলেন, কেউ কেউ গোপনে আবার কেউ কেউ প্রকাশ্যে। আবার কেউ কেউ বললেন এই টিকা নিয়ে খুব আরামবোধ করছেন। ইতোমধ্যেই বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের বেশির ভাগই টিকা গ্রহণ করেছেন। কেউ কেউ প্রথম ডোজ নিয়েছেন, কেউ কেউ দ্বিতীয় ডোজও নিয়েছেন, সরকারের কাছে সেই তালিকা আছে।

-ধানমন্ডি।


আনিসুল হক
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী

করোনাকালে বিরোধী দলকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখিনি।

আমরা কিন্তু এককভাবে এটাকে সামলাতে পারবো না। আমরা যদি পরিবারগতভাবে এক সঙ্গে না হই তাহলে সামলাতে পারবো না।

শেখ হাসিনার সাহসিকতায় আমরা করোনার বড় ধরনের প্রভাব থেকে রক্ষা পাচ্ছি।

তিনি সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

-ভার্চুয়াল।


খালিদ মাহমুদ চৌধুরী
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

করোনায় বিশ্বের অর্থনীতিতে ধ্বস নেমেছে, কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনা তেমন কোনো আঘাত করতে পারেনি। দেশের উন্নয়ন সমানতালে এগিয়ে চলছে। যারা পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিল তারা দেখুক এই করোনার মধ্যেও পদ্মা সেতুর কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

করোনাকালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সমস্যা হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশে তা হয়নি। করোনায় বিশ্বের অর্থনীতিতে ধ্বস নেমেছে, কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবন ও জীবিকার যে তত্ত্ব দিয়েছেন তা সমগ্র পৃথিবীতে প্রশংসিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো ডায়নামিক নেতৃত্বদানকারী নেতা পৃথিবীতে আর নেই; বড় দেশ থাকতে পারে, বড় সম্পদশালী থাকতে পারে, কিন্তু বড় নেতৃত্বদানকারী নেতা নেই। তাই এই মঞ্চ থেকে আল্লাহর কাছে প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা, মঙ্গল ও দীর্ঘজীবন কামনা করছি।

-দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে।


ড. শামসুল আলম
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নতুন প্রতিমন্ত্রী

১৯৭৩-৭৪ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করি, তখন মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম।

আমাকে প্রধানমন্ত্রী যে মর্যাদা দিয়েছেন, আমি তার প্রতিদান দেব। আমি দীর্ঘদিন স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছি। এ স্বচ্ছতা অক্ষুণ্ন রাখব।

-সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, মন্ত্রণালয়।


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মহাসচিব, বিএনপি

২১ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে সারাদেশের মানুষকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, দেশবাসীকে ঈদ মুবারক জানাচ্ছি।

আমি এই ভয়ঙ্কর দুঃসময়ে করোনায় যারা মারা গেছেন তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং যারা এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন তাদের সুস্থতা কামনা করছি। আপনারা সবাই যাতে সুস্থ থাকেন সেই দোয়া আমি করছি।

-সংবাদ সম্মেলন।


ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি

গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে দিনে মাত্র সাত টাকা খরচে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ।

আজকের বাংলাদেশ আপনারা বাঁচিয়ে রেখেছেন। আপনাদের পরিশ্রমে, আপনাদের কষ্টে আমরা শার্ট-প্যান্ট পরি, গাড়ি-ঘোড়ায় চড়ি। আমরা আপনাদের শিশুদের সুস্থতা চাই।

সবার জন্য বিশেষ গণস্বাস্থ্য বীমা করা হয়েছে। যেখানে সাত টাকা খরচ করে আপনাদের সব চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

আপনাদের কারও যদি অসুখ হয় তাহলে পুরো মাসের সঞ্চয় শেষ হয় যায়। সে জন্য আমরা স্বাস্থ্য বীমা করেছি। মাসে ২০০ টাকা, অর্থাৎ দিনে সাত টাকা। এই টাকা দিয়ে ডাক্তারের চিকিৎসা পাবেন, অস্থায়ী ওষুধ পাবেন, হাসপাতালে ভর্তি হলে পয়সা (টাকা) লাগবে না।

-যাত্রাবাড়ি।


আ স ম আবদুর রব
সভাপতি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)

আত্মত্যাগের বার্তাকে লালন করার মধ্য দিয়েই ঈদের আনন্দকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। চরম দারিদ্র সীমারেখার নিচে বসবাসকারী কয়েক কোটি মানুষের ঈদ নুন্যতম আনন্দঘন করার জন্য তাদের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি দাবি জানাই।

-বিবৃতি।