আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা ২৪
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ ১৫ সেপ্টেম্বর। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ২০০৭ সালে সদস্যভুক্ত দেশগুলোতে গণতন্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি এবং গণতন্ত্র চর্চাকে উৎসাহিত করার জন্য প্রচলিত একটি বিশেষ দিন পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এর পর থেকেই প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালিত হয়ে আসছে। চলতি বছর জাতিসংঘ দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে 'ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা'।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, করোনা মহামারির গত ১৮ মাসের ভয়াবহতা আমাদের শিখিয়েছে ভবিষ্যতে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় গণতান্ত্রিক চর্চায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। প্রমাণ হয়েছে, মানবজাতির সামনে জরুরি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সুশাসন চর্চাই সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ। তিনি বলেন, নাগরিক অধিকারের যথাযথ সুরক্ষা ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান ছাড়া গণতন্ত্র বিকশিত হয় না এবং বাঁচে না।

করোনা থেকে যথাযথ শিক্ষা গ্রহণের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে যে কোনো সংকটে মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষায় গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, গণতান্ত্রিক উৎকর্ষ সাধনে প্রতিবন্ধক নানা আইন ও নীতি কাঠামোর মাধ্যমে এখনো ভয়হীন, মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার সংকুচিত করা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন নিবর্তনমূলক আইনের মাধ্যমে গণমাধ্যম ও জনগণের সমালোচনা এবং রাষ্ট্রীয় স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে অবাধে কথা বলার অধিকার বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। এগুলো সব ক্ষেত্রে শুদ্ধাচার নিশ্চিত করতে নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে। অবিলম্বে এসব বাধা অপসারণ করে জনগণের পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রদানে সব ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধাচার নিশ্চিত করতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবৃতিতে বলেছেন, কেবল গণতন্ত্রই শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে।