খাদ্যপণ্য-কসমেটিকসের হালাল সার্টিফিকেট দেবে বিএসটিআই



নিউজ ডেস্ক, বার্তা ২৪
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে খাদ্যপণ্য এবং কসমেটিকসের হালাল সার্টিফিকেট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের মান নিয়ন্ত্রণকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বিএসটিআই বলছে, প্রাথমিকভাবে খাদ্যপণ্যের হালাল সার্টিফিকেট দেয়ার বিষয়টিকেই অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কসমেটিকস পণ্যকে হালাল সনদ দেয়া হবে।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেনে বলা হয়, দেশের বাজার এবং রপ্তানির কথা চিন্তা করে হালাল পণ্যের সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা নিয়েছে বিএসটিআই। প্রতিষ্ঠানটির সার্টিফিকেশন মার্কস উইং এর উপপরিচালক রিয়াজুল হক বলছেন, খাদ্যপণ্য এখন বিভিন্ন ইসলামী দেশে রপ্তানি হচ্ছে এবং ওই সকল দেশে হালাল পণ্যের একটা চাহিদা থাকে। এ কথা মাথায় রেখেই তারা বিএসটিআই হালাল সনদ দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

রিয়াজুল হক বলেন, আমরা যেহেতু পণ্যের মান সনদ দিচ্ছি, পাশাপাশি আমরা যদি হালাল সনদ প্রণয়ন করি তাহলে কোনো প্রতিষ্ঠান একই জায়গা থেকেই দুটি সনদ পেয়ে যাবে, তাদের কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। এর ফলে দেশি এবং আন্তর্জাতিক উভয় বাজার সুফল পাবে। একটা পণ্য হালাল কিনা সেটা বিদেশিদের দেখার যেমন অধিকার রয়েছে আমাদেরও তেমন রয়েছে, আমরাও দেখবো‍।

বিএসটিআইতে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি রয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান হালাল সার্টিফিকেট নিতে চান তাদেরকে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন বা বিএসটিআই এর ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার থেকে ফরম নিতে হবে। সেখান থেকে আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

রিয়াজুল হক বলেন, আমাদের ল্যাবরেটরিগুলো এক্রিডিটেড, আমরা তাদের পণ্য পরীক্ষা করবো। এখানে যারা কাজ করবেন তারা উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। সুতরাং আমাদের যে সনদটা দেয়া হবে সেটা অনেকটাই অথেনটিক হবে।

তিনি বলেন, পণ্যের মানের যেমন স্ট্যার্ন্ডাড রয়েছে সেটা অনুসরণ করেই আমরা তাদের মান সনদ দিয়ে থাকি। একই রকম হালাল পণ্যেরও বাংলাদেশে কিছু মান রয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান যখন আমাদের কাছে আবেদন করবে তখন আমরা সেই স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে পরিদর্শন, পরীক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক সকল কার্যক্রম সেই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী অনুসরণ করবো। সেটা আন্তর্জাতিক স্ট্যার্ন্ডার্ডের হবে।