‘দয়া করে মানুষকে ডেঙ্গু দিয়ে আর হত্যা করবেন না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও নিহতদের ব্যবহৃত স্মৃতি চিহ্ন প্রদর্শনী

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও নিহতদের ব্যবহৃত স্মৃতি চিহ্ন প্রদর্শনী

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী ও নিহতদের ব্যবহৃত ‘স্মৃতি চিহ্নে’র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় সিটি করপোরেশনের দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, দয়া করে মানুষকে ডেঙ্গু দিয়ে আর হত্যা করবেন না।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করে সচেতন নাগরিক সমাজ।

অনুষ্ঠানে জুরাইনের বাসিন্দা মিজানুর রহমান (যিনি ডিএসসিসি মেয়রকে লার্ভা ও ওয়াসা এমডিকে শরবত উপহার দিয়ে আলোচিত হন) বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাদের (সিটি করপোরেশনের) যে দায়-দায়িত্ব ছিলো তা করেনি। কথা ছিলো মেয়র ও কাউন্সিলরা ডেঙ্গু নিয়ে ১২ মাস কাজ করবেন। কিন্তু সেটি হয়নি। এরপরেও দায়িত্বশীলরা যখন বলেন, ডেঙ্গু নেই। ডেঙ্গু হয়নি। তখন মানুষের মধ্যে একটা সাদামাটা ভাব চলে আসে। তারা নিশ্চিন্তে থাকেন।

তিনি বলেন, শুধু জুরাইনে ৯ জন মারা গেছেন। হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। আমার জানামতো এর সংখ্যা আরও বেশি। একটি ওয়ার্ডে যদি এই অবস্থা হয় তাহলে বুঝে নিন সারা ঢাকার অবস্থা কেমন। যারা মারা যাবে তাদের দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশন নিজেই তো সচেতন নয়। ড্রেনে ময়লা কিংবা পানিতে এডিস আছে কিনা তার খোঁজ রাখে না। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য তাদের প্রধান অবলম্বন জরিমানা করা। ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে টাকা পয়সার বিনিময়েও অনেক সময় হয়রানি করা হয়। আমরা বলতে চাই- মানুষকে এভাবে ভয় দেখিয়ে মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। মানুষকে আস্থায় নিতে হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, আমরা নগর কর্তৃপক্ষকে সচেতন করতেই আজ এই উদ্যোগ নিয়েছি। নগর ভবনে যে জাদুঘর রয়েছে সেখানে যদি এই জিনিসপত্র গুলো সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে নগরবাসী ও নগর ভবন সচেতন হবে।

এসময় তিনি মেয়রকে আহ্বান রেখে বলেন, আপনি জুরাইনে আসুন। দেখুন হাজার হাজার আক্রান্ত কি না। মানুষ মরেছে কিনা। মশক নিধন কাজ ঠিক মতো হচ্ছে কিনা।

মিজানুর রহমান বলেন, আমার এলাকা নিচু এলাকা। এটা তো জনগণ করেনি। আজ দেশের আইন আদালতের প্রতি বহু মানুষের আস্থা-বিশ্বাস নেই। যদি আস্থা থাকতো তাহলে সিটি করপোরেশনের বিরুদ্ধে মামলা করে দিতাম। কারণ আমার এলাকায় হাজার হাজার বাড়ি ঘর নিচু ভূমিতে পরিণত হওয়ার প্রধান কারণ সিটি করপোরেশন। এলাকায় অনেক জলাবদ্ধতা। আমরা বহুবার কাজ করে সিটি করপোরেশনকে দেখিয়েছি ড্রেনেজ সিস্টেম যদি ঠিক মতো কাজ করে তাহলে এলাকায় জলাবদ্ধতা থাকে না।

ডেঙ্গুর জন্য তারা জনগণের অসচেতনতাকে দায়ী করে। হ্যাঁ, জনগণ যদি সচেতন হতো তাহলে আপনারা এই চেয়ারে আসতে পারতেন না। মানুষ সচেতন না বলেই আপনি চেয়ারে বসে আছেন। নানা উপায়ে টাকা পয়সা কামাচ্ছেনা। আমরা সচেতন না বলে দয়া করে মানুষকে ডেঙ্গু দিয়ে আর হত্যা করবেন না।

অনুষ্ঠানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মেয়ের কথা উল্লেখ করে পলাশ নামের অপর এক ব্যক্তি বলেন, আমার মেয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। আমার বাড়ির আশপাশে ময়লা জমে থাকে। বাসায় দুই পাশে ওষুধ দেওয়া হয় না। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো ওষুধ ছিটানো হয়। আমার মাও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে।

সেলুন ব্যবসায়ী রনজিত বলেন, আমি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর সাত দিন হাসপাতালে ছিলাম। আমার অনেক টাকা খরচ হয়েছে। ঋণ করেই আমি চিকিৎসা খরচ ব্যয় করেছি। এই ব্যাপারে সিটি করপোরেশন সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি।

   

দেশের উন্নয়ন-শান্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে- সাংগ্রাই উৎসবে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি বলেছেন, দেশের শান্তি ও উন্নয়নের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের জন্য আমাদের শপথ হবে, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে ও দেশের উন্নয়নে যেন আমরা প্রত্যেকে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নের জন্য আলাদা বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি থাকার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে এরকম অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাঙামাটি মারি স্টেডিয়াম মাঠে মারমা সংস্কৃতি সংস্থা (মাসস) আয়োজিত মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই উৎসবের জলকেলি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি এসব কথা বলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জনসংযোগ কর্মকর্তা, মো. রেজুয়ান খানের সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে জানানো হয়, জলকেলি উৎসব অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার, এমপি। এ অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াশিকা আয়েশা খান, এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি বলেন, বৈসাবি একটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান। বৈসাবি উৎসব পার্বত্য চট্টগ্রামে নতুন নয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে এ উৎসব। এটা শুধু সাংস্কৃতিক উৎসবই নয়, এটাতে ধর্মীয় অনুভুতিও জড়িত।

তিনি বলেন, এদিন বয়োঃজ্যেষ্ঠদের কাছ থেকে আশীর্বাদ চাওয়া হয়। তাই, এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসবের পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসবও।

বঙ্গবন্ধুর চিন্তাধারার কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল, সব ভাষাভাষী ও সব ধর্মের লোক সম্প্রীতির ঐক্যের বন্ধনে একই ছাতার নিচে বসবাস করবেন। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। লক্ষ্য একটাই- বাংলাদেশের জাতি, সব ভাষাভাষী গোষ্ঠী, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে যেন ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, রাঙামাটিতে আজকের এই জলকেলি উৎসব অনুষ্ঠান প্রমাণ করে আমরা শান্তি চাই! সম্প্রীতি চাই! ঐক্য চাই! তাই, দেশের কল্যাণে যা যা করা প্রয়োজন, সবাইকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে সে কাজ করতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের উন্নয়নের মূল স্রোতধারার সঙ্গে শামিল করার ক্ষেত্রে সবাইকে অনন্য ভূমিকা রাখার প্রতিও আহ্বান জানান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল।

সাংগ্রাই উৎসবের শুরুতেই প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা মারমা তরুণ-তরুণীদের গায়ে পানি ছিটিয়ে জলকেলির সূচনা করেন। জলকেলির পর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মারমা শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মারমা সংস্কৃতি সংস্থা (মাসস) সভাপতি অংসুইপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য জ্বরতী তঞ্চঙ্গ্যা, পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী’র সহধর্মিনী প্রধান শিক্ষক মল্লিকা ত্রিপুরা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার সোহেল আহমেদ, বিজিবি রাঙামাটি সদর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার লতিফ খান, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান, রাঙামাটির পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, বিপিএম (বার), রাঙামাটি সদর পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, দুদক রাঙামাটির উপপরিচালক জাহিদ কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াশিকা আয়েশা খান, এমপি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাংগ্রাইয়ের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যবোধ ও স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে পাহাড়ে সবাই যেন ভালো থাকেন।

জলকেলি উৎসব উদ্বোধন করতে গিয়ে রাঙামাটির সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার, এমপি বলেন, সাংগ্রাই উৎসব শুধু মারমা সম্প্রদায়ের নয়, এই উৎসব সবার। এ উৎসব এ এলাকায় বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের উৎসবে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, মারমা সম্প্রদায়ের মানুষেরা পুরনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সাংগ্রাইয়ের এই জলকেলি উৎসব উদযাপন করেন। মারমা তরুণ-তরুণীরা এই জলকেলি উৎসবের মাধ্যমে একে অপরকে পানি ছিটিয়ে পুরনো বছরের গ্লানি, দুঃখ, অপশক্তিকে দূর করে ধুয়ে-মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানান।

;

অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনিবন্ধিত ও অবৈধ নিউজ পোর্টাল বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের দাবির সঙ্গে একমত বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। এ বিষয়ে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এছাড়া নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিজ্ঞাপন নীতিমালাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা শিগগিরই বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।’ প্রতিবছর অনলাইন নিউজ পোর্টালের নবায়ন বাদ দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সরকার গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি করতে চায় না। তবে সাংবাদিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশনের দাবির সাথে আমি একাত্মতা প্রকাশ করছি যে একটা শৃঙ্খলা আনা দরকার। যেহেতু নিবন্ধনের একটি প্রক্রিয়া আছে সে প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা খুবই জরুরি। দায়িত্বশীল সাংবাদিক ও সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত অনলাইন গণমাধ্যমকে প্রণোদনা ও সমর্থন দেওয়ার প্রয়োজন আছে, এ বিষয়ে আমি আপনাদের সাথে একমত।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরাই বলছেন শৃঙ্খলার জন্য নজরদারি দরকার। গণমাধ্যম এতটাই মুক্ত ও স্বাধীন যে নিবন্ধন ছাড়াও তারা চলছে এবং নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের কথা পেশাদার সাংবাদিকরাই বলছেন। এটা প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার মুক্ত গণমাধ্যম এবং গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তবে অবাধ স্বাধীনতার কারণে কিছুটা শৃঙ্খলার অভাবও হয়ে যাচ্ছে।

আরাফাত বলেন, অনিবন্ধিত পোর্টালগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মানহানিকর অপতথ্যের বিস্তার হয়। এ অপতথ্যের বিস্তার অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের ছাড়াও বিভিন্ন পেশাদার সাংবাদিকদের পীড়া দেয় বলে বিভিন্ন সময় তারা জানিয়েছেন। এটা খুব ভালো দিক যে, আমাদের সাংবাদিকরা চাচ্ছেন গণমাধ্যমে একটা শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার বিকাশ। এখানে সরকার পূর্ণাঙ্গভাবে সাংবাদিকদের সাথে একমত।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণে নয় বরং স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে, নজরদারিতে নয় বরং দায়িত্বশীলতায় বিশ্বাস করে। আমরা মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করি। অপতথ্যের বিস্তৃতি, গুজব ও অপপ্রচার সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম, গণতন্ত্র সবকিছুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সকলের স্বার্থে এগুলো রোধ করার জন্য সরকার ও গণমাধ্যমের একটি অংশীদারিত্ব দরকার।

গণমাধ্যমের বিজ্ঞাপন নীতিমালাসহ অন্যান্য নীতিমালা সময়োপযোগী ও আধুনিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।

মতবিনিময় সভায় অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশন (ওনাব) সভাপতি মোল্লাহ এম আমজাদ হোসেন, সহসভাপতি লতিফুল বারী হামিম ও সৌমিত্র দেব, যুগ্ম সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ও আশরাফুল কবির আসিফ, কার্যনির্বাহী সদস্য নজরুল ইসলাম মিঠু, তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, রফিকুল বাসার, হামিদ মো. জসিম, মহসিন হোসেন, অয়ন আহমেদ ও খোকন কুমার রায় উপস্থিত ছিলেন।

;

পঞ্চাশোর্ধ ‘তরুণ-তরুণীদের’ বাধনহারা একটি দিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
পঞ্চাশোর্ধ ‘তরুণ-তরুণীদের’ বাধনহারা একটি দিন

পঞ্চাশোর্ধ ‘তরুণ-তরুণীদের’ বাধনহারা একটি দিন

  • Font increase
  • Font Decrease

 

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি গলফ ও কান্ট্রি ক্লাব। এর মিলনায়তনে মঞ্চে গান গাইছিলেন সন্দ্বীপন দাস, রন্টি দাস ও অনন্যা। আশির দশকের জনপ্রিয় গানগুলি তাদের কণ্ঠে অন্যরকম আমেজ দিচ্ছিল। একই সঙ্গে ফোক গান ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানও গাইছিলেন তারা। এ সময় মঞ্চের সামনে ছিলেন ৫৪ থেকে ৫৬ বছর বয়সী কিছু ‘তরুণ-তরুণী’। শিল্পীদের গানের পাশাপাশি তারা কণ্ঠ মেলাচ্ছিলেন আর নাচছিলেন।

আসলে অনুষ্ঠানটি ছিল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে এইচএসসি পাস করাদের পূনর্মিলনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপনের। ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠানটি হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত যারা ছিলেন তাদের মধ্যে উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা, আমলা, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শীর্ষ ব্যবসায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতাসহ নানা পেশায় প্রতিষ্ঠিতজনেরা। স্বাভাবিক সময়ে তারা নিজেদের পেশা ও বয়সের কারণে অনেকটায় গম্ভীর থাকেন। নিজেদের আড়ালে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু এদিন সহপাঠীদের পেয়ে তারা যেন হয়েছিলেন বাধনহারা। যেন ফিরে গিয়েছিলেন তারুণ্যে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া বন্ধুদেরমধ্যে অনেকের সঙ্গে অনেকের যোগাযোগ ছিল। তারা কুশল বিনিময়ের সঙ্গে আড্ডায় মেতেছেন। আবার অনেকের সঙ্গে দেখো হয়েছে ৩৭ সছর পর। কলেজ শেষ হওয়ার পর দেখা না হওয়া অনেককেই ফিরে পাওয়া গেছে অনুষ্ঠানে। নষ্টালজিক হয়ে পড়েন সবাই। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও উপভোগ করেছেন বয়সী তরুণদের এই উল্লাস।

উল্লাস আর হৈচৈ দেখে একজনের কন্যা বলে উঠে,‘‘ বাবার বন্ধুরা খুবই কিউট। সবাই স্মার্ট আর প্রতিষ্ঠিত। খুবই ভাল লাগছে।”

আরেকজনের মুখে শোনা গেল, ‘’ বাবার এই চেহারা আগে কখনো দেখিনি। বাবা হই-হুল্লোড় করেন কিংবা দলবেঁধে নাচতে পারেন সেটা আমার ধারণার বাইরে ছিল।

পেশাগত কারণে রাজশাহী অবস্থান করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক কষ্ট নিয়েই বন্ধুদের বলেছেন, ‘‘না-ই বা পারলাম উপস্থিত থাকতে, তবুও অনুষ্ঠানটা যে সুন্দর ও সার্থক হয়েছে, তা ছবি আর ভিডিওতে দেখে আনন্দিত হয়েছি। হয়তো ভবিষ্যতে এরকম কোন আয়োজনে আমিও শরীক হতে পারবো।”

সারা দিনের অনুষ্ঠানটিতে ছিল স্মৃতিচারণ, আড্ডা, গান আর খাওয়া দাওয়া তো ছিলই। ভাটিয়ারি গল্ফ ক্লাবের নান্দনিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ সবাই প্রচন্ড গরম ঠেলেও মেতেছিলেন ছবি তোলার উৎসবে। বিকেল সাড়ে চারটায় ‘‘এসো হে বৈশাখ’’ গানটি দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

;

চিড়িয়াখানায় হাতির আক্রমণে নিহতের পরিবারের পাশে এমপি নিখিল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ-উল-ফিতরের দিন রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় হাতির আক্রমনে নিহত বালক জাহিদের (১৭) পরিবারেকে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন নিখিল।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানা এলাকা পরিদর্শন শেষে নিহতের পরিবারের কাছে এই আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন তিনি।

এ সময় দুর্ঘটনার শিকার পরিবারকে শান্তনা দেন মো. মাইনুল হোসেন নিখিল। একই সাথে চিড়িয়াখানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা ও এলাকার যানজট নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ঈদের দিনে বাবা ও ছেলে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় শেষে ছেলেকে চিড়িয়াখানা ঘুরতে নিয়ে যান আজাদ আলী। মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানার মাহুত আজাদ আলীর একমাত্র ছেলে ছিল জাহিদ (১৭)। সেখানে বেলা ১১টার দিকে হাতি ‘রাজা’-এর আক্রমণে প্রাণ হারায় জাহিদ।

;