ধর্মীয় আদর্শের মাধ্যমে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ইমামদের এগিয়ে আসার আহ্বান



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ধর্মীয় আদর্শের মাধ্যমে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ইমামদের এগিয়ে আসার আহ্বান

ধর্মীয় আদর্শের মাধ্যমে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ইমামদের এগিয়ে আসার আহ্বান

  • Font increase
  • Font Decrease

যেকোন পরিবেশগত সমস্যা বিশেষকরে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক মানসিকতা ও নৈতিক আচরণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের নৈতিক শিক্ষা প্রসারে ইমামসাহেবগণ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ইমাম সাহেবদের ভূমিকা বিষয়ে সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) রংপুর জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত প্রশিক্ষণে উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল ওয়াহাব।

তিনি আরো বলেন, সৃষ্টির ক্ষতি হয় এমন কাজ সেহেতু ইসলাম সমর্থণ করেনা সেহেতু শব্দদূষণের মতো ক্ষতিকর বিষয়ে ধর্মীয় আদর্শের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর রেঞ্জ এর ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য বিপিএম, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবীর। প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন রংপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ আসিব আহসান।

কর্মসূচির প্রথমে স্বাগত বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবীর প্রকল্পের সার্বিক বিয়য় তুলে মন্তব্য করেন দেশের যেকোন সংকটে ইমাম সাহেবদেv গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার প্রসার, জঙ্গীবাদ ও মাদকের মতো ক্ষতিকর বিষয় নিয়ন্ত্রণের যে ভূমিকা রয়েছে তেমনি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও আন্তরিকতার সহিত এগিয়ে আসবেন এই প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রংপুর রেঞ্জ এর ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য বিপিএম সময় উপযোগী একটি প্রকল্প গ্রহণের জন্য প্রকল্প পরিচালক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কিছু বিষয় আছে যেমন শব্দদূষণ যা কেবল আইন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও মূল্যবোধের বিকাশ। নৈতিক শিক্ষা বৃদ্ধিতে ইমাম সাহেবগণ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। সভাপতি জেলা প্রশাসক মহোদয় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে তার আন্তরিক উদ্যোগের কথা ব্যাক্ত করেন।

তিনি বলেন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক ঘোষিত নীরব এলাকা বাস্তবায়নে আরো বেশি প্রচারণা করা হবে।

কর্ম অধিবেশন পর্বের প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবার পরিকল্পনার বিভাগীয় পরিচালক মোঃ মাহাবুব আলম মন্তব্য করেন ইমাম সাহেবগন সমাজের সম্মানীত ও নেতৃত্ব পর্যায়ের মানুষ। ফলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ইমামগণই মানুষকে বেশি সচেতন করতে পারেন।

রংপুর মেডিকেল কলেজের নাক,কান ও গলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা: মোঃ আহসানুল হাবিব শব্দদূষণের স্বাস্থ্যগত ও মানসিক ক্ষতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, দিন দিন এবিষয়ে রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আলোচনায় সকল ইমাম সাহেব তাদের নিয়মিত কর্মকান্ডে শব্দদূষণ না করা ও মানুষকে এর ক্ষতিকর দিক বিষয়ে সচেতন করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।