‌ধর্ম নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

অসাম্প্রদা‌য়িক চেতনায় গড়ে ওঠা বাংলাদেশে ‌ধর্ম নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করে। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ তার ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুক্ত হন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, সব ধ‌র্মের মানুষ তার ধর্ম পালন কর‌বে স্বাধীনভা‌বে। আমা‌দের সং‌বিধা‌নেও সেই নি‌র্দেশনা দেওয়া আছে। ইসলাম ধ‌র্মেও নবী ক‌রিম (সা.) ব‌লে‌ছেন যে ধর্ম নি‌য়ে বাড়াবা‌ড়ি ক‌রো না। কা‌জেই সেই বাড়াবা‌ড়ি যেন কেউ না ক‌রে, সেটাও আমরা চাই। ‌এদে‌শের সব মানুষ যেন শা‌ন্তি‌তে বসবাস কর‌তে পা‌রে, সেটাই আমা‌দের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, আমি চাই যে প্রত্যেকটা মানু‌ষের জীবন যেন সুন্দর হয়, উন্নত হয়। প্রত্যেকটা মানুষ যেন তার অন্ন-বস্ত্র পায়, উন্নত জীবন পায়, যেটা জা‌তির পিতার স্বপ্ন ছিল। সেটা যেন আমরা পূরণ কর‌তে পা‌রি।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, খুনিদের প্রতি খালেদা জিয়ার এই যে পক্ষপাতিত্ব এটার কারণটা কী? কারণটা খুব স্পষ্ট। কারণ, খুনি মোশতাকের সঙ্গে জিয়াউর রহমান সম্পূর্ণভাবে এই খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই রাসেলকে সর্বশেষে হত্যা করা হয়। বলা হয়েছিল, ওই ছোট্ট শিশুটি যেন না বাঁচে। এই নির্দেশটা কে দিয়েছিল? কারা দিয়েছিল? সব শেষে, সবচেয়ে এটাই কষ্টের।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপ‌তিমণ্ডলীর সদস্য ম‌তিয়া চৌধুরী, মো.আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর ক‌বির নানক, আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সম্পাদক আ ফ ম বাহাউ‌দ্দিন না‌ছিম, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সু‌জিত রায় ন‌ন্দী, ম‌হিলা বিষয়ক সম্পাদক মে‌হের আফ‌রোজ চুম‌কি, ‌কেন্দ্রীয় ক‌মি‌টির সদস্য মোফাজ্জল হো‌সেন চৌধুরী মায়া, ঢাকা মহানগর দ‌ক্ষিণ আওয়ামী লী‌‌গের সভাপ‌তি আবু আহ‌মেদ মান্না‌ফি, মহানগর উত্তর আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান ক‌চি বক্তব্য রা‌খেন।