আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস ভাঙচুর, আহত ১০



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার শিবগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে নৌকা মার্কার কর্মী সমর্থকরা বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করেছে। এসময় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টায় শিবগঞ্জের বিহার ইউনিয়নের বিহার হাটে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিহার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলামের নামে নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থী যুবলীগ নেতা মতিউর রহমান মতিনের নামে মোটরসাইকেল প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। বুধবার প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারে মাঠে নামেন। সন্ধ্যার পর উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ রিজু প্রায় ১০০ মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে বিহার হাট এলাকায় মোটরসাইকেল প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী সভা করেন। রাত ৮টার দিকে নৌকা মার্কার কর্মী সমর্থকরা মোটরসাইকেল মার্কার একটি নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। এসময় সেখানে রাখা কমপক্ষে ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। নৌকা মার্কার কর্মীদের হামলায় মোটরসাইকেল মার্কার কমপক্ষে ১০ জন কর্মী সমর্থক আহত হয় বলে দাবি করেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী মতিউর রহমান মতিন।

আহতদের মধ্যে হারুন (৩৫) ও জুয়েলকে (৩৬) শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ সেখান থেকে ফেরার সময় মোটরসাইকেল মার্কার কর্মী সমর্থকরা হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে পুলিশের গাড়ির সামনে অবস্থান নেয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ চারজনকে আটক করে।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সেখানে বহিরাগতদের নিয়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী সভায় উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বর্তমানে বিহার হাট এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণ আছে।