করোনাকালে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ছিল বিশ্বে অনুকরণীয়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা মহামারির মহাসংকটকালে বিশ্ব অর্থনীতি যখন স্তিমিত তখন শেখ হাসিনা জীবন ও জীবিকার সমন্বয় করে দেশকে যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তা বিশ্বে অনুকরণীয়। শিল্প- কারখানা, গার্মেন্টস সহ অর্থনৈতিক বিভিন্ন সেক্টরে তার সাহসী সিদ্ধান্ত দেশকে স্বল্প উন্নত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সাহায্য করেছে। যা ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভ্যাকসিন সংগ্রহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পলিসি এবং দক্ষতা সারা দুনিয়ায় প্রশংসিত হয়েছে।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ কমিটি আয়োজিত ‘করোনাকালীন শিল্প ও বাণিজ্য উন্নয়নে শেখ হাসিনার ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ কমিটির চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। উপ কমিটির সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমানের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি ও ডি-৮ সিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমদের প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশে প্রশংসিত প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি একজন বিশ্বের প্রশংসিত প্রধানমন্ত্রী। একজন রাজনীতিবিদ পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে ভাবে আর শেখ হাসিনা পরবর্তী জেনারেশন নিয়ে ভাবেন।

দেশের অবকাঠামো খাতে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদেক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৩ বছর আগে কি ছিলো বাংলাদেশ? আজ বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে দিয়েছেন শেখ হাসিনা তার ম্যাজিক্যাল লিডারশিপ দিয়ে। আজকে পাহাড়েও রাস্তাঘাটের চেহারা পাল্টে গেছে। আগামী বছর মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

দেশের ছোট ছোট বিষয় থেকে শুরু করে বড় বিষয়গুলো শেখ হাসিনা ধৈর্য ধরে সিদ্ধান্ত দেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এতো পরিশ্রম উনি কিভাবে করেন তার আমি মাঝে মাঝে ভেবে পাই না। বাংলাদেশের মানুষের জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সেজন্য নিউইয়র্ক টাইমস বলে, দারিদ্র বিমোচন করতে হলে বাংলাদেশের দিকে তাকাও।

এ সময় পাকিস্তানের চেয়ে সব সূচকে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে কাদের বলেন, বাংলাদেশের রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন প্লাস। আর পাকিস্তানের রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন। আজকে আমাদের গড় আয় ৭৩, পাকিস্তানের ৬৭। বাংলাদেশের এক টাকা সমান পাকিস্তানের ১ রুপি ৮৪ পয়সা সমান। কার ম্যাজিক্যাল লিডারশিপে এটা হলো? তিনি শেখ হাসিনা।

শিল্পমন্ত্রী অ্যাড.নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর একমাত্র চাওয়া ছিল দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি, যেটা তারই মেয়ে অলরেডি অর্জন করেছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধু দেশকে পুনর্গঠন করে যে অর্থনীতির স্বপ্ন দেখেছিলেন করোনার মহাসংকটেও আমরা তা অর্জন করতে পেরেছি। যা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর একান্ত প্রচেষ্টায়। আমরা তার নেতৃত্বে করোনার ভয়কে জয় করতে পেরেছি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা যখন ভেবেছিলাম রাস্তাঘাটে, কল কারখানায়, অফিস আদালতে প্লেগ রোগের মত লাশ আর লাশ পড়ে থাকবে। কিন্তু না সারা বিশ্বে প্রশংসা পাওয়া নেত্রী একক প্রচেষ্টায় পৌঁছে গেলেন তৃণমূলের মানুষের কাছে, বাড়িয়ে দিলেন সাহায্যের হাত। সরকার এবং দলের সমন্বয় করে মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। শুরু করে ছিলেন পথ চলা। সারা দেশে প্রতিটি জেলায় জেলায় খবর নিয়েছেন। কোথায় কি সমস্যা খোঁজ নিয়ে সমাধান করেছেন।

যুবলীগের সাবেক এই সভাপতি বলেন, দেশের বাইরে অন্য দেশে যখন লাশের সারি, চার দিকে হাহাকার তখন আমাদের দেশে সে অবস্থা হয়নি, যা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণীয় নেতৃত্বের কারণে।

করোনাকালীন বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রসংশা করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, করোনার ভয়াবহতায় যখন সবাই গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিগুলো বন্ধ করে দিতে বললেন, তখন তার সাহসিকতা পূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল ‘না’ এখন যদি বন্ধ করি তবে পরে কি হবে। খোলা রাখার চেষ্টা কর। প্রধানমন্ত্রী তখন আমাদের টাকা দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন ফলে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, তখন তার ওই সিদ্ধান্তর ফলে বর্তমানে বিশ্বে আমাদের গার্মেন্টস প্রোডাক্টের বাজার ভালো। আজকে আমাদের বাইরে যখন অন্যদের জিডিপি মাইনাস তখন আমাদের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৫.৪৭ শতাংশ যা সারা বিশ্বের কাছে বিস্ময়।

এফবিআইয়ের সাবেক সভাপতি এবং ডি ৮ সিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, করোনা মহামারিতে শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান না আমাদের জীবনের ওপরও নেমে আসে আতঙ্ক। প্রধানমন্ত্রী তখন ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ায়, তাদের মতামত গ্রহণ করে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে। সবশেষে সরকার আমাদের ৩০ হাজার কোটি টাকার ৩ বছর মেয়াদি প্যাকেজ ঘোষণা করে।এছাড়াও করোনার সংকট মোকাবিলায় বিদেশে বাজার ধরে রাখাসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে আমরা আজকে এই করোনার মহামারির মধ্যেও জাতিসংঘ ঘোষিত এলডিসি গ্রাজুয়েশন অর্জন করি।

আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ আমাদের করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন বাধা পেরিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার। এই সরকারের কাছে মালিক শ্রমিক সমান। এই সরকার ব্যবসায়ীদের বলেছে তোমরা ব্যবসা করবা, পলিসি সাপোর্ট দিবে সরকার।

তিনি বলেন, আমাদের রিজার্ভ এখন ৪৮ বিলিয়ন ডলার। আমাদের রফতানি খাত এখন ভালো ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসা বাণিজ্য ভালো ভাবে চলছে, এটা প্রধানমন্ত্রীর অবদান। কোনও ব্যবসায়ী যদি কোন কাজে তার কাছে যায়, যত দ্রুত সম্ভব তিনি তা সমাধান করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে করোনা মহামারির সময়ে অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছেন অতি শিগগিরই আমরা ডেল্টা প্লান বাস্তব রূপ দিতে পারব। এজন্য ব্যবসায়ীদের আরও গতিশীল হতে হবে মত দেন তিনি।

কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর

কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর জয়নাবাদ বাসিন্দাপাড়া এলাকায় আহত একটি হনুমান উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া টিম।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পরে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়া এলাকায় লিটনের বাড়ি থেকে আহত হনুমামটিকে উদ্ধার করা হয়।

বিবিসিএফ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত বাড়োটার সময় লাহিনীপাড়া মীর মোশারফ মোড় সংলগ্ন বিদ্যুৎএর টাওয়ারের উঠতে গিয়ে দুইটি হনুমান আহত হয় এর মধ্যে একটি হনুমান ঘটনাস্থলেই মারা যায় বলে জানায় এলাকাবাসী। বাকি আহত দুইটি হনুমানের মধ্যে একটি শুক্রবার সকালে জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়ায় লিটনের বাড়ির উঠানে এসে অবস্থান নেয়। পরে স্থানীয়রা ও কয়েকটি শিশু মিলে আহত হনুমান কে সেবা দেয়। পরবর্তীতে শনিবার জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়া এলাকার জনগন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিবিসিএফকে খবর দিলে শনিবার সন্ধার পরে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া জেলার সভাপতি দি ফক্স ম্যান শাহাবউদ্দিন মিলন, সাধারণ সম্পাদক পাখি গবেষক এস আই সোহেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক নাব্বির আল নাফিজ ও বন কর্মকর্তা মো: আব্দুল হামিদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত হনুমাটিকে উদ্ধার করেন।

বিবিসিএফ কুষ্টিয়ার টিম লিডার শাহাবউদ্দিন মিলন বলেন, বিকালের দিকে সাংবাদিক এসএম জামাল এর কাছ থেকে জানতে পারি কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ বাসিন্দাপাড়া এলাকায় একটি হনুমান আহত অবস্থায় পড়ে আছে এমন খবর জানতে পেরে সাথে সাথে আমাদের বিবিসিএফ এর টিম ও কুষ্টিয়া বন বিভাগের সদস্যরা সেখানে হাজির হয় এবং আহত অবস্থায় হনুমান টাকে উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় বিবিসিএফ কুষ্টিয়া টিমের সদস্য জয়নুল আবেদিন মুরাদ, বন বিভাগ কুষ্টিয়ার মো. জুয়েল আহম্মেদ, মো. আক্তারুজ্জামান, মো. হাসান আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

;

কুড়িগ্রাম সোনালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তার হঠাৎ মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম সোনালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তার হঠাৎ মৃত্যু

কুড়িগ্রাম সোনালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তার হঠাৎ মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

 

কুড়িগ্রাম সদরের সোনালি ব্যাংক শাখার এক কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র বর্মন(৩৮) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

শনিবার(২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বুকের ব্যাথায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের এক স্বজন ফনি সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত পলাশ চন্দ্র বর্মন সোনালী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম সদর শাখায় প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং তার বাড়ি লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার নওদাবাস এলাকায়।

তার পরিবারের এক সদস্য মৃদুল রায় জানান, বিভিন্ন কারণে পলাশ দীর্ঘদিন থেকে মানসিক চাপে ভুগছিলেন। তবে এর আগে তার হার্টের সমস্যা ছিলোনা। কিভাবে কি হয়ে গেলো আমরা বুঝতে পারলাম না।

আজ রাতেই নিহতের মরদেহ কুড়িগ্রাম থেকে নিজ বাড়ি লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার নওদাবাসে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

;

‘রাজধানীতে আর অপরিকল্পিত নগরায়ন করতে দেওয়া হবে না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীতে আর কোথাও কোনো অপরিকল্পিত নগরায়ন নয়। এক ইঞ্চি জায়গাতেও অপরিকল্পিতভাবে কিছু করতে দেওয়া হবে না। অবৈধভাবে সিটি করপোরেশনের জায়গায় গড়ে উঠা সব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রাজউককে চিঠি দেওয়া হয়েছে, নগরে যাদের অংশীদারত্ব রয়েছে সবাইকে জানানো হয়েছে। আমরা রাজউকের কাছে জানতে চেয়েছি কারা কারা কোন নকশায় বিল্ডিং বানানোর কথা বলে এখন কীভাবে বানিয়েছে তা জানানোর জন্য।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানী পান্থপথের প্লায়ার্স টাওয়ারে আয়োজিত '১৫তম কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক ও জ্যেষ্ঠ পরিকল্পনাবিদের সংবর্ধনা' অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র আতিক বলেন, রাজধানীর বছিলায় খাল দখল করে বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। এটা কী কেউ দেখেনি? যতবড় শক্তিই অবৈধ দখলের পেছনে থাকুক না কেনো, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না ৷

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের যে মহাযজ্ঞ শুরু করেছেন সব কিছু করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে। ২০৪১ সালের বাংলাদেশ, এমন কী ২১০০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে তার রূপরেখাও তিনি প্রণয়ন করে দিয়েছেন।

মেয়র অবৈধ দখলদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, সিটি করপোরেশন অবৈধ দখলের জন্য কাউকে বৈধ নোটিশ দেবে না।

তিনি হাউজিং ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পাসকৃত নকশার বাইরে কোনো কাজ করার চেষ্টা করবেন না। ১/২ কাঠা জায়গা কাউকে বরাদ্দ দেবেন না। এই জায়গা আমাদের দিন, আমরা সাজিয়ে দেব। এতে ওই এলাকার পরিবেশ সুন্দর হবে।

তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পনা আর অবস্থাপনার কারণেই কিন্তু শহর নোংরা হচ্ছে, যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে বলে তিনি জানান।

এ সময় মেয়র আতিকুল ইসলাম সুস্থ সচল আধুনিক ঢাকা নির্মাণের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

;

‘সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

  • Font increase
  • Font Decrease

সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
‌‌
শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, নাগরিক ঢাকার সভাপতি এম নাঈম হোসেন, বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তাশিক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক দুলাল খান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, যে জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি থাকে না, কৃষ্টি থাকে না, যে জাতি ইতিহাস, ঐতিহ্য ধারণ করে না সে জাতি অস্তিত্বহীন হয়ে যায়। এ জন্য আমাদের বাঙালিত্বকে টিকিয়ে রাখতে হবে। বাঙালির অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রয়েছে। যদিও তথাকথিত আকাশ সংস্কৃতি আমাদের অনেক জায়গা বিপন্ন করে দিচ্ছে। সে জায়গা আমাদের শিল্পীদের অভিনয়, গানসহ অন্যান্য নৈপুণ্য দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণীজনদের সম্মানিত করা, সমৃদ্ধ করা আমাদের দায়িত্ব।

মন্ত্রী বলেন, যিনি বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে আকৃষ্ট থাকেন না তার স্বকীয়তা বিপন্ন হয়। বাংলাদেশি নাটক-চলচ্চিত্র অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে বিশ্ব পরিমণ্ডলে। তবে একথাও সত্য হঠাৎ করে ব্যবসার নামে, দ্রুততার সাথে জনপ্রিয়তার নামে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত শিষ্টাচারবর্জিত সৃষ্টিও দেখা যায়। যদিও এগুলোর আয়ুস্কাল স্বল্পসময়ের। বাঙালিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিশেষ করে হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বাংলাদেশ টিকিয়ে রাখতে গেলে সংস্কৃতি বিকাশের, সংস্কৃতির বিপ্লবের কোন বিকল্প নেই। যখনই সংস্কৃতি মুখ থুবড়ে পড়ে তখনই উগ্রতা, জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাই দৃশ্যমান শক্তি প্রয়োগ না করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্রসহ সংস্কৃতির নানা ক্ষেত্রে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করছেন। যতদিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন শেখ হাসিনা দেশে প্রধানমন্ত্রী থাকবেন, ততদিন সংস্কৃতি চর্চার জন্য রাষ্ট্রের সকল পৃষ্ঠপোষকতা থাকবে-যোগ করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও কাহিনীকার ছটকু আহমেদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদকে। এছাড়া সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়

;