চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর পা ভেঙে দিলো সন্ত্রাসীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ভুক্তভোগী ঝুট ব্যবসায়ী মো. খোকন মিয়া/ ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ভুক্তভোগী ঝুট ব্যবসায়ী মো. খোকন মিয়া/ ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সাভারের আশুলিয়ায় এক ঝুট ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে হাতুড়ি পেটা করে দুই পা ভেঙ্গে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা।

শনিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে বার্তা২৪.কমকে এ তথ্য জানান ভুক্তভোগী ঝুট ব্যবসায়ী মো. খোকন মিয়া।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) রাতে আশুলিয়ার গাজিরচট চাড়ালপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী খোকন মিয়া জানান, প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আশুলিয়া থানা এলাকার মো. সিরাজ মিয়ার বাগান বাড়িতে তিনি বসে ছিলেন। এসময় রাজবাড়ী এলাকার হাসান তাকে ব্যবসায়ীক কাজের জন্য বাইপাইল এলাকায় ডেকে নেয়। সেখানে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা মো. গাঊস ও রুমেলসহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী তাকে ঘিরে ফেলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে তাকে গাজিরচট চাড়ালপাড়া এলাকায় ময়লার স্তুপের পাশে নির্জন এলাকায় নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে দুই পা ভেঙ্গে দেয়। এসময় সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে এ এলাকায় ঝুটের ব্যবসা করতে পারবে না বলে হুমকি দেয়। এসময় এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাবিব ক্লিনিকে মুমূর্ষ অবস্থায় ভর্তি করে। ঘটনায় সন্ত্রাসীদের ভয়ে আশুলিয়া থানায় কোন অভিযোগ করেননি ওই ব্যবসায়ী।

ব্যবসায়ী খোকন মিয়া আরও জানান, সন্ত্রাসীরা তাকে এখনও হুমকি দিচ্ছে যে, মামলা করলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলবে।

এ ব্যাপারে হাবিব ক্লিনিকে আহতকে দেখতে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, হাসাপাতালে সন্ত্রাসীদের আনা গোনা দেখে রোগীকে রক্ষা করার জন্য পা দুটি প্লাস্টার করে ঔষধ দিয়ে অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে ডেন্ডাবরের হাসান জানান, কে বা করা ব্যবসায়ী খোকনকে মেরেছে তা সে জানেন না। তবে ব্যবসায়ী খোকন সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন বলে স্বীকার করেন।

উল্লেখ্য, ব্যবসায়ী খোকন মিয়া পূর্বে স্থানীয় প্রভাবশালী সিরাজুল ইসলাম দেওয়ানের ঝুট ব্যবসার ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করতেন। সেখান থেকে চাকরি ছেড়ে নিজে ঝুট কিনে ব্যবসা শুরু করেন। এ ব্যবসাই তার জন্য কাল হয়েছে বলে দাবি করেন খোকনের স্ত্রী।

বাসের ধাক্কায় পল্লী চিকিৎসক নিহত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম,বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাসের ধাক্কায় মটরসাইকেল আরোহী খোরশেদ আলম (৩০) নামে একজন পল্লী চিকিৎসক নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৪ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে১০ টার দিকে বগুড়া - নাটোর মহাসড়কে নন্দীগ্রাম উপজেলার শেষ সীমানা বাঁশের ব্রীজ নামক স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত খোরশেদ আলম নন্দীগ্রাম উপজেলার দাঁত মালিকা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

জানাগেছে, খোরশেদ আলম মটরসাইকেল যোগে সিংড়া থেকে নন্দীগ্রাম যাচ্ছিলেন। বাঁশের ব্রীজ নামক স্থানে নাটোরগামী অজ্ঞাত একটি বাস তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। বাসের ধাক্কায় খোরশেদ আলম মহাসড়কে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশ দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার আগেই নিহতের পরিবারের লোকজন মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যায়।

নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম কামাল বলেন, মটর সাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত খোরশেদ আলমের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।

;

যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, আহত ২৫



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা-ভূঞাপুর রোডের যদুরপাড়া এলাকায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ২৫ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার এলেঙ্গা-ভূঞাপুর রোডের যদুরপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা আবুল কালাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, বুড়িমারি থেকে হানিফ পরিবহনের একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো।বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে যায়। বাসে থাকা ২৫ জন যাত্রী আটকা পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে।১৭ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি ৮ জনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

;

ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর রমনার অফিসার্স কোয়ার্টারের রাস্তায় ডিম বোঝাই ভ্যানে ট্রাকচাপায় ভ্যান চালক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক ভ্যানচালক।

নিহত ব্যক্তির নাম, নুর আলম (৪০)। অপরজন মো. তুহিন (৩৬) গুরুতর আহত হন।

সোমবার(২৪ জানুয়ারি) ভোরের দিকে ঘটনাটি ঘটে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। আহত একজন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

;

বৃষ্টি, কুয়াশা ও বাতাসে তীব্র শীতে জুবুথুবু উপকূলের মানুষ



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট , বার্সাতা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

হঠাৎ হঠাৎ করে মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা ও বাতাসে শীত জেকে বসায় জুবুথুবু হয়ে পড়েছে মোংলা বন্দরসহ সংলগ্ন উপকূলের বাসিন্দারা। সোমবার ভোর থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি আকাশে। মেঘ ঢাকা আকাশের পাশাপাশি রয়েছে চারিদিকে ঘন কুয়াশা। সেই সাথে ভোর থেকেই হচ্ছে থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। গত রাতভরই এ এলাকায় বৃষ্টি ঝরেছে। তাই শীতও বেড়েছে। 

পৌর শহরের কবরস্থান রোডের বাসিন্দা মো. রহমান বলেন, গত রাতে বৃষ্টি হয়েছে, সোমবার ভোর থেকেও থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি হচ্ছে। সূর্য নেই, বৃষ্টি, কুয়াশায় খুবই শীত। তাই আমাদের স্বাভাবিক কাজ কর্ম ব্যাহত হচ্ছে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা 'সার্ভিস বাংলাদেশ' ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ফরহাদ হোসেন, এখন মাঘ মাসেও বৃষ্টি হচ্ছে। এতে শীত অনেক বেড়েছে, ফলে দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কষ্ট বেড়েছে। তাদের কাজ নেই বললে চলে, রাস্তাঘাটে লোকজনও কম।

কয়েকদিনের এমন আবহাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছে নৌপথে চলাচলকারী মানুষেরা। কুয়াশায় রাতে নদীতে কিছু দেখা না গেলেও দিনের বেলায়ও প্রায় একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। নদী ও সড়ক পথে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

নৌযান চালক (কার্গো মাষ্টার) হিরু মিয়া বলেন, কুয়াশায় রাতে নদীতে কিছুই দেখা যায় না। তাছাড়া দিনের বেলায়ও প্রায় একই অবস্থা, তাই আমরা পশুর নদীতে নোঙ্গর করে বসে আছি। দুর্ঘটনার ঝুঁকির আশংকা থাকায় জাহাজ চালানো যাচ্ছে না।

মেঘলা আকাশ, ঘন কুয়াশা ও বৃষ্টিতে শীতের প্রকোপ বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ দিনমজুরেরা।

এদিকে গত কয়েকদিনের শীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠান্ডাজনিত রোগীদের সংখ্যাও বাড়ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, দুই তিনদিন ধরে শীতজনিত রোগীদের সংখ্যা বেড়েছে। এ সকল রোগীদের মধ্যে শিশু ও বয়স্করাই বেশি।

;