মেয়াদ শেষের আগে নতুন প্যাকেজ কিনলে অব্যবহৃত ডেটা যোগ হবে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একজন গ্রাহকের ডাটা প্যাকেজের মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তী প্যাকেজে যোগ হবে যদি গ্রাহক উক্ত প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হবার পূর্বেই একই ডাটা প্যাকেজ (ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদসহ) কেনেন।

সকল অপারেটরের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে মোবাইল ডাটা প্যাকেজ নির্দেশিকার অংশ হিসেবে এই নতুন সুবিধা। যা আগামী ১ মার্চ ২০২২ থেকে কার্যকর হবে। উক্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী যে কোনো অপারেটর এককালীন সর্বোচ্চ ৮৫টি প্যাকেজ চালু রাখতে পারবে।

এছাড়া মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যালান্স না থাকলেও এখন থেকে গ্রাহক ফেসবুক ও মেসেঞ্জার অ্যাপ শুধু টেক্সটের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারবে। ফেসবুকের ডিসকভারি ব্রাউজারে ফ্রি ইন্টারনেট ব্রাউজিং সুবিধা চালু করা হয়েছে। উক্ত ব্রাউজারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পাঠ্যভিত্তিক তথ্য যেমন-শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজ, এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি সংক্রান্ত নির্দেশনা, অন্যান্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যসহ ফ্রি ডাটা সীমার মধ্যে বিভিন্ন ই-পরিষেবায় সংযুক্ত থাকতে পারবেন।

মঙ্গলবার (০৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রধান সম্মেলন কক্ষে এই সেবাসমূহের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান । শুরুতে ডাটা প্যাকেজ নির্দেশিকা ও ফ্রি ফেসবুক-মেসেঞ্জার ব্যবহার বিষয়ে বিশদ উপস্থাপনা করেন বিটিআরসির সিস্টেমস এন্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রি. জে. মো. নাসিম পারভেজ।

বাংলাদেশে বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫.২ কোটি এবং সর্বোচ্চ ফেসবুক ব্যবহারকারীর দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ১০ম। ইউনিক মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা আনুমানিক ১০ কোটি অর্থাৎ প্রতি দুই জন মোবাইল গ্রাহকের বিপরীতে একজন গ্রাহক ফেসবুক ব্যবহার করে । দেশে মোট মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি ৭৫ লাখ ২৭ হাজার (২০২০ সালের তথ্য অনুযায়ী)।

অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে, দেশের সকল মোবাইল অপারেটরের তিন ধরনের প্যাকেজ থাকবে তার মধ্যে- ১. নিয়মিত (রেগুলার) প্যাকেজ ২. গ্রাহক কেন্দ্রিক বিশেষ (সিসিএসপি) প্যাকেজ ৩. রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট (আরএন্ডডি) প্যাকেজ । একটি অপারেটরের নিয়মিত এবং গ্রাহক কেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ মিলিয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যা হবে ৮৫টি। তবে নিয়মিত অথবা গ্রাহক কেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ সংখ্যা এককভাবে ৫০টির অধিক হতে পারবে না। মোবাইল ফোন অপারেটরসমূহ রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কাজের জন্য সর্বোচ্চ ১০টি প্যাকেজ ব্যবহার করতে পারবে। প্যাকেজের ভিন্নতা নির্ধারণে দুটি প্যাকেজের মধ্যে ন্যূনতম পার্থক্য হবে ১০০ এমবি ডাটা অথবা ১০ মিনিট টকটাইম অথবা উভয়ই। সকল প্যাকেজের মেয়াদ ০৩/০৭/১৫/৩০ দিন হিসেবে করতে হবে।

কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত রেগুলার এবং সিসিএসপি প্যাকেজ সমূহ গ্রাহকরা মোবাইল অপারেটরের নির্দিষ্ট অ্যাপস/ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম/ অপারেটর অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহার করে ক্রয় করলে অপারেটরগণ প্যাকেজের ওপর বোনাস (টেলিকম সার্ভিস ডাটা, টক টাইম, এসএমএস) প্রদান করতে পারবে। তবে বোনাসসহ প্যাকেজের মূল্যমান প্যাকেজ তৈরির খরচ থেকে মাইনাস হতে পারবে না।

গ্রাহক সুবিধার্থে মোবাইল অপারেটরকর্তৃক প্রদানকৃত সকল নিয়মিত প্যাকেজের তালিকা (প্যাকেজের আইডি ও মূল্য) সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। প্রতিটি গ্রাহককে অপারেটর কর্তৃক মাসিক রিচার্জ এবং ব্যয়ের তথ্য বিবরণী এসএমএস (বাংলায়) ও মোবাইল অপারেটরদের বিলিং পোর্টালের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে গ্রাহকের চাহিদার প্রেক্ষিতে ইমেইলের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। অপারেটর চাইলে বিনামূল্যে অথবা ফ্লোর প্রাইসে (যখন উল্লেখ করা হবে) ডাটা প্রদান করতে পারবে এবং অপারেটর কর্তৃক একজন গ্রাহককে প্রতিদিন ৩টির বেশি প্যাকেজ সংক্রান্ত প্রমোশনাল এসএমএস প্রদান করা যাবে না।

যে কোন নিয়মিত প্যাকেজ চালু করার পর বাজারে উক্ত প্যাকেজের ন্যূনতম স্থায়িত্বকাল হবে এক মাস। যে কোন গ্রাহক কেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ চালু করার পর উক্ত প্যাকেজের ন্যূনতম স্থায়িত্বকাল হবে সাত দিন। এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরগণ উক্ত গ্রাহক কেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ বাতিল করার ১৫ দিন পর বাতিলকৃত প্যাকেজের স্থলে নতুন গ্রাহক কেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ চালু করতে পারবেন। মোবাইল অপারেটর হতে যে কোন রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট প্যাকেজ চালু করার পর উক্ত প্যাকেজের ন্যূনতম স্থায়িত্বকাল হবে সাত দিন। তবে মাসে দুইবার অর্থাৎ ১৫ দিন পর পর এই ধরনের প্যাকেজগুলো চালু করার সুযোগ থাকবে।

মোবাইল কানেক্টিভিটি জনগণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, জনগণের কানেক্টটিভিটি বাড়াতে সারাদেশের জন্য ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে এক দেশ এক রেট চালু করা হয়েছে এবং দুর্গম অঞ্চলে ফোরজি নেটওয়ার্ক চালু হয়েছে। মার্চের মধ্যে অপারেটরদেরকে গ্রাহকের কাছে সব ধরনের বার্তা বাংলায় প্রেরণ করতে হবে বলেও জানান তিনি। ফেসবুক বর্তমানে বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতামূলক আচরণ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় উসকানিমূলক ছবি, ভিডিও ও পোস্ট নিয়ন্ত্রণে ফেসবুকের সাথে কাজ করছে বিটিআরসি।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান বলেন, ফ্রি ফেসবুক মেসেঞ্জার চালুর ফলে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন মানুষও নেটওয়ার্কে কানেক্টেড থাকার সুযোগ পাবে। প্রযুক্তির প্রসারের ফলে বর্তমানে সরকারি অফিসগুলো সহজে এবং দ্রুততম সময়ে মানুষকে সেবা দিতে পারছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী আজমান, রবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিয়াজ রশীদ, বাংলালিংকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী তাইমুর রহমান , টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন, ফেসবুকের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের কানেক্টিভিটি এন্ড একসেস পলিসির প্রধান টম সি ভার্গেস।

কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিশ্চিতে বিটিআরসি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে জানিয়ে সমাপনী বক্তব্যে বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার গত ১০ মাসে বিটিআরসির নানা কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় তিনি অপারেটরদের ভ্যাট আদায় এবং টিভাস এর মাধ্যমে গ্রাহকের অর্থ কেটে নেওয়া সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, ফোরজি তরঙ্গ নিলাম, সারাদেশে ব্রডব্যান্ডের এক দেশ এক রেট সেবা চালু, মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনে এনইআইআর বাস্তবায়ন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ফেসবুক ও ইউটিউবের নিবন্ধন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিংয়ে সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠনসহ নানা কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।

পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশের জনগণের টাকায় স্বপ্নের পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে, যা তাদের সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা নানা ধরণের অপপ্রচার করছে। মূলত দেশের ভাল হোক তারা (বিএনপি) চায় না। তারা মিথ্যা বলতে এবং সন্ত্রাস করতে অভ্যস্ত।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এসময় তিনি আরো বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে দেশের কোথাও দুর্নীতি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;

গাইবান্ধায় হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে আহত ৯



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা শহরের কলেজপাড়ায় অচেনা এক হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ করছে মানুষের ওপর।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে এই প্রাণীর আক্রমণে ওই এলাকার অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেকেই প্রাণীটিকে ‘পাগলা কুকুর’ বলে ধারণা করেছেন।

আহতরা হলেন- পৌর শহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা মো. আরশাদ মিয়া, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী অসীম কুমার সরকার শংকর, মৎস্যজীবী (জেলে) নেপাল দাস, রিকসাচালক ঝন্টু, কলেজপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ মাস্টার এবং ঝালাইকর ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দু’জন পথচারী।

এরমধ্যে মো. আরশাদ মিয়া (৬৫) নামের আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বজনরা।

স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মুসল্লি, জেলে, মাদ্রাসা শিক্ষক, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী, রিক্সাচালক, ঝালাইকর এবং প্রাত:ভ্রমণে বের হওয়া স্থানীয় বাসিন্দাসহ ৯ জন প্রাণীটির আক্রমণে আহত হয়েছেন।

তারা অভিযোগ করে বলেন, ইদানীং এই এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের অবাধ বিচরণ দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে শুরু হয় কুকুরের উৎপাত। কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে ফজরের নামাজ পড়াও দায় হয়ে পড়েছে। কুকুরের বিশৃঙ্খল দৌঁড়াদৌড়ি প্রাত:ভ্রমণকারীদের হাঁটাহাঁটিতে বিঘ্ন ঘটায়। স্কুলগামী শিশু এবং নারীরা কুকুরের ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত থাকেন। তারা বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুজ্জামান রঞ্জু বলেন, সকালে বাড়ির সামনে লোকজনের হৈ-হট্টোগোল শুনে বেরিয়ে এসে হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে পাড়ার ৯ জন আহত হওয়ার খবর জানতে পারি। আহতদের মধ্যে প্রতিবেশী মো. আরশাদ মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার স্বজনরা। তিনি জানান, এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আহতরা বলছেন, কুকুরের মতো দেখতে লাল ও সাদা রঙের মিশ্রনে ধারালো দাঁতের ছোটখাট গড়নের প্রাণীটি ভীষণ হিংস্র এবং ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন। তবে আহত অনেকেই এটিকে একটি কুকুর হিসেবেই ধারণা করেছেন।

প্রাণীটির আক্রমণের শিকার অসীম কুমার সরকার শংকর জানান, সকালে প্রাত:ভ্রমণের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে, পাড়ার একটি রাস্তায় প্রাণীটির আক্রমণের শিকার হন তিনি। তবে প্রাণীটিকে একটি ‘পাগলা কুকুর’ বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শর্মিষ্ঠা রানী বর্মনজানান, শুক্রবার সকাল থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন, ক্ষতস্থান ড্রেসিংসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন তারা। এদের মধ্যে পৌর এলাকার কলেজপাড়া ও আর্দশপাড়া এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন অন্তত ৪০ জন।

;

ক্ষুধা-অত্যাচার সইতে না পেরে লাঠিতে ভর করে থানায় বৃদ্ধা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন মা-বাবা। তেমনই সিরাজগঞ্জের ছেবাতন বেওয়ার ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণে ভীষণ খুশি হয়ে ছিলেন। ভেবেছিলেন আর দুঃখ থাকবে না তার। প্রায় ১৫ বছর আগে স্বামী মারা যায়। সেই থেকে ছেলের সংসারেই আছেন তিনি। কিন্তু শেষ বয়সে এসে কপালে জোটে না চিকিৎসা-ওষুধ।

যাকাতের কাপড়ে সারা বছর পার করেন ছেবাতন। এরপরেও খেতে চাইলে জোটে নানা কথা। তবুও উপায় না থাকায় ছেলের বউয়ের ইচ্ছেমতো খাবারে বেঁচে আছেন ছেবাতন বেওয়া (৭০)।

কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ী গ্রামের ছেবাতন বেওয়া ক্ষুধার জ্বালা ও পুত্র-পুত্রবধুর অত্যাচার সইতে না পেরে ২৬ মে সকাল ১১ টায় লাঠিতে ভর করে কাজিপুর থানায় হাজির হন তিনি।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বৃদ্ধাকে দেখে নিজেই এগিয়ে যায় তার কাছে। বৃদ্ধাকে সাথে করে নিজের কক্ষে নিয়ে বসান। এ সময় ক্ষুধায় ছটফট করছিলেন বৃদ্ধা। তাৎক্ষনিক ওসি তার জন্য খাবার এনে দেন। খাবার শেষে শোনেন কিভাবে ছেলে আর ছেলের বউয়ের অত্যাচার সহ্য করে ওই সংসারে পড়ে আছেন বৃদ্ধা। সব শুনে পুলিশের একটি টিমকে তাঁর বাড়িতে পাঠান। এর আগে ছেবাতনকে তিনি একটি শাড়ি ও নগদ অর্থ সহায়তা করেন।

কাজিপুর থানার টিম বৃদ্ধাকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ছেলে আসাদুল ইসলাম এবং ছেলে বউ চুম্বলী খাতুনকে সতর্ক করে দেন। তাঁরা বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে আর কোনদিন খারাপ আচরণ ও ভাত কাপড়ের কষ্ট দেবেন না বলে পুলিশকে কথা দেন।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বলেন, অসহায়দের সহযোগিতা করাই পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব। ভিষণ দুঃখ ও কষ্ট পেয়েছি। শেষ বয়সেও ছেলের অত্যাচার সহ্য করতে হয় বৃদ্ধা মাকে। এই কথা শুনামাত্র
বৃদ্ধা মাকে সামান্য সহায়তা করেছি। সেই সাথে ছেলের সংসারে যাতে তিনি আর কষ্ট না পান সে বিষয়ে তাঁর ছেলে ও ছেলের বউকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

;

যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি হয়েছেন সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোনায়েম মুন্না।

শুক্রবার (২৭ মে) দলের জ্যেষ্ঠ মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটিতে আছেন সভাপতি-সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি-মামুন হাসান, সহ-সভাপতি-নুরুল ইসলাম নয়ন, সাধারণ সম্পাদক-মোনায়েম মুন্না, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ২নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-গোলাম মওলা শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক-ইসাহাক সরকার, দফতর সম্পাদক-কামরুজ্জামান দুলাল (সহ-সভাপতির পদ মর্যাদায়)।

২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি গঠিত আগের কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাইফুল আলম নীরব ও টুকু।

;