সাভারে অনিয়মের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্নীতি, অনিয়ম, প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাভার উপজেলার ১১নং কাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান খান শান্তকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গাসার গ্রামের আলী আহম্মদ স্কুল হতে বেলতলা মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। সেখান থেকে সে ১০ ভাগ কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করে। এছাড়া ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে বাকসাত্রা নদীর ঘাট হতে আবু বক্করের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে টিআর কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত চাল আত্মসাৎ করেন তিনি। এছাড়াও পরিষদের মাসিক সভায় ইউপি সদস্যদের স্বাক্ষর না নিয়ে ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করে তা দেখানো হয়েছে।

দীর্ঘ তদন্তে এসকল অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান খান শান্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)। শনিবার স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(৪)(ঘ) ধারায় অপরাধ সংঘটিত করায় ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে রাতে চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান খান শান্তর মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

গেম খেলার জন্য মোবাইল কিনে না দেওয়ায় স্কুল ছাত্রের আত্নহত্যা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের ঝিকরগাছায় ফ্রি ফায়ার গেম খেলার জন্য মোবাইল কিনে না দেয়ায় বাবার উপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে তৌফিক হোসেন (১৪) নামের এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মল্লিকপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত তৌফিক ওই গ্রামের জাকির হোসেনের একমাত্র ছেলে। সে উপজেলার কাশিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, নিহত তৌফিক বেশ কিছুদিন ধরে ফ্রি ফায়ার গেম খেলার জন্য মোবাইল কিনতে তার বাবাকে চাপ দিচ্ছিলো। আজ দুপুরে তৌফিক বাড়ির পাশের একটি রেইন্ট্রি বাগানে বসে বন্ধুদের সাথে মোবাইলে গেম খেলছিল। এসময় তার পিতা জাকির হোসেন সেখানে গিয়ে ছেলেকে বকাঝকা করে। এক পর্যায়ে নিজ ঘরে আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে তৌফিক। এ সময় পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি দেখে ফেলেন। এর পর দ্রুত উদ্ধার করে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তৌফিককে মৃত ঘোষণা করেন।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন ভক্ত জানান, নিহতের পরিবার দাবি করছে মোবাইল কিনে না দেয়ায় পিতার উপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে তৌফিক। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

;

অনশন ভাঙলেও ভিসি পতনের আন্দোলন চলবে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ভিসি ফরিদ উদ্দিন পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন থামবেনা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর এলাকায় সাংবাদিকদের একথা জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে তারা দু'হাত তুলে একসাথে শপথ বাক্য পাঠ করেন। 

শিক্ষার্থীরা বলেন, ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন থেকে সরছি না। তারা বলেন, আমাদের সহপাঠীদের জীবন বাচাঁতে আমরা তাদেরকে অনশন ভাঙতে বলবো। যদি তারা অনশন ভাঙে তবুও আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমাদের একদফা দাবি ভিসিকে পদত্যাগ করতে হবে।

আন্দোলনকারীদের এক মুখপাত্র অভিযোগ করে বলেন, সোমবার (২৪ জানুয়ারি) রাত থেকে অনশনরত শিক্ষার্থীদের মেডিকেল সাপোর্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, 'অনশনরত শিক্ষার্থীদের সবার অবস্থার অবনতি হচ্ছে এবং তারা ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। তারা সবাই খিঁচুনি, ব্লাডে অক্সিজেন ও সুগার লেভেল কমে যাওয়া, ব্লাড প্রেশারসহ নানা শারীরিক জটিলতায় পড়ছেন। তারা অর্গান ড্যামেজের ঝুঁকিতে আছেন।

'তিনি আরও বলেন, 'অনশনকারীদের মেডিকেল রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে সিনিয়র চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, অনশন দীর্ঘায়িত হলে যেকোনো মুহূর্তে হার্ট ফেইলিওরসহ কোমায় চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় ২০ জন অনশনকারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি ৮ জন ক্যাম্পাসে অনশন করছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে তারা অনশন ভাঙেনি বলে জানা গেছে।

এদিকে, শাবিপ্রবির সাবেক ৫ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে তাদেরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আটক শিক্ষার্থীদের পরিবারের অভিযোগ, শাবি ভিসির পদত্যাগের দাবিতে শাবিপ্রবির চলমান আন্দোলনে কিছু অর্থ সহায়তা করায় তাদেরকে আটক করা হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার নিশারুল আরিফ বলেন, ‘পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির টিম ঢাকায় পাঁচজনকে আটক করেছে। তারা শাবির সাবেক শিক্ষার্থী বলে শুনেছি। তাদের সিলেটে নিয়ে আসা হচ্ছে। তবে কী কারণে তাদের আটক করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা আছে কিনা এসব বিস্তারিত জানি না। তারা এলে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

এদিকে, ভিসি ফরিদ উদ্দিনের পদত্যাগ দাবিতে টানা ১৩ দিন থেকে উত্তাল শাবি ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের অহিংস আন্দোলন ক্রমেই সহিংসতার দিকে এগুচ্ছে। টানা সাত দিন থেকে আমরণ অনশন পালন করে আসছে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা গত শনিবার থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। অবরুদ্ধ রাখা অবস্থায় আন্দোলনের এক পর্যায়ে ভিসির বাসভবনের বিদ্যুত লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সোমাবার রাতে পরে আবার বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়।

গত রোববার বিকেল থেকে ভিসির বাসভবনের মুল ফটকে মানবপ্রাচীর তৈরি করে রেখেছে আন্দোলনকারীরা। এর থেকে ভিসির বাসভবনে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। মঙ্গলবার দুপুরে ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সাথে খাবার নিয়ে আসলে তাদেরকে ভেতরে যেতে দেয়নি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ এক ঘন্টা অপেক্ষা করে ফিরে যেতে হয়েছে তাদেরকে। তবে ভিসির সাথে নিয়ে আসা চাল ডালসহ শুকনো খাবার পুলিশের মাধ্যমে ভেতরে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের। অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে ভিসিকে মুক্ত করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি উঠে।

;

ভেঙে ফেলা হল আরও একটি ঢোপকল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এখন থেকে প্রায় ৮০ বছর আগে রাজশাহীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল ঢোপকলের মাধ্যমে। সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য প্রসিদ্ধ ছিল শহরের ৯৯টি ঢোপকল। এ কালে এসে শহরের রাস্তা সম্প্রসারণের কারণে ঢোপকলগুলোর উচ্ছেদ চলছে।

সবশেষ গত সোমবার (২৪ জানুয়ারি) নগরীর ফুদকিপাড়া এলাকা সুরেশ স্মৃতি সড়কের পাশের ঢোপকলটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এই ঢোপকলটি এখনও সচল ছিল। পাইপলাইনের মাধ্যমে রাজশাহী পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষের (ওয়াসা) পানি আসত। এভাবে একের পর এক ভেঙে ফেলায় শহরে ঢোপকলের সংখ্যা কমে প্রায় ১৫টিতে নেমেছে।

জানা গেছে, রায় ডিএন দাশগুপ্ত ১৯৩৪ সালে রাজশাহী পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। তখন ডায়রিয়া ও কলেরায় রাজশাহীতে অনেকের মৃত্যু হচ্ছিল। এই সংকট সমাধানে চেয়ারম্যান শহরে পাইপলাইনের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পরিকল্পনা এগিয়ে নেয়ার কাজে হাত দেন। এতে সহায়তা করে ‘রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন’ নামের একটি জনকল্যাণমূলক সংগঠন। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সংগঠনটি রাজশাহীর দানশীল ধর্নাঢ্য ব্যক্তিদের সহায়তার আহ্বান জানায়। সে সময় রাজশাহীর পুঠিয়ার মহারাণী ছিলেন হেমন্তকুমারী। উদ্যোগের কথা শুনে মহারাণী একাই দান করেন ৬৫ হাজার টাকা।

স্থাপন করা হয় একটি পানি শোধনাগার। এখান থেকে তখনকার ছোট্ট শহরটির মোড়ে মোড়ে পানি পৌঁছে দিতে পশ্চিমে কোর্ট, পূর্বে রামচন্দ্রপুর, পদ্মার পাড় এবং গৌরহাঙ্গা পর্যন্ত এলাকায় স্থাপন করা হয় ৯৯টি ঢোপকল। উড়িষ্যা থেকে রাজমিস্ত্রি এনে নগরীর পাঁচআনী মাঠে তৈরি করা হয় সিমেন্টের ঢোপকলগুলো। প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসপত্র আনা হয়েছিল ইংল্যান্ড থেকে। ঢোপকলগুলোর উচ্চতা ১২ ফুট, ব্যস চার ফুট। পানির ধারণক্ষমতা ৪৭০ গ্যালন। ঢোপকলগুলোর প্রতিটিই ছিল একটি ‘রাফিং ফিল্টার’। স্থাপনের সময় সারাদিনে মাত্র দুই ঘন্টা পানি সরবরাহ করা হত। এ জন্য প্রতিটি ঢোপকলকে পানি রিজার্ভ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হত। ফলে সারাদিনই পানি পাওয়া যেত।


আগের শোধনাগার ছেড়ে ঢোপকলগুলোকে ওয়াসার পাইপলাইনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। কিন্তু রাস্তা প্রশস্তকরণ ও বর্তমান পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সাথে খাপ না খাওয়ায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন এই ঢোপকলগুলির বেশির ভাগই ভেঙে ফেলেছে। পুরনো স্থান থেকে তুলে কিছু কিছু ‘মৃত’ ঢোপকল রাস্তার পাশে সাজিয়ে রাখা হয়েছে শুধু দেখার জন্য।

ফুদকিপাড়া এলাকার ঢোপকলটি ভেঙে ফেলার পর সেখানে গিয়ে দেখা যায়, এক সময় মহামারীতে জীবন রক্ষাকারী এই ঢোপকলের ওপরের অংশটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। নিচের অংশ এখনো রয়েছে। নিচের অংশ দিয়ে পানি বের হচ্ছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি বললেন, ঢোপকলটি এখনও সচল ছিল। মানুষ এখান থেকে পানি নিত। সেটা ভেঙে ফেলা হয়েছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রাজশাহী শাখার সভাপতি আহমদ সফি উদ্দিন বলেন, ‘ঐতিহ্যের ঢোপকলগুলো ভেঙে ফেলা সাংস্কৃতিক অপরাধ। পৃথিবীর অন্যান্য শহরে এ ধরনের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য অর্থ খরচ করা হয়। রক্ষা করা হয়। আর আমরা ভাঙছি।’

তবে রাজশাহী ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী পারভেজ মামুদ বলেন, ‘একটা সময় এটার প্রয়োজন ছিল। এখন নেই। এখনকার যুগের সাথে ঢোপকলগুলো আর চলে না।’

;

৫৩ খাল সংস্কার হলে ঢাকা হবে ভেনিস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দখল হয়ে থাকা ৫৩ টি খাল সংস্কার করে জলপথ ও দুপাড়ে হাঁটার জন্য মনোরম পরিবেশ তৈরি করে দিতে পারলে ভ্রমণপিপাসুরা ইতালির ভেনিসে ঘুরতে না গিয়ে ঢাকাতেই ঘুরবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। 

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় লাউতলা খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান ও খাল খননের কাজ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, 'রাজধানীতে অবৈধভাবে দখল হওয়া সমস্ত খালগুলোকে পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করা হবে। উদ্ধারকৃত খালসমূহ সংস্কার করা হলে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি নগরবাসীকে একটি আধুনিক-দৃষ্টিনন্দন ও বাসযোগ্য নগর উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।'

আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, 'যত প্রতিবন্ধকতাই থাকুক না কেন জনগণের সহায়তায় জিআইএস ম্যাপ অনুযায়ী নগরীর প্রত্যেকটি খালই‌ উদ্ধার করা হবে।

পাশাপাশি বসিলাবাসীর স্বার্থেই প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট লাউতলা খালটিকে বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে সংযুক্ত করে এতে পানি প্রবাহের সৃষ্টি করা হবে।'

অবৈধ দখলদারদের বিনা নোটিশেই উচ্ছেদ সহ অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়ার কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মেয়র।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-১৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. সাদেক খান, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক এবং স্থানীয় কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

;