‘খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস, চিকিৎসা দেশে নেই’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস শনাক্ত হয়েছে। দেশে যা চিকিৎসা সম্ভব তার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হয়েছে, এখন যে চিকিৎসা প্রয়োজন তা ইউরোপ ও আমেরিকায় সম্ভব। আশে-পাশের দেশেও সম্ভব না। 

রোববার (২৮ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ এফ এম সিদ্দিকী এসব জানান।

তিনি বলেন, বর্তমানে খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল। তবে যেকোনও সময় খারাপ হতে পারে। তার শারীরিক ঝুঁকি সর্বোচ্চ। যেকোন সময় বিপদ হতে পারে।

ডা. এ এফ এম সিদ্দিকী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ১২ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন। পরীক্ষা করে দেখা যায় হিমোগ্লোবিন ড্রপ করেছে। দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার লিভারের সমস্যার কথা বিবেচনা করে ভর্তি করানো হয়। রাত ৯টা ২০ মিনিটে খালেদা জিয়া রক্ত বমি করেন। প্রেসারের সমস্যা দেখা দেয়। খাদ্যনালি দিয়ে ব্লিডিং হতে থাকে। আমরা দ্রুত রক্তের ব্যবস্থা করি। ব্লিডিং বন্ধ করতে সক্ষম হই। এ সময় রক্ত দিতে না পারলে হার্ট ফেল করতে পারত। কারণ তিনি ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগী।

তবে গত ১৭ নভেম্বর আবার খাদ্যনালি দিয়ে ব্লিডিং হয়। আবারও হিমোগ্লোবিন নেমে আসে। এর আগে ১২ নভেম্বর উনার হিমোগ্লোবিন ৫ দশমিক ৫ এ নেমে আসে। ২১ নভেম্বর ব্লিডিং বন্ধ হয়। অন্তত ভয়ের কথা হলো ২৩ নভেম্বর থেকে খালেদা জিয়ার আবারও ব্লিডিং শুরু হয়। প্রেসার বেড়ে যায়, টয়লেট দিয়ে ব্লাড যায়। রক্তের কালার চেঞ্জ হয়ে যায়। কালো ও ফ্রেশ ব্লাড আসা শুরু করে। ২৪ নভেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে জেনারেল বেডে স্থানান্তর করা হয়। আবার ব্লাড দেওয়া হয়, এন্ডোসকপি-কোলনোস্কপি করা হয়। এবার ব্লাড নিচের দিক থেকে আসে। উনার পুরো কোলন রক্ত জমে কালো হয়ে আছে। এখন ম্যাডাম খুবই ক্রিটিকাল পরিস্থিতিতে আছে। এখন সুনির্দিষ্ট কিছু করতে হবে।

এই চিকিৎসক বলেন, এখন তার চিকিৎসার একটা উপায় আছে। যদি আপনি রোগীর জীবন বাঁচাতে চান, তাহলে তার জন্য প্রয়োজন টিপস-টিআইপিএস- ট্রানজুগুলার ইন্ট্রাহিপারটিপ পোর্টো সিস্টেমিকশন (TIPS) অর্থাৎ যে প্রেসারে ভ্যাসেলটা ছিঁড়ে ফেলে তার জন্য বাইপাস একটা চ্যানেল করে দেওয়া। লিভারের ভেতরে টোটাল প্রেসার কমানোর জন্য সিস্টেমিক সার্কুলেশন এবং পোর্টাল সার্কুলেশনের মধ্যে একটা কমিউনকেশন করে দেওয়া।এই টেকনোলজিটা বাংলাদেশে নেই, এই স্ট্যান্ট পরানো সুক্ষ একটা হাতের কাজ। এই সাব-কন্টিনেন্টালেও নেই। সিঙ্গাপুর ব্যাংককেও নেই। হাতে গোনা একটা দুইটা সেন্টার করে।

তিনি বলেন, আমাদের বডিতে দুটি সার্কুলেশন সিস্টেম আছে। একটা হলো পোর্টাল সার্কুলেশন সিস্টেম, আরেকটা সিস্টেমিক সার্কুলেশন সিস্টেম। লিভারে দুটা সিস্টেমই কার্যকর। লিভারে টোটাল যে ব্লাডটা যায়, তার তিন ভাগের এক ভাগ যায় সিস্টেমিক সার্কুলেশন থেকে। আর তিন ভাগের দুই ভাগ যায় পোর্টাল সার্কুলেশন থেকে। এখানে যেটা হয়, তার পোর্টাল প্রেসার বেড়ে গেছে। কারণ তার লিভারের ভেতরের নরমাল চ্যানেলগুরো লিভার সিরোটিক প্রোসেসে ডিস্ট্রয় হয়েছে। যে কারণে পোর্টাল প্রেসার বেড়ে যায়, সেজন্য যেসব ভেন থাকে খাদ্যনালিতে, সেগুলো ফুসে ওঠে এবং ফেটে যায়। সেজন্য সিভিআর ব্লিডিং হয়। এই সিচুয়েশনে আমরা যেটা করেছি সেটা ইন্টারন্যাশনাল প্র্যাকটিস। এটার পরে আবার ব্লিডিং হলে আরও কিছু জিনিস আছে, যেগুলো আমরা করি স্পেশাল কিছু কেমিক্যাল এজেন্ট আছে, সেগুলো ইনজেক্ট করি অনেক সময়। আনফরচুনেটলি সেটা আমাদের দ্বারা সম্ভব হয়নি এবং এখন আমাদের দেশে সেই ওষুধগুলো পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ম্যাডামের ব্লিডিং হয়নি। ম্যাডামের অবস্থা স্থিতিশীল আছে। তবে রি-ব্লিডিং হওয়ার সম্ভাবনা আছে। নেক্সট উইকে ৫০ শতাংশ, এর পরের উইকে ৭০ শতাংশ ব্লিডিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ম্যাডামের মনোবল শক্ত আছে তবে আমরা অনেকটা হেলপলেস অবস্থায় আছি। তার পরিবারকে জানিয়েছি, আপনারা একটা অ্যারেঞ্জ করেন। কারণ পরবর্তীতে তার মুভ করার মতো শারীরিক পরিস্থিতি নাও থাকতে পারে।

মসিকে ৪ সড়ক উদ্বোধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম,ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক) এর সম্প্রসারিত এলাকা ৩১ নং ওয়ার্ডে ১৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ৪ টি রাস্তার নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু

শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায়। উদ্বোধনকৃত সড়কসমূহ হল শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ সড়ক ও জনপদের রাস্তা থেকে পাওয়ার হাউজ হয়ে জয়বাংলা বাজার পর্যন্ত বিসি রোড, চর ঈশ্বরদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জোড়াপুল সাহেব খালি পর্যন্ত বিসি রোড, চর ঈশ্বরদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সুলতানের মোড় পর্যন্ত বিসি রোড এবং চর ঈশ্বরদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বকুল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত বিসি রোড।এসব সড়কসমূহের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর সম্প্রসারিত ওয়ার্ডসমূহের উন্নয়নে দ্রুত এগিয়ে চলেছে সড়ক, ড্রেন ও অবকাঠামো নির্মাণ কাজ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্ত ২২ থেকে ৩৩ নং ওয়ার্ডের এসব এলাকায় ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান আছে।

এ বিষয়ে মেয়র বলেন, করোনার কারনে সারা বিশ্বের মত আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রমও কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। আমরা করোনার ক্ষতিকে পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। নতুন অন্তর্ভুক্ত ওয়ার্ডসমূহের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি।

উদ্বোধনকালে ৩১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ আসাদুজ্জামান, ৩১,৩২,৩৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ফারজানা ববি কাকলি, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ মো. জিল্লুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মো. আজাহারুল হক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

;

সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খাগড়াছড়ি
সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি

সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি

  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়ি সদরের সাত গ্রামের ত্রিশ জন পাহাড়ি মারমা যুবকের স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে বাঁশ, কাঠ, দিয়ে চেঙ্গী নদীর ওপর সাঁকো তৈরি করছেন। চলাচল করছে খাগড়াছড়ি সদরের দক্ষিণ গোলাবাড়ি, পশ্চিম গোলাবাড়ির ত্রিপুরাপাড়া, ঠাকুরছড়া, বটতলী, কালাডেবাসহ সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শ্রম দিয়ে সাঁকো তৈরির কাজ শেষ করবেন জানান উদ্যোক্তারা।

শনিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, চেঙ্গী নদীর পারে মাইকে চলছে একের পর এক গান। কখনো বৌদ্ধ ধর্মীয়, আধুনিক, হিন্দীসহ ইংরেজি গান শুনে শীতে চেঙ্গী নদীর পানিতে নেমে দুইপাশে দুইটি কুঠি ঘেরে বাঁশ ও কাঠ বেঁধে সাঁকো তৈরি করছেন যুবকরা।       

সাঁকো তৈরির উদ্দ্যোক্তা ক্যাচিং মর্গ বলেন, সাত গ্রামের মানুষ যাতায়াতের জন্য ত্রিশ জন সেচ্ছা শ্রম দিয়ে আমাদের ছেলেরা সাঁকো তৈরি করছেন। রোগীদের পারাপার করতে অসুবিধা হয়। ডেলিভারি রোগীদের নদী পার হলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে রোগীরা অনেক কষ্ট পায়। দুর্ভোগে পড়ে স্বজন ও মানুষরা। তিনি বলেন, দক্ষিণ গোলাবাড়ি, কালাডেবা, বটতলীসহ সাত গ্রামের মানুষ থেকে দশ থেকে পাঁচশ টাকা তোলে সাঁকো তৈরি করছি। তৈরি করতে পঁঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হবে।   


চাইহলাপ্রু মারমা ও আচাইপ্রু মারমা বলেন, সকাল থেকে আমরা সেচ্ছা শ্রম দিয়ে সবাই মিলে মিসে সাঁকো তৈরির কাজ করছি। সন্ধ্যার আগে সাঁকো তৈরি হয়ে যাবে। শীতে ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ চলছে। কষ্ট হলেও গ্রামবাসির সুবিধার জন্য আমরা সাঁকো তৈরির কাজ শেষ করে সবাই বাড়ি ফিরব।      

দক্ষিণগোলাবাড়ির বাসিন্দা নিওয়েন চৌধুরী বলেন, আমাদের গ্রাম থেকে নৌকা দিয়ে নদী পার করে শাক-সবজি বটতলীতে নিয়ে যেতে হয়। খাগড়াছড়ি শহরের চাহিদা মিটিয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যায়। বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও শীত মৌসুমে সাঁকো দিয়ে পার করে সবজি বিক্রি করতে নিয়ে যেতে হয়। গ্রামবাসি থেকে টাকা তোলে যুবক, নারী ও বয়স্করা মিলে সাঁকো তৈরি করছেন। কষ্টের কোনো শেষ নেই আমাদের। একটি সেুত নিমার্ণ করা হলে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায় সাত গ্রামের মানুষরা। 

গোলাবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও হেডম্যান অংখ্যচিং চৌধুরী বলেন, জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ইচ্ছে করলে এখানে একটি ব্রিজ নিমার্ণ করতে পারে। তাঁরা ফিরে থাকায় না। সেতু হলে গ্রামের উন্নয়ন হত। তিনি বলেন, দক্ষিণগোলাবাড়ি এলাকায় পাঁচ হাজার একর জমিতে সবজি চাষ করেন দুই হাজর পাহাড়ি চাষিরা চাষ করে সংসার চালান।


সাঁকো তৈরি করতে পনের হাজার টাকা দান করেন সুজিত দেওয়ান। তিনি বলেন, সাত গ্রামের মানুষদের দুঃখ দেখে সাঁকো তৈরি করতে পনের হাজার টাকা দিয়ে তাঁদের সহযোগিতা করি।

খাগড়াছড়ি সদরের গোলাবাড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার রাম কুমার ত্রিপুরা বলেন, পাকিস্তান আমলে দক্ষিণগোলাবাড়ির মারমাপাড়া হয়ে নদী পার হয়ে আমাদের বাজারে যেতে পুরানো রাস্তা ছিল এটা। প্রতি পরিবার তিন থেকে চার কানি জমিতে সবজি চাষ করে। সবজি শহরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতে হয় কষ্ট করে। আমাদের এখানে ব্রিজ দরকার। তিনি বলেন, সাবেক এমপি যতিন্দ্রলাল ত্রিপুরা থাকা কালিন ব্রীজের জন্য আবেদন করেছে। নানান সদস্যার কারণে হয়নি।

খাগড়াছড়ি জেলা সদর গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা বলেন, খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও ইউনিয়নের মধ্যে পড়ে এই স্থানটি। দক্ষিণগোলাবাড়িসহ বেশ কয়েকটি গ্রামবাসিদের টাকা দিয়ে তাঁরা সাঁকো তৈরি করেন। শীতের সময়ে লোকজন ওইখানে সাঁকো তৈরি করে দক্ষিণ গোলাবাড়ি হয়ে বটতলী পারাপার করেন। বর্ষা মৌসুমে তাঁরা দুরে ঠাকুরছড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সময় বাচাঁনোর জন্য তাঁরা নদীর পার হয়ে শহরের বটতলী এলাকার বাজারে যায়। এদের সময়ের প্রয়োজনে চেঙ্গী নদী পার হলে শহরের বটতলী এলাকা। এই সুবিধা। তিনি বলেন, আমরা যে বরাদ্দ পায় তা দিয়ে ব্রিজ নিমার্ণ করা সম্ভব নয়। এখানে ব্রিজ দেওয়া জরুরি।

;

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কমিটি গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে ধামরাই উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন নিসচা'র উপজেলা কার্যালয়ে এক সভায় সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নতুন এই কমিটিতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার নতুন সভাপতি হয়েছেন মো. নাহিদ মিয়া, সহ সভাপতি মো. ইমরান হোসেন, আবুল কালাম মিজানুর রহমান, মো. মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক নাঈম ইসলাম সহ ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই শাখার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তালিকায় রয়েছেন, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী, ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির, ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (পিপিএম), উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সিরাজ উদ্দিন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আরাফাত সাকলাইন রাফি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদ সাইফুল ইসলাম রতন, ধামরাই প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু হাসান প্রমুখ।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার সভাপতি মো. নাহিদ মিয়া জানান, নবগঠিত ২ বছর মেয়াদী নতুন কমিটির মুল ভিশন হচ্ছে ধামরাই উপজেলার অংশবিশেষে দুর্ঘটনার পরিমান কমিয়ে আনা। আজকে যে কমিটি ঘোষণা করা হলো পূর্বের কমিটির ন্যায় বিচার বিশ্লেষণ করে সংগঠনের কার্যক্রম কে বেগমান করার লক্ষ্যে যে সকল সদস্য ভূমিকা রেখে চলেছে তাদের এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে মুল্যায়ন করা হয়েছে। এছাড়া কমিটির আজকের আয়োজনে বিগত সালের সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, সংগঠনের আয় ব্যয় হিসাবের চিত্র তুলে ধরাসহ সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে সকলের সামনে উপস্থাপন করে তুলে ধরা হয়। সুতরাং আমাদের উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধিগণ, পুলিশ, প্রশাসনসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সড়ক দুর্ঘটনা ও সড়কে বিশৃঙ্খলা রোধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত ধামরাই উপজেলা গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছি।

;

বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বাসাইলে বিজ্ঞানমেলা অনুষ্ঠিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে টাঙ্গাইলের বাসাইলে ৪৩তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলা ও প্রযুক্তি সপ্তাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৩ জানুয়ারি থেকে সকল ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ২১জানুয়ারি থেকে ৬ফেব্রুয়ারি স্কুল কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হলেও শনিবার (২২ জানুয়ারি) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাসাইল ডিগ্রি কলেজ মাঠে  এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞান উপকরণ নিয়ে উপস্থিত হয়। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি নাহিয়ান নূরেন, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রহিম আহমেদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন বলেন,বিজ্ঞান মেলা কোনো ক্লাস না, একদিনের জন্য সীমিত পরিসরে ছোট একটি অনুষ্ঠান। সরকারি অনুষ্ঠান বন্ধ এটা তো কোথাও বলা নাই।পরিপত্রে লিখা আছে ১০০ জন মাস্ক পড়ে অনুষ্ঠানে আসতে পারবে।এই অনুষ্ঠানের সাথে স্কুল কলেজে বন্ধ থাকার কোনো মিল নাই।এই অনুষ্ঠানটি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

;