‘ওমিক্রন’ ঠেকাতে সব বিমানবন্দরে সতর্কতার নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ ঠেকাতে দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। এছাড়াও যেসব দেশে ‘ওমিক্রন’ শনাক্ত হয়েছে সেসব দেশে যাত্রীদের আসা-যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারিসহ চারটি সুপারিশ করেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

রোববার (২৮ নভেম্বর) কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৪৮তম সভায় বিশদ আলোচনার পর এসব সুপারিশ করা হয়।

এই ঘোষণার পরপরই দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের সঙ্গে আফ্রিকার দেশগুলোর সরাসরি যোগাযোগ না থাকলেও যারা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে ট্রানজিট নিয়ে দেশে আসবে তাদের স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইতিমধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানের সঙ্গেও সতর্কতা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলেছি। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমদের যেসব নির্দেশনা দেওয়া হবে, আমরা সেগুলো বাস্তবায়ন করব।

আফ্রিকার দেশগুলো থেকে ট্রানজিট নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা প্রত্যেককে স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আনা হবে। যাত্রীদের প্রতি আমার অনুরোধ তারা যেন অন্তত নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করে হলেও সতর্ক হন। এছাড়াও বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাদের সরকারের নির্দেশনাগুলো মেনে চলার অনুরোধ করছি।’

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার নতুন এই ধরনটি প্রথম শনাক্ত হয়। এর একদিন পরই এই ধরনকে ‘ওমিক্রন’ নাম দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছে-

১. এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও এসব দেশ এবং যেসব দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেসব দেশ থেকে যাত্রী আগমন বন্ধ করার সুপারিশ করা হচ্ছে।

২. কোনাে ব্যক্তির এসব দেশে ভ্রমণের সাম্প্রতিক (বিগত ১৪ দিনে) ইতিহাস থাকলে তাদের বাংলাদেশে ১৪ দিন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। কোভিড-১৯ এর টেস্ট পজিটিভ হলে আইসোলেশন করতে হবে।

৩. প্রতিটি পোর্ট অব এন্ট্রিতে স্ক্রিনিং, সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত ব্যবস্থা আরও কঠোরভাবে পালন করা (স্কুল-কলেজসহ), চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং বিভিন্ন (রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়) সমাবেশে জনসমাগম সীমিত করার সুপারিশ করা হলো।

৪. কোভিড-১৯ এর পরীক্ষায় জনগণকে উৎসাহিত করার জন্য বিনামূল্যে পরীক্ষা করার সুপারিশ করা হচ্ছে।

আমি যেন ন্যায় কাজের সঙ্গে থাকতে পারি: আইভী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, আমি এখানে আসছি দোয়া চাওয়ার জন্য। আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই। কিছু দিন আগেই নির্বাচন গিয়েছে। আপনারা সবাই দোয়া করেছেন বলেই আমি নির্বাচিত হয়েছি। আপনারা আমাকে ৫ বছরের জন্য সুযোগ দিয়েছেন। আমি যেন ঈমানের সহিত আমার দায়িত্ব পালন করতে পারি। আমি যেন জনগণের আমানত রক্ষা করতে পারি। ওলি-আউলিয়াদের দোয়ায় আমি যেন ন্যায় কাজের সঙ্গে থাকতে পারি, ন্যায় কাজ করতে পারি।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি এলাকার শফিউদ্দিন (পাখা) শাহ্ মাজারে ওরশে শরীক হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মাজারে ফাতিহা পাঠ ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন আইভী।

তিনি বলেন, মাজারে দাঁড়িয়ে বেশি কথা বলার দুঃসাহস আমার নেই। আমি ওলিদের ভক্তি করি, শ্রদ্ধা করি তাই এখনে এসেছি। আজকে ওরশ, তাই আমি ওরশে শরীক হওয়ার জন্য এখানে এসেছি। নির্বাচনের আগেও আমি এখানে এসেছি। এখানে একটা গেট করে দেয়ার কথা ছিল। নানান কারণে করা হয় নাই। দোয়া করবেন এবার যেন করে দিতে পারি। আপনাদের এখানে তেমন কোন কাজ নেই যা আছে আপনাদের নির্বাচিত কাউন্সিলর আছে। বাকি যে কাজ আছে সে করবে।

;

ম্যাগনিটো ডিজিটাল-এর পার্টনার হলো বিকাশ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিকাশ-এর অফিসিয়াল ডিজিটাল এজেন্সি হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ম্যাগনিটো ডিজিটাল লিমিটেড ঢাকা, দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি ম্যাগনিটো ডিজিটাল লিমিটেড সম্প্রতি বিকাশ-এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

এখন থেকে বিকাশ-এর যাবতীয় ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিকেশনের দেখাশোনা করবে এই ডিজিটাল এজেন্সি। বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের স্বনামধন্য ব্র্যান্ডগুলোর জন্য দ্রুততম এবং ভার্সাটাইল ক্রিয়েটিভ কনটেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে ম্যাগনিটো ডিজিটাল সুনাম অর্জন করেছে। ব্র্যান্ডের সুনাম গড়ে তোলা এবং ধরে রাখার জন্য সকলেরই ভরসার প্রতীকে পরিণত হয়েছে তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স এবং অনুমোদনপ্রাপ্ত আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলো বিকাশ। বাংলাদেশের ব্যাংক একাউন্ট না থাকা মানুষদেরকে সবচেয়ে দ্রুত ও নিরাপদে মোবাইলের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তারা বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক সেবা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করছে। এই যৌথ পথচলা আগামী দিনে অসংখ্য অভিনব কাজ উপহার দিবে, এটাই প্রত্যাশা।

এসবের পাশাপাশি, বিগত কয়েক বছর ধরে ম্যাগনিটো ডিজিটাল লিমিটেড গ্রামীণফোন, হিরো বাংলাদশ ও ফ্রেশ-এর মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডের সাথেও কাজ করছে।

;

নির্মাণের ৫ বছরেই ভেঙে গেল সেতু!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সুনামগঞ্জ
নির্মাণের ৫ বছরেই ভেঙে গেল সেতু

নির্মাণের ৫ বছরেই ভেঙে গেল সেতু

  • Font increase
  • Font Decrease

সুনামগঞ্জের দোয়ারা উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের পুটিপশী-নুরপুর ফেরিঘাট সড়কে নির্মিত সেতু ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে তিন ইউনিয়নের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে নতুন সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয়রা জানান, গত প্রায় ৮ বছর আগে এই সেতু নির্মাণ করে দেয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়। কিন্তু নির্মাণের ৫ বছরেই বন্যার পানির প্রবল বেগে এই সেতুটি ভেঙে স্বস্থান থেকে সরে যায়। এই কারণে মান্নারগাঁও, সুরমা, লক্ষীপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ জেলা শহরে আসা-যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

কলেজ শিক্ষার্থী সুহেল মিয়া বলেন, পুটিপশী গ্রামের এই সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও রোগীরা আসা-যাওয়া করতে পারে না। সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি আমাদের।

পুটিপশী গ্রামের বাসিন্দা চিত্তরঞ্জন দাস, জিতেন্দ্র দাস, গোপেন্দ্র দাস, সুনীল দাস, রবীন্দ্র দাসসহ আরও অনেকে বলেন, সেতুটি নির্মাণ হওয়ার প্রায় ৫ বছর পর গত দুই বছর আগে বন্যার পানির প্রবল বেগে ভেঙে যায়। কিন্তু এখনও নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই সেতু ভেঙে যাওয়ায় মান্নারগাঁও, সুরমা ও লক্ষীপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঞ্জু লাল দাস বলেন, পুটিপশী গ্রামের সেতু ভেঙে যাওয়ার পর এলাকাবাসী চাঁদা তোলে বাঁশ কাঠ দিয়ে যাতায়াতের সুবিধা করেছেন। তবুও সব মানুষ এই সাঁকো দিয়ে আসা-যাওয়া করতে পারে না। যারা চলাচল করেন তারা ঝুঁকি নিয়ে আসা-যাওয়া করেন।

দুলন দাস বলেন, পুটিপশী গ্রামের সেতু ভেঙে যাওয়ার পর এলাকায় কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এই সড়কে রোগী ও বয়স্ক মানুষের আসা-যাওয়া একেবারে বন্ধ রয়েছে।

অনিল চন্দ্র দাস বলেন, পুটিপশী গ্রামে নির্মিত সেতু খুবই দুর্বল করে নির্মাণ করায় বন্যায় ঢলের পানির তোরে ভেঙে যায়। এই সেতু ভেঙে যাওয়ার পর এখনও নির্মাণ করা হচ্ছে না। সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করার দাবি আমাদের।

দোয়ারা বাজারের ঠিকাদার মিলন কান্তি দাস জানান, পুটিপশী গ্রামের সেতুটি নির্মাণ করতে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। আমি সাব ঠিকাদার হিসেবে এই সেতু নির্মাণ করেছিলাম।

দোয়ারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আম্বিয়া আহমদ বলেন, আমি কিছুদিন হয় দোয়ারা উপজেলায় এসেছি। সেতুটি সম্ভবত: ১৩ বা ১৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। সেতু নির্মাণ এলাকায় অনেক বড় আকারের খাল রয়েছে। এখন এখানে গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হবে। এই সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

;

বিধি-নিষেধের মধ্যে ব‍্যাংক সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: সংগ্রহীত

ছবি: সংগ্রহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান বিধি নিষেধের মধ্যে ব‍্যাংক সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব‍্যাংক।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব‍্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সকল ব‍্যাংকের ব‍্যাবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, কোভিড-১৯ উদ্ভূত যে কোন পরিস্থিতিতে (যেমন: সীমিত লোকবল দিয়ে শাখা পরিচালনা অথবা সীমিত শাখা দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা ইত্যাদি) সার্বক্ষণিক নিরবচ্ছিন্ন পরিশোধ সেবা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ কার্যকর Business Continuity Plan (BCP) প্রণয়ন করবে ও তাৎক্ষণিকভাবে তা বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত থাকবে।

শাখা/অফিসে জনসমাগম নিরুৎসাহিতকরণ ও হ্রাসকল্পে গ্রাহকগণ যাতে শারীরিক উপস্থিতি ব্যতীত প্রযুক্তি নির্ভর পরিশোধ সেবা (যেমন: মোবাইল এপ্লিকেশন ভিত্তিক ব্যাংকিং, ই-ওয়ালেট ভিত্তিক লেনদেন, Card Not Present (CNP) লেনদেন, Near Field Communication (NFC) ভিত্তিক Card লেনদেন ইত্যাদি) গ্রহণের জন্য গ্রাহকগণকে উৎসাহিত করতে হবে এবং ব্যাংক ও সকল ধরণের পরিশোধ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের প্রযুক্তি নির্ভর পরিশোধ সেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে।

প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গ্রাহকগণের নগদ অর্থের চাহিদা পূরণকল্পে বিভিন্ন ক্যাশ-আউট পয়েন্টে (যেমন: এটিএম, এমএফএস এজেন্ট পয়েন্ট ইত্যাদি) পর্যাপ্ত নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

বিশেষ পরিস্থিতিতে সাইবার আক্রমণের শংকা বৃদ্ধি পায় বিধায় ব্যাংক ও সকল ধরণের আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ সিস্টেম অবকাঠামোর সাইবার ঝুঁকি প্রতিরোধ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যকর করার বিষয়ে (প্রয়োজন অনুসারে) কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

ব্যাংক ও সকল ধরনের আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবং গ্রাহকগণকে কোভিড-১৯ এর বিস্তার প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

সরকার কর্তৃক করোনাভাইরাস জনিত রোগ (কোভিড-১৯)-এর বিস্তার রোধকল্পে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপকালীন সময়ে সকল ধরনের পরিশোধ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এর এতদ্‌সংক্রান্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ করতে হবে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

;