ওমিক্রনের বিস্তার ঠেকাতে ১৫ নির্দেশনা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের বিস্তার ঠেকাতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের পর্যটন, বিনোদন কেন্দ্র, রেস্তোরাঁয় ভিড় এড়ানো ও কয়েকটি দেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিংসহ ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক ও মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজুমল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে নির্দেশনাটি জারি করা হয়। এতে বলা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন (বি.১.১৫২৯) ছড়িয়ে পড়তে থাকায় 'অধিকতর সতর্কতা' অবলম্বন করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৫ নির্দেশনায় বলা হয়েছে-

- দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, লেসোথোসহ যেসব দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, সেসব দেশ থেকে আসা যাত্রীদের বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং জোরদার করতে হবে।

- সব ধরনের (সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য) জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

- বাড়ির বাইরে সবার সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

- রেস্তোরাঁয় ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম আসনে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে

- সকল প্রকার জনসমাবেশ, পর্যটন স্থান, বিনোদনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সিনেমা হল/থিয়েটার হল ও সামাজিক অনুষ্ঠানে (বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন, পিকনিক পার্টি ইত্যাদি) ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম সংখ্যক লোক অংশগ্রহণ করতে পারবে।

- মসজিদসহ সকল উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

- গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

- যেসব দেশে এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, সেসব দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।

- সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (সকল মাদ্রাসা, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

- সকল স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে সেবাগ্রহিতা, সেবা প্রদানকারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

- স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

- কোভিড উপসর্গ/লক্ষণযুক্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত করোনা রোগীর আইসোলেশন ও কোভিড পজিটিভ রোগীর সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।

- কোভিড-১৯ এর লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা এবং তার নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সহায়তা করা যেতে পারে।

- অফিসে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন বাধ্যতামূলক নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটা দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

- মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সচেতনতা তৈরির জন্য কমিউনিটি পর্যায়ে মাইকিং ও প্রচার চালানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মসজিদ/মন্দির/গির্জা/প্যাগোডার মাইক ব্যবহার করা যেতে পারে এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

সাভারে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাতা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সাভার ও আশুলিয়া থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতাল ও আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতাল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। 

পুলিশ জানায়, সকালে আশুলিয়ার একটি বাড়ি থেকে এক নারীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য এনাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন। অপরদিকে আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতাল থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 

পুলিশ আরও জানায়, নিহত দুই জনের নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে ও ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে তাদের মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।

;

পাল্টে গেছে মোংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের নাম



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট , বার্সাতা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বদলে গেছে মোংলা-ঘষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের নাম। চ্যানেলটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে 'বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘষিয়াখালী ক্যানেল'। এ ক্যানেলটি আন্তর্জাতিক নৌ প্রটোকল রুট হিসেবে খ্যাত।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালীন দেশের নদী পথের গুরুত্ব বিবেচনায় মোংলা-ঘষিয়াখালী ক্যানেলটি খনন করেছিলেন। নাব্যতা সংকটের কারণে ক্যানেলটি ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বন্ধ থাকে।

মোংলা বন্দর সচল রাখার স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ২০১৫ সালে ক্যানেলটির নাব্যতা রক্ষায় ক্যাপিটাল ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এরপর ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ক্যানেলটির উদ্বোধন করেন।

ছবি: বার্তা২৪.কম

জাতির পিতার স্মৃতিকে ধরে রাখতে তার জন্মশতবার্ষিকীতে মোংলা-ঘষিয়াখালী ক্যানেলকে বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘষিয়াখালী ক্যানেল নামকরণ করার বিষয়ে মতামত/সম্মতির আবেদনের অনুমোদন দেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

এরপর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত মোংলা-ঘষিয়াখালী ক্যানেলকে বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘষিয়াখালী ক্যানেলের নামকরণের বিষয়টি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

বিআইডব্লিউটিএ'র উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ড্রেজিং বিভাগ) মো. আনিসুজ্জামান রকি জানান, এ বিষয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ আমিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গত ৯ জানুয়ারী নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই এখন থেকে মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেলটি 'বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘাষিয়াখালী ক্যানেল' হিসেবে নামকরণ ও এর পরিচিতি হবে।

;

রাজশাহীতে ট্রেনের টিকিটের জন্য হাহাকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী থেকে ঢাকার ট্রেন ‘পদ্মা এক্সপ্রেস’-এর টিকিট নিতে কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে ইয়ামিন হোসেন সিয়াম। হাতের মোবাইল দিয়ে অনলাইনেও ঢুকে আছেন। সকাল ৯টায় অনলাইনে টিকিট ছাড়া হলো। সঙ্গে সঙ্গে গতি কমল সার্ভারের। এক মিনিট পর ইয়ামিন দেখলেন, অনলাইনে আর কোন টিকিট নেই। আগামী ২২ জানুয়ারির টিকিট কাটতে গিয়ে মঙ্গলবার এভাবেই এক মিনিটে অনলাইনের টিকিট শেষ হতে দেখেছেন ইয়ামিন।

অনলাইনের টিকিট শেষ বলে ইয়ামিন রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে কাউন্টারের সামনেও দাঁড়িয়ে ছিলেন। ২০-২৫ জনের পর তিনি যখন কাউন্টারে পৌঁছালেন তখন টিকিট শেষ। কাউন্টার থেকে বলা হলো-টিকিট আর নেই। এভাবেই চোখের পলকে শেষ হচ্ছে ট্রেনের টিকিট। তবে বেশি টাকা দিলে কিছুক্ষণ পরই কাউন্টারের সামনে টিকিট মিলছে কালোবাজারে।

ইয়ামিন বলেন, এক মিনিটিইে কীভাবে টিকেট শেষ হলে গেল! রাজশাহী থেকে ৪টি ট্রেনের কোনটিতেই শোভন টিকিট নেই। বাধ্য হয়ে গেলাম এসি টিকিটের লাইনে। সেখানে ছিল মাত্র দুটি টিকিট। তাও পাইনি। তিনি বলেন, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের প্রতিটি ট্রেনেই এখন একই অঅবস্থা। বিশেষ করে ঢাকগামী ট্রেনগুলোর টিকিট পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

করোনাভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে আসন সংখ্যা অর্ধেক করা হয়েছে। আসনের সংখ্যা কম হওয়ায় অনেক মানুষ টিকিট না পেয়ে অভিযোগ করছেন, কালোবাজারে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে ট্রেনের টিকিট। অনলাইনে টিকিট দেওয়ার পর পরই শেষ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীরা মনে করছেন, কালোবাজারি চক্র কেটে নিচ্ছে টিকিট। আর কাউন্টারে টিকিট না পেয়ে খোদ রেলকর্মীদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের মত ঘটনাও ঘটছে।

গত সোমবার লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট না পেয়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে বিক্ষোভ করেছেন একদল চাকরির পরীক্ষার্থী। আগামী ২১ জানুয়ারি ঢাকায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার জন্য তাঁরা লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। সকালে টিকিট বিক্রি শুরুর কিছুক্ষণ পরই শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁরা বুকিং সহকারীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি সমাধানের জন্য তাঁদের পরে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে টিকিট প্রত্যাশীদের সাথে কথা বলেন পশ্চিম রেলের ডেপুটি চিফ কর্মাসিয়াল ম্যানেজার।

তখন কয়েকজন টিকিট প্রত্যাশী জানান, কাউন্টার থেকে বলা হয়েছিল মোট ১০টি টিকিট আছে। বুকিং সহকারী সাতটি টিকিট বিক্রির হিসাব দিতে পেরেছেন। তাহলে বাকি তিনটি টিকিট কোথায় গেল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন টিকিট প্রত্যাশীরা। রেল কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত এই চাকরি প্রত্যাশীদের টিকিট দিতে পারেননি। এ নিয়ে টিকিট প্রত্যাশীরা একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আনলাইনে টিকিট বিক্রির সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন কালোবাজারিরা। একটি চক্র সফটওয়্যারের মাধ্যমে টিকিট ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভূয়া জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে অনলাইন থেকে টিকিট তুলে নিচ্ছে। রেলওয়ের সার্ভারে নাম ও জাতীয়পরিচয়পত্র যাচাই করার সুযোগ না থাকায় চক্রটি সব টিকিট কিনে ফেলছে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পাচ্ছেন না। কালোবাজারিদের এই টিকিই বিক্রি হচ্ছে স্টেশন চত্বরে চড়া দামে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গেলে বাপ্পি নামের এক ব্যক্তির কাছে টিকিট পাওয়া যায়। তিনি জানান, তার কাছে ৩০টি টিকেট আছে। প্রতিটি টিকেটের দাম পড়বে ৫০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি টিকিটের দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি। বাপ্পির মত অনেকের কাছেই কালোবাজারে টিকিট পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে পশ্চিম রেলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ ভুঁঞা বলেন, রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী চারটি ট্রেনের গড়ে আসন ৯০০। কিন্তু করোনার জন্য আমরা ৫০ শতাংশ টিকেট বিক্রি করি। অর্থাৎ ৪৫০টি আসন আমরা বিক্রি করতে পারি। এর অর্ধেক অনলাইনে বিক্রি হয়। অনলাইনে প্রতিটি ট্রেনের জন্য গড়ে ২২৫টি টিকেট বিক্রি করে থাকি।

এক মিনিটেই টিকেট শেষ হওবার বিষয়ে তিনি বলেন, কোন কোন ট্রেনে মাত্র ২২৫টি টিকিট। সবাই কিনতে চায়। এটা তো হট কেকের মত। টিকিট ছাড়ার সময় সবাই কেনার চেষ্টা করেন বলে দ্রুত শেষ হয়ে যায়। কাউন্টারেও তো পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়। অনেক গুলো কাউন্টার। এক কাউন্টারে টিকিট পেলে লাইনে দাঁড়িয়ে অন্যটিতে পাওয়া যায় না। তবে কালোবাজারির বিষয়টি তাঁর জানা নেই বলে জানিয়েছেন।

;

এসিআরের পরিবর্তে হচ্ছে এপিএআর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
এসিআরের পরিবর্তে হচ্ছে এপিএআর

এসিআরের পরিবর্তে হচ্ছে এপিএআর

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি কর্মকর্তাদের বাৎসরিক গোপন প্রতিবেদনে (অ্যানুয়াল কনফিডেনশিয়াল রিপোর্ট বা এসিআর) আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। স্বচ্ছ, আধুনিক, প্রযুক্তিভিত্তিক, ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক বহুমুখী কর্মমূল্যায়ন ব্যবস্থা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সরকারি কর্মকর্তাদের বার্ষিক কর্মকৃতি মূল্যায়নে অ্যানুয়াল পারফরম্যান্স অ্যাপ্রাইজাল রিপোর্ট-এপিএআর সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। এরইমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে অংশীজনের মতামত প্রদানের জন্য এই অনুশাসনমালার খসড়াটি প্রকাশ করা হয়েছে।

এটি অনুমোদন হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বার্ষিক গোপন প্রতিবেদনের (এসিআর) পরিবর্তে এটি ব্যবহৃত হবে। নবম থেকে দ্বিতীয় গ্রেড পর্যন্ত সব সরকারি কর্মকর্তার বার্ষিক কর্মকৃতি মূল্যায়ন হবে এপিএআরের মাধ্যমে। এপিএআরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এপিএআর একটি অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

জানা যায়, বর্তমান এসিআরের পুরোটাই ব্যক্তিগত ও পেশাগত বৈশিষ্ট্যের মূল্যায়ন হয়। যেমন- ব্যক্তিত্ব, সময়ানুবর্তিতা, সততা ইত্যাদির মতো ২৫টি মানদণ্ড আছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মচারী বছরব্যাপী কী কাজ করেছেন, করলে ঠিকমতো করেছেন কিনা সেটার মূল্যায়ন নেই। অর্থাৎ বিদ্যমান এসিআরের ১০০ নম্বরের পুরোটাই বৈশিষ্ট্যনির্ভর। কিন্তু এপিএআরে কর্মচারীর ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের নম্বর থাকবে ৪০। আর বছরব্যাপী কাজের মূল্যায়নের নম্বর হবে ৬০।

খসড়া অনুযায়ী, এপিএআর হবে সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর জন্য একটি করে অনলাইন অ্যাকাউন্ট হবে। এতে চাকরিতে ঢোকার প্রথম দিন থেকে শেষ দিনের প্রয়োজনীয় তথ্য থাকবে। অ্যাকাউন্টে কর্মচারীরর স্বাস্থ্য পরিস্থিতির আপডেট থাকবে, কে কতবার বিদেশ সফরে গেছেন, কোন কোন দেশে গেছেন এসব তথ্য থাকবে। পরবর্তী সময়ে ওইসব দেশ সম্পর্কিত কাজের জন্য সহজেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খুঁজে পাবে সরকার। একইসঙ্গে তথ্য গোপন ও অন্যদের বঞ্চিত করে বারবার বিদেশ সফরে যেতে পারবে না কেউ।

;