রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থন দিবে জাতিসংঘ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো বলেছেন, জাতিসংঘ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থন দিয়ে যাবে।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থন দিয়ে যাবো।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, মানবিক কারণে আমরা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু তারা এখন সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু, তাদের উচিত এখন নিজ দেশে ফিরে যাওয়া।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, যে সব এনজিও বাংলাদেশে কাজ করছে সে সব এনজিও রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের নিজ দেশেও কাজ করতে পারে। বৈঠকে তাঁরা কোভিড-১৯, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা করেন।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রত্যেক সরকারি চাকরিতে বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি এবং সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।

জলবায়ু প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি তাঁর দল ও সহযোগী সংগঠনগুলোও বিপুল সংখ্যক বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করছে।

মিয়া সেপ্পো বাংলাদেশে তার অবস্থানের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সরকারের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল। অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খাগড়াছড়ি
সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি

সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি

  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়ি সদরের সাত গ্রামের ত্রিশ জন পাহাড়ি মারমা যুবকের স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে বাঁশ, কাঠ, দিয়ে চেঙ্গী নদীর ওপর সাঁকো তৈরি করছেন। চলাচল করছে খাগড়াছড়ি সদরের দক্ষিণ গোলাবাড়ি, পশ্চিম গোলাবাড়ির ত্রিপুরাপাড়া, ঠাকুরছড়া, বটতলী, কালাডেবাসহ সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শ্রম দিয়ে সাঁকো তৈরির কাজ শেষ করবেন জানান উদ্যোক্তারা।

শনিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, চেঙ্গী নদীর পারে মাইকে চলছে একের পর এক গান। কখনো বৌদ্ধ ধর্মীয়, আধুনিক, হিন্দীসহ ইংরেজি গান শুনে শীতে চেঙ্গী নদীর পানিতে নেমে দুইপাশে দুইটি কুঠি ঘেরে বাঁশ ও কাঠ বেঁধে সাঁকো তৈরি করছেন যুবকরা।       

সাঁকো তৈরির উদ্দ্যোক্তা ক্যাচিং মর্গ বলেন, সাত গ্রামের মানুষ যাতায়াতের জন্য ত্রিশ জন সেচ্ছা শ্রম দিয়ে আমাদের ছেলেরা সাঁকো তৈরি করছেন। রোগীদের পারাপার করতে অসুবিধা হয়। ডেলিভারি রোগীদের নদী পার হলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে রোগীরা অনেক কষ্ট পায়। দুর্ভোগে পড়ে স্বজন ও মানুষরা। তিনি বলেন, দক্ষিণ গোলাবাড়ি, কালাডেবা, বটতলীসহ সাত গ্রামের মানুষ থেকে দশ থেকে পাঁচশ টাকা তোলে সাঁকো তৈরি করছি। তৈরি করতে পঁঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হবে।   


চাইহলাপ্রু মারমা ও আচাইপ্রু মারমা বলেন, সকাল থেকে আমরা সেচ্ছা শ্রম দিয়ে সবাই মিলে মিসে সাঁকো তৈরির কাজ করছি। সন্ধ্যার আগে সাঁকো তৈরি হয়ে যাবে। শীতে ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ চলছে। কষ্ট হলেও গ্রামবাসির সুবিধার জন্য আমরা সাঁকো তৈরির কাজ শেষ করে সবাই বাড়ি ফিরব।      

দক্ষিণগোলাবাড়ির বাসিন্দা নিওয়েন চৌধুরী বলেন, আমাদের গ্রাম থেকে নৌকা দিয়ে নদী পার করে শাক-সবজি বটতলীতে নিয়ে যেতে হয়। খাগড়াছড়ি শহরের চাহিদা মিটিয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যায়। বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও শীত মৌসুমে সাঁকো দিয়ে পার করে সবজি বিক্রি করতে নিয়ে যেতে হয়। গ্রামবাসি থেকে টাকা তোলে যুবক, নারী ও বয়স্করা মিলে সাঁকো তৈরি করছেন। কষ্টের কোনো শেষ নেই আমাদের। একটি সেুত নিমার্ণ করা হলে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায় সাত গ্রামের মানুষরা। 

গোলাবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও হেডম্যান অংখ্যচিং চৌধুরী বলেন, জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ইচ্ছে করলে এখানে একটি ব্রিজ নিমার্ণ করতে পারে। তাঁরা ফিরে থাকায় না। সেতু হলে গ্রামের উন্নয়ন হত। তিনি বলেন, দক্ষিণগোলাবাড়ি এলাকায় পাঁচ হাজার একর জমিতে সবজি চাষ করেন দুই হাজর পাহাড়ি চাষিরা চাষ করে সংসার চালান।


সাঁকো তৈরি করতে পনের হাজার টাকা দান করেন সুজিত দেওয়ান। তিনি বলেন, সাত গ্রামের মানুষদের দুঃখ দেখে সাঁকো তৈরি করতে পনের হাজার টাকা দিয়ে তাঁদের সহযোগিতা করি।

খাগড়াছড়ি সদরের গোলাবাড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার রাম কুমার ত্রিপুরা বলেন, পাকিস্তান আমলে দক্ষিণগোলাবাড়ির মারমাপাড়া হয়ে নদী পার হয়ে আমাদের বাজারে যেতে পুরানো রাস্তা ছিল এটা। প্রতি পরিবার তিন থেকে চার কানি জমিতে সবজি চাষ করে। সবজি শহরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতে হয় কষ্ট করে। আমাদের এখানে ব্রিজ দরকার। তিনি বলেন, সাবেক এমপি যতিন্দ্রলাল ত্রিপুরা থাকা কালিন ব্রীজের জন্য আবেদন করেছে। নানান সদস্যার কারণে হয়নি।

খাগড়াছড়ি জেলা সদর গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা বলেন, খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও ইউনিয়নের মধ্যে পড়ে এই স্থানটি। দক্ষিণগোলাবাড়িসহ বেশ কয়েকটি গ্রামবাসিদের টাকা দিয়ে তাঁরা সাঁকো তৈরি করেন। শীতের সময়ে লোকজন ওইখানে সাঁকো তৈরি করে দক্ষিণ গোলাবাড়ি হয়ে বটতলী পারাপার করেন। বর্ষা মৌসুমে তাঁরা দুরে ঠাকুরছড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সময় বাচাঁনোর জন্য তাঁরা নদীর পার হয়ে শহরের বটতলী এলাকার বাজারে যায়। এদের সময়ের প্রয়োজনে চেঙ্গী নদী পার হলে শহরের বটতলী এলাকা। এই সুবিধা। তিনি বলেন, আমরা যে বরাদ্দ পায় তা দিয়ে ব্রিজ নিমার্ণ করা সম্ভব নয়। এখানে ব্রিজ দেওয়া জরুরি।

;

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কমিটি গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে ধামরাই উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন নিসচা'র উপজেলা কার্যালয়ে এক সভায় সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নতুন এই কমিটিতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার নতুন সভাপতি হয়েছেন মো. নাহিদ মিয়া, সহ সভাপতি মো. ইমরান হোসেন, আবুল কালাম মিজানুর রহমান, মো. মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক নাঈম ইসলাম সহ ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই শাখার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তালিকায় রয়েছেন, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী, ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির, ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (পিপিএম), উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সিরাজ উদ্দিন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আরাফাত সাকলাইন রাফি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদ সাইফুল ইসলাম রতন, ধামরাই প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু হাসান প্রমুখ।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার সভাপতি মো. নাহিদ মিয়া জানান, নবগঠিত ২ বছর মেয়াদী নতুন কমিটির মুল ভিশন হচ্ছে ধামরাই উপজেলার অংশবিশেষে দুর্ঘটনার পরিমান কমিয়ে আনা। আজকে যে কমিটি ঘোষণা করা হলো পূর্বের কমিটির ন্যায় বিচার বিশ্লেষণ করে সংগঠনের কার্যক্রম কে বেগমান করার লক্ষ্যে যে সকল সদস্য ভূমিকা রেখে চলেছে তাদের এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে মুল্যায়ন করা হয়েছে। এছাড়া কমিটির আজকের আয়োজনে বিগত সালের সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, সংগঠনের আয় ব্যয় হিসাবের চিত্র তুলে ধরাসহ সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে সকলের সামনে উপস্থাপন করে তুলে ধরা হয়। সুতরাং আমাদের উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধিগণ, পুলিশ, প্রশাসনসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সড়ক দুর্ঘটনা ও সড়কে বিশৃঙ্খলা রোধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত ধামরাই উপজেলা গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছি।

;

বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বাসাইলে বিজ্ঞানমেলা অনুষ্ঠিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে টাঙ্গাইলের বাসাইলে ৪৩তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলা ও প্রযুক্তি সপ্তাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৩ জানুয়ারি থেকে সকল ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ২১জানুয়ারি থেকে ৬ফেব্রুয়ারি স্কুল কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হলেও শনিবার (২২ জানুয়ারি) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাসাইল ডিগ্রি কলেজ মাঠে  এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞান উপকরণ নিয়ে উপস্থিত হয়। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি নাহিয়ান নূরেন, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রহিম আহমেদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন বলেন,বিজ্ঞান মেলা কোনো ক্লাস না, একদিনের জন্য সীমিত পরিসরে ছোট একটি অনুষ্ঠান। সরকারি অনুষ্ঠান বন্ধ এটা তো কোথাও বলা নাই।পরিপত্রে লিখা আছে ১০০ জন মাস্ক পড়ে অনুষ্ঠানে আসতে পারবে।এই অনুষ্ঠানের সাথে স্কুল কলেজে বন্ধ থাকার কোনো মিল নাই।এই অনুষ্ঠানটি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

;

মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সেমিনার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,টাঙ্গাইল
ছবি: মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সেমিনার

ছবি: মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সেমিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অনলাইন সেমিনার করেছে সরকারি সা'দত কলেজ করটিয়ার ইতিহাস বিভাগ।

শনিবার(২২ জানুয়ারি) বেলা ১১ টা থেকে ঘন্টা ব্যাপী অনলাইন প্লাটফর্ম জুমের মাধ্যমে ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড.তাহমিনা খানের সভাপতিত্বে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ইতিহাস বিভাগ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ইতিহাস বিভাগের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনাকালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাঙালির বিজয় পূর্ণতা পেয়েছিল বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারি সা'দত কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মৃদুল চন্দ্র পোদ্দার শুরুতেই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি তার বক্তব্যে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে জাতির পিতার যুক্তরাজ্য ও ভারত সফরের মাধ্যমে সূচিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিজয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। বাংলাদেশের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সকল প্রকার শোষণ-নিপীড়ন-বঞ্চনার ইতি টেনে বাঙ্গালী জাতির আর্থ সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে এই মহানায়কের সূচিত অগ্রযাত্রার এক ঐতিহাসিক আলেখ্য তিনি উপস্থিত সকলের সামনে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি সা'দত কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন প্রাবন্ধিক উপস্থাপন করেন ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মো.হান্নান মিয়া,মূখ্য আলোচক ছিলেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সানজিদা আক্তার কেয়া ।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিলরুবা নার্গিস ।

;